
জনগণের বন্ধু কে পুলিশ, আর পুলিশের বন্ধুকে নিশ্চিয় জনগণ। কিন্তু সেই পুলিশই যদি হয় জনগণের শত্রু আর জনগণের শত্রু পুলিশ তাহলে দেশের কি হবে?
আজ রাজারবাগ পুলিশ লাইনের সামনে থেকে যখন আসছি তখন নিজের চোখে দেখলাম একজন দেশ রক্ষি, একজন পবিত্র পোশাকধারী, জনগণের একজন বন্ধর বর্বরতা। যারা দেশে পুলিশ নামে পরিচিত হয়ে থাকে সবার কাছে। যাদের পোশাকটি সবার থেকে আলাদা হয়। যাদের দেখলে মানুষ সেলুট করবে, আজ দেখলাম তাদের কান্ড। বাহ কি সুন্দর আমাদের দেশের আইন রক্ষাকারী বন্ধু পুলিশ বাহিনী। এদেরকে আমি পুলিশ বলবোনা, আর বলে স্বীকারও করিনা। এরা পুলিশ নামে অমানুষ, জানিনা বিধাতা এদের কোন রূপে সৃষ্ট্রি করেছেন। আইন-শৃংঙ্খলার অবস্থা যদি এই হয়, তাহলে দেশের অবস্থা কি হবে।
শুধু কি ঐ পুলিশের পোশাকটি পড়লেই মানুষ তাকে সম্মান করবে? পুলিশ পুলিশ বলে বুকে টেনে নিবে? না নিবেনা। এদেরও একটি যোগ্যতা থাকতে হয়, এদের মন-মানসিকতা সুস্থ থাকতে হয়। ঐ পুলিশের পোশকটি পড়ে যখন স্বপথ করানো হয়, সেই স্বপথের মূল্য রাখতে হয়, সেই সত্যের পথে চলতে হয়। আর আজকে পুলিশ ভাইয়েরা কি করে! অসত্যা-মিথ্যে, লুট-চাঁদাবাজি, অন্যায়, অমানুষি, নির্মম-নির্যাতন, ঘুষ-খুন এই সব কোনেটারি থেকে পিছিয়ে নেই আজকে পুলিশ ভাইয়েরা। বলতে গেলে সবার থেকে এগিয়ে আছে। খুব দুঃখ পাই মাঝে মাঝে পুলিশের এই ধরণের বর্বরতা দেখে। আজকের ঘটনাটি তাহলে শুনুন-
একজন ট্রফিক-পুলিশ রাজারবাগ মোড়ে দাড়িয়ে ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করছেন। একজন বয়স্ক মুরব্বি যার বয়স হবে ঐ ট্রফিক-পুলিশের বাবার বয়সি। লোকটি ভ্যাট চালক, লোকটি মানুষ টানে সেই ভ্যানে। উপার্জন করে টাকা, তা দিয়ে তার গরিব পরিবারটি চালায়। তার ভ্যানে কিছু মানুষও ছিলো তারা ঐ ভ্যানের যাত্রী। ভ্যান চালক যখন এককোণা দিয়ে এসে পুলিশটির পিছনে দাড়ালো জ্যামের মধ্যে। তখনি পুলিশ তাকে তার হাতের লাটি দিয়ে পিটানো শুরু করলো। ভ্যান চালক লাঠিটি ধরে ফেললো, তবুও ক্ষ্যান্ত হলো না পুলিশটি এলোপাতারি গুষি দিতে লাগলো ঘাড়ের উপর, তবুও ক্ষ্যান্ত হলো না পুলিশ, তার ভ্যানের চাকাটির হাওয়া বের করে দিলো। তখন চোখের পানি ধরে রাখতে পারলাম না। কেদে দিলাম, আহারে ঐ লোকটি যদি আমার বাবা কিংবা ঐ পুলিশের বাবা হতো তাহলে কি এই ভাবে মার খেতো। আশে পাশের কেউ কিছু বললোনা এমনকি ভ্যানে যারা ছিলো তারাও না, তারা হয়তো পুলিশটাকে ভয় পেয়েছে। শুধু একজনকে দেখলাম, তাও মারার পর এসে ভদ্রলোকটি বলল থামেন আর মাইরেননা।
কত তো ভি.আইপিরা রাস্তা ওভারটেক করে রং রোডে গাড়ি নিয়ে দৌড়ায়। তখন কোথায় যায় এমন বর্বরতা পুলিশদের চেহেরা। নাকি পুলিশরা তাদের চাকর হয়ে আছে যার কারণে মুনিবকে কিছু বলতে সাহস পায়না। খুবই দুঃখজনক দেশের আইন-প্রশাসনের অবস্থা।
আমার ছোট্ট এই ঘটনাটি কার কাছে কেমন লাগে তা জানিনা। হয়তো অনেকে এর বিপক্ষে কথা বলবেন বা পক্ষে বলবেন। বলতে পারেন তবে চিন্তা করে বলবেন, আর ঘটনাটি সবটাই সত্য।
ছবিটি নেট থেকে নেওয়া।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



