হে ঈশ্বর, মন্ত্র দে
২৯ শে মে, ২০০৬ দুপুর ১:০৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
ঈশ্বর আমি ডাকছি তরে
কই গেলি তুই আমার ডরে,
মন্ত্র দে তুই একটা জবর
সব বেটাদের করি খবর।
উপরে বসে পারবি না আর
খবর নিতে এই দুনিয়ার,
দে আমারে মন্ত্র ফুঁকে
দেই শালাদের পেরেক ঠুকে।
ইচ্ছেমত চুরিদারি
বেনামে সব গাড়ি বাড়ি,
ছাই করে দেই মন্ত্র ঝেড়ে
পালায় যেন দেশটা ছেড়ে।
ধর্মের কল বিকল করে
ধর্মের যারা ব্যবসা করে,
দে আমারে মন্ত্র দে রে
উড়িয়ে দেই বোমা মেরে।
লাল পানিতে গোসল সেড়ে
হাতে যারা তসবি ধরে,
রাতের গভীর অন্ধকারে
নারীদেহ পুজা করে।
ইচ্ছে করে সব বেটাকে
এক দড়িতে দেই লটকে,
দে রে ঈশ্বর মন্ত্র দে
শেষ লাথিটা মারি খেদে।
ঈশ্বর তুই থাকিস কোথায়
নাগাল তোর কেউ না পায়,
মন্ত্র চাইলে রেগে বলিস
কোরান বাইবেল ঘেটে দেখিস।
সব মন্ত্রই দেয়া আছে
ইচ্ছে হলে রাখিস কাছে,
মানিনা তোর এসব বুলি
পড়াবি কত চোখে ঠুলি।
মন্ত্র আমার চা'ই চাই
এ ছাড়া আর উপায় নাই,
মন্ত্র আমায় দিবি কিনা
সত্যি করে বল।
আকাশ থেকে নেমে একবার
আমার সাথে চল,
দেখবি তুই নিজের চোখে
কেমন আছি মর্ত্যলোকে।
তোর প্রিয় বান্দা সবাই
সুযোগ পেলেই করছে জবাই,
শ্রেষ্ঠর লেভেল নে ছিঁড়ে ফেল
ইচ্ছে মত তুই এবার খেল।
মন্ত্র দে রে মন্ত্র দে
মানুষ হবার মন্ত্র দে
পশু হবার আগেই আমার
জানটা কেড়ে নে।
মন্ত্র তুই দিবিনা জানি
ঈশ্বরগিরি তুই ফলাবি
মানবতার যাঁতাকলেই
মানুষকে তুই ডলাবি
মন্ত্র দে রে মন্ত্র দে
হে ঈশ্বর মন্ত্র দে
মন্ত্রগুনে না হয় একবার
ঈশ্বর করেই দে।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে মে, ২০০৬ দুপুর ১:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
লিখেছেন
সনজিত, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৮

বহু বছর পর হঠাৎ তোর সঙ্গে দেখা।
প্রথমে চিনতেই পারিনি।
তারপর একচিলতে হাসি-
মনে হলো,
সময় আমাদের চেহারা বদলেছে,
কিন্তু শৈশবের মুখটা এখনো একই রয়ে গেছে।
চোখের কোণে ক্লান্তির রেখা,
চুল অর্ধেকটা সাদা রং,
কাঁধে সংসার,...
...বাকিটুকু পড়ুন
বারে কুত্তার চোখ রঙিন
স্বপ্ন দেখে তাই ঘিন ঘিন
তাই দেখে হাড্ডি হাসে
পিন পিন, নাকের পুহান ঘুম
রক্ত হবে সুরেশ এই চুম;
ঐ গুরুজনে কইছে কথা
কুত্তার পেটে ঘি করে ব্যথা
স্বপ্ন তো দেখবেই ভুক...
...বাকিটুকু পড়ুন
দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্যযতদিন যাচ্ছে, ততই মনে হচ্ছ -এই দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে নিয়ে আশাবাদী হওয়াটা রীতিমতো বিলাসিতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সেদিন দেখলাম, এক ছাত্রশিবির নেতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে...
...বাকিটুকু পড়ুন
যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।
ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।
খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।
আয়...
...বাকিটুকু পড়ুন
পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য...
...বাকিটুকু পড়ুন