প্রথমে কোচ প্রসঙ্গে আসি। হাথুরুসিঙ্গে দলের পারফরমেন্স ভালো হবার সাথে সাথে স্বৈরতান্ত্রিক হয়ে পড়েছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ তাড়িত হয়ে ম্যাচের পর ম্যাচ সৌম্য সরকারকে নিচ্ছেন, আর নাসিরকে বাদ দিচ্ছেন। সৌম্যকে বিশ্রাম দিলে সৌম্য এবং দল উভয়ের জন্য ভালো হতো। হাথুরু যদি পেশাদারী মনোভাবের বদলে এরকম ব্যক্তিগত অহম নিয়ে চলতে থাকেন, তাহলে তাঁর বদলে নতুন কোচ খোঁজাই উত্তম। ( ডেভ হোয়াটমোরকে আবার পেলে ভালো হতে পারে)
কোর্টনি ওয়ালশ খেলোয়াড় এবং মানুষ হিসাবে অসাধারণ। কিন্তু কোচ হিসাবে ভালো করছেন না। বোলিং কোচ হিথ স্ট্রিককে ফিরে পেলে ভালো হতো।
মাশরাফির নেতৃত্বে দলটি একটু পুনর্গঠন করা যেতে পারে। ওপেনিংয়ে তামিমের সঙ্গী হতে পারেন অভিজ্ঞ আনামুল হক। এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান ৩০টি ম্যাচ খেলেছেন। Click This Link
তিনি দলে থাকা মানে দলে একজন স্ট্যান্ড-বাই কিপারও থাকলেন। ম্যাচের মাঝে মুশির সমস্যা হলে তিনি হাল ধরতে পারবেন।
তিন নম্বরে অভিজ্ঞ মাহমুদুল্লাহকে রাখা যেতে পারে। ইমরুল আর সাব্বিরকে দিয়ে চেষ্টা করা হয়েছে। তবে মাহমুদুল্লাহর বিকল্প নাসিরের কথাও ভাবা যায়। ওপরের দিকে ব্যাট করে নাসির প্রিমিয়ার লীগে দারুন পারফর্ম করেছেন। আমি মাহমুদুল্লাহর পক্ষে, তাঁর অভিজ্ঞতা, ধৈর্য আর বড়ো মঞ্চে সাফল্যের কারণে। Click This Link
চার আর পাঁচে অবধারিতভাবে মুশফিক আর সাকিব।
ছয়ে আসতে পারেন নাসির। তাঁর ব্যাটিং ফিল্ডিং আর বোলিং সবই দলের কাজে লাগবে। বড়ো ইনিংস খেলায় তাঁর সাম্প্রতিক সাফল্য বিবেচনায় নিয়ে তাঁকে ছয়ে রাখতে চাই। ওপরের দিকে হঠাৎ উইকেট হারালে তিনি লম্বা ইনিংস খেলে রান করে দিতে পারবেন।
সাত নম্বরে সাব্বির। পাওয়ার ক্রিকেটের এই যুগে তাঁর এ ক্ষমতা দলের কাজে লাগবে।
আট নম্বরে মাশরাফি অথবা মিরাজ। চার পেসার হলে মাশরাফি আট নম্বরে আর তিন পেসার হলে মিরাজ আটে, ম্যাশ নয়ে।
এর পর রুবেল/তাসকিন। সবশেষে মোস্তাফিজ। মোস্তাফিজকে একটু ব্যাটিং শেখানো দরকার।
চার পেসারের দল-
তামিম, আনামুল, মাহমুদুল্লাহ, মুশফিক, সাকিব, নাসির, সাব্বির,মাশরাফি, রুবেল, তাসকিন, মোস্তাফিজ।
তিন পেসারের দল
তামিম, আনামুল, মাহমুদুল্লাহ, মুশফিক, সাকিব, নাসির, সাব্বির, মিরাজ, মাশরাফি, রুবেল, মোস্তাফিজ।
দ্বাদশ খেলোয়াড়- মোসাদ্দেক
হাই পারফরমেন্স দল দিয়ে ব্যাক আপ খেলোয়াড়
ইনজুরি বা অন্য কোন কারণে দলে প্লেয়ার বদলাতে হলে হাই পারফরমেন্স দলের মাধ্যমে কিছু প্লেয়ারকে তৈরি করা দরকার। অফ সাইডে সৌম্যর ব্যাটিং দুর্বলতা আর খোঁচা মেরে উইকেট বিলানোর রোগের চিকিৎসা করা যেতে পারে। ওপেনার হিসাবে আসতে পারেন নূরুল হাসান সোহানও। তিনি ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি কিপিংটাও জানেন। তিনি থাকা মানে স্ট্যান্ডবাই কিপার দলে থাকা। দলে না থাকলে মোসাদ্দেক আর মিরাজকে এখানে রেখে তৈরি করা যেতে পারে। লিটন দাশকেও তৈরি করা দরকার। প্রথম শ্রেণি আর লিস্ট-এ ভালো খেললেও আন্তর্জাতিক ম্যাচে খেই হারান এই কিপার ব্যাটসম্যান। Click This Link
মিডল অর্ডারের জন্য মুমিনুল হককে ব্যাক আপ রাখা দরকার। টেস্ট তকমা দিয়ে তাঁকে ওডিআইতে বাদ দেয়া হচ্ছে। Click This Link
মিডল অর্ডারের জন্য তানভীর হায়দারকেও বিবেচনায় নেয়া যায়। বাড়তি হিসাবে তাঁর লেগব্রেক বোলিংটাও কাজে লাগানো যাবে। Click This Link
সোহাগ গাজীকে আবার ফিরিয়ে আনার জন্য তৈরি করা দরকার। তাঁর অভিজ্ঞতা আমাদের কাজে লাগবে, বিশেষ করে স্পিনিং উইকেটে। Click This Link
পেসার সফিউল ও আল আমিন হোসেন, স্পিনার তাইজুল, সানজামুল ও আরাফাত সানিকে বিচেনায় নেয়া যায়।
বাংলাদেশ দলের জন্য নিরন্তর শুভ কামনা।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুন, ২০১৭ বিকাল ৪:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




