somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

টস জেতার পর যা করা উচিৎ

৩১ শে মে, ২০১৭ দুপুর ১:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ক্রিকেটের পথিকৃতদের একজন উইলিয়াম গিলবার্ট গ্রেস ( W.G. Grace) টস জিতার পর কি করা উচিৎ সে প্রসঙ্গে বলেছিলেন,
"When you win the toss – bat. If you are in doubt, think about it, then bat. If you have very big doubts, consult a colleague – then bat." (টসে জিতলে ব্যাটিং নেবেন, যদি এ বিষয়ে কোন সন্দেহ জাগে তাহলে ভেবেচিন্তে ব্যাটিং নিন, খুব বেশি সন্দেহ জাগলে কোন সতীর্থের সাথে পরামর্শ করুন, তারপর ব্যাটিং নিন।)

অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দুর্দান্ত বোলার যদি থাকে যারা পিচের সুবিধা নিয়ে অধিনায়ককে কাঙ্খিত ফল এনে দিতে পারেন তারা পিচ বুঝে বোলিং নিতে পারেন। অন্যদের জন্য ডক্টর গ্রেসের পরামর্শই বহদিন ধরে বেদবাক্য বলে বিবেচিত হয়। আমরা যে কি ভেবে বোলিং নেই !

ড. গ্রেস প্রথম শ্রেণি ও টেস্ট ক্রিকেটে খেলেছেন ৫০ বছর (১৮৬৪-১৯১৪)। ১৮৮০ থেকে ১৮৯৯ সাল পর্যন্ত ২২টি টেস্টে তিনি ৩২.২৯ গড়ে তিনি ১০৯৮ রান করেন। করেছেন ২টি সেঞ্চুরি এবং ৫টি হাফ সেঞ্চুরি। সর্বোচ্চ স্কোর ১৭০। উইকেট নিয়েছেন ৯টি (সেরা বোলিং ২/১২) ১৮৮২ সালে ওভালে অনুষ্ঠিত যে টেস্টের পর এশেজ-এর কিংবদন্তী চালু হয়েছে সে টেস্টে তিনি করেছেন ৪ এবং ৩২। অস্ট্রেলীয় বোলার স্পোফোর্থ রাগিয়ে দেবার জন্য গ্রেসকে দায়ী করা হয়েছিলো। স্পোফোর্থের ১৪ উইকেট নেবার সূত্রেই ইংল্যান্ড ৭ রানে হেরেছিলো।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে গ্রেস ৮৭০ ম্যাচে ৩৯.৪৫ গড়ে ৫৪ হাজার ২১১ রান করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে ১২৪টি সেঞ্চুরি এবং ২৫১টি হাফ সেঞ্চুরি। সর্বোচ্চ স্কোর ৩৪৪। ১৮.১৪ গড়ে উইকেট নিয়েছেন ২ হাজার ৮০৯টি। ম্যাচে ৫ উইকেট পেয়েছেন ২২৪ বার, আর ১০ উইকেট পেয়েছেন ৬৪ বার। সেরা বোলিং ১০/৪৯। ক্যাচ নিয়েছেন ৮৭৬ টি। ১৮৭৩ সালে গ্রেস প্রথম ক্রিকেটার হিসাবে এক মৌসুমে ১ হাজার রান এবং ১০০ উইকেট নিয়ে 'ডাবল' অর্জন করেন (২১৩৯ রান ও ১০৬ উইকেট)। এরপর আরো ৭ বার তিনি এই কীর্তি গড়েন।
https://en.wikipedia.org/wiki/W._G._Grace
http://www.espncricinfo.com/england/content/player/13424.html

সব কথার শেষ কথা- সর্বাবস্থায় টাইগারদের সাথে আছি।


সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে মে, ২০১৭ দুপুর ১:৩৬
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×