somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সংখ্যাতত্ত্ব ঃ সাদিকের অনুরোধ এবং অপ বাক

১৮ ই জুন, ২০০৬ দুপুর ১২:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


প্রাচীণ কাল থেকেই ভাগ্য বা ভবিষ্যত জানার প্রতি মানুষের অপরিসীম আগ্রহ। এর মধ্যে রয়েছে রাশিফল, হস্তরেখা, ভবিষ্যদ্বানী, কোষ্ঠি বিচার, শুভলগ্ন, স্বপ্ন মঙ্গল বা খোয়াবনামা ও গ্রহরত্ন ধারণ ইত্যাদি। প্রাত্যহিক জীবনে বা লোকাচারে বিভিন্ন ঘটনা ভাগ্য নির্দেশক বা শুভ-অশুভ ঘটনা বা পরিস্থিতির বাতর্াবাহক। এই মর্মে নানা বিশ্বাস ও সংস্কার প্রচলিত আছে। যেমন রাতে পেঁচা ডাকা ও কুকুরের কান্না, অসময়ে কাক ডাকা, টিকটিকি ডাকা, শালিক দেখা, হাতের তালু চুলকানো, চোখের পাতা লাফানো, সকালে কারও মুখ দেখা, কালো বিড়াল দেখা ইত্যাদি বিষয়ে মানুষের একটা প্রচ্ছন্ন ভীতি বা সংস্কার আগেও ছিল, এখনো আছে কোন কোন সমাজে। বিশেষকরে গ্রাম অঞ্চলে ও বিচ্ছিন্ন লোকালয়ে।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশেই রাশিফল একটি জনপ্রিয় বিষয়। শুধু ভাগ্যই নয় জ্যোতিষীদের দা্বী নির্দ্দিষ্ট 'জাতক' দের শারীরিক ও মানসিক বৈশিষ্ট রাশি দ্বারা প্রভাবিত বা নিয়ন্ত্রিত। গ্রীসেই প্রথম রাশির মাধ্যমে ভাগ্য গণনার প্রচলন ঘটে। আকাশের তারকারাজি উপর গ্রীকদের পর্যবেণ ছিল প্রাচীন কাল থেকেই। রাশি ফল নির্ণয়ে যে 12টি রাশি ব্যবহার করা হয় সেগুলো তারাদের সমন্বয়ে বিভিন্ন কাল্পনিক মূর্তি এবং পৌরাণিক চরিত্র। প্রাচীন সভ্যতায় চন্দ্র, সূর্য, শুক্র, বুধ এবং চন্দ্রসূর্যের গ্রহণ সমূহকে (যা খালি চোখে দেখা যায়) দেবতা হিসেবে কল্পনা করা হতো। দেবতারা মানুষের ভাগ্য নিয়ন্ত্রন করে এটাই ছিল প্রাচীন সভ্যতার বিশ্বাস।

প্রাচীনকালে ভারতের সাথে গ্রীসের যোগাযোগ ছিল। গ্রীসের মত ভারত বর্ষেও বিভিন্ন গ্রহ নক্ষত্রকে দেবতা হিসেবে বিবেচনা করা হতো। উভয় সভ্যতার মাঝেই দেবতাদের স্বভাব-চরিত্র অনুযায়ী ভাগ্যের উপর তাদের প্রভাবকে কল্পনা করা হতো। যেমন অশুভ দেবতা (অসুর) বা "রাহু" এবং রহস্যময় বলয় আবৃত "শনি"র প্রভাব হবে অশুভ। "জুপিটার" বা "জিয়াস" (বৃহস্পতি) দেবরাজ তাই তার প্রভাব হবে ভাল। "শুক্র" বা "ভেনাস" ভারতীয় শাস্ত্র অনুযায়ী শুক্রাচার্য, জন্ম, রতি, ভোগ বা প্রণয় বিষয়ক ব্যাপারগুলোর প্রতীক হিসেবে গণ্য করা হয়। তেমন "বুধ" বা "মারকারী"কে বিদ্যা, বুদ্ধি, মেধা, মনন, ইনটু্যইশন, ব্যবসা, বানিজ্য, চাকরী, অর্থ, সম্পদ ইত্যদির নিয়ন্ত্রক গ্রহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। রাশি ফলে সব গ্রহের ভাল ও মন্দ দুটো প্রভাবই স্বীকৃত বিষয় তবে সেটা নির্ভর করে তাদের পারস্পারিক অবস্থানের উপর। প্রতিটি লগ্নে প্রতিটি গ্রহের অবস্থানগত পরিবর্তন ঘটে তাই জন্মগতভাবে প্রতিটি মানুষের আকার, গড়ন, স্বভাব, চরিত্র ও মানসিকতার মধ্যেও পরিবর্তন ঘটে। এমনকি জমজ সন্তান হলেও স্বভাবে বা দেখতে অমিল দেখা যায়।

সংখ্যা তত্ত্বের বিচারে একজন মানুষ কেমন হতে পারে সেটা নিছক অনুমান এবং প্রাপ্ত সংখ্যার নিয়ন্ত্রক গ্রহের অবস্থানগত তথ্যের ভিত্তিতে সামান্য কিছু অনুমান করা যেতে পারে। তবে একই জন্মসংখ্যার সব মানুষ একই রকম হবে এর কোন বাঁধাধরা নিয়ম নেই। খোদার সৃষ্টি যে কোন মানুষ সম্পর্কে কখনই তারই মত অন্য কোন মানুষ কোনকিছুই বলার ক্ষমতা রাখে না। জ্যোতিষী যা কিছুই বলুক না কেন তা কখনই সেই মানুষের চলমান বা ভবিষ্যত জীবন সম্পর্কে শেষ কথা বা ধ্রুব সত্য বলে কিছু নয়। সবকিছুই শুধু অনুমান মাত্র। আর এই অনুমানের উপর ভিত্তি করে কোন মানুষ সম্পর্কে কোনকিছুই বলা সম্ভব নয়। জ্যেতিষীদের বা ভবিষ্যতদ্রষ্টাদের অতিরঞ্জিত বা কল্পনিক অভিমত বা চরিত্র বিশ্লেষণের প্রক্রিয়ার কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি বা সত্যতা নেই। তাই এগুলোকে পুরোপুরি বা আংশিকভাবে বিশ্বাস করারও কোন নিরেট বা অখন্ড যুক্তি নেই।

সংখ্যাতত্ত্বে ধরে নেয়া হয় প্রতিটি একক সংখ্যা (1 থেকে 9) ভিন্ন ভিন্ন গ্রহ দ্বারা প্রভাবিত ও নিয়ন্ত্রিত। এও ধরে নেয়া হয় গ্রহগত অবস্থান ও সংখ্যার বিচারে মানুষের আকার, গড়ন, চরিত্র, বিশ্বাস, চিন্তাশক্তি, কল্পনা, অনুভূতি ও বিবেকের সূক্ষণ তাড়নাগুলো প্রভাবিত ও রদবদল হতে থাকে। তবে মানুষের মূল চরিত্র, প্রকৃতি বা স্বভাব কোন কিছুই কোন সংখ্যা দ্বারা প্রকৃত বিশ্ল্লেষণ বা রদবদল করা সম্ভব নয়। ঈশ্বর ব্যতীত কোন জ্যোতিষী বা গণক কোনভাবেই গ্রহ, সংখ্যা বা পাথর দ্বারা মানুষের ভাগ্যের এতোটুকু হেরফের বা পরিবর্তন করতে পারবেন এই ধারণা অনেকের কাছেই বিশ্বাসযোগ্য নয়। কোন মানুষ বা মনস্তাত্তিক শক্তির অধিকারী কোন পীর, ফকির, আউলিয়া, জ্যোতিষী, সাধক বা তান্ত্রিক যেই হোক না কেন তারা যা পারে তা হলো শুধুই মানুষের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত সম্পর্কে নিজের গুপ্তবিদ্যার প্রয়োগ, বড় জোড় সামান্য কিছু মনস্তাত্তি্বক বা ভাবনাগত পরিবর্তন। দেখাতে পারেন মনোজগত নিয়ন্ত্রনের কিছু কৌশল। আসল কথা মানুষের ভাগ্য ঈশ্বর ব্যতীত কেউ ফেরাতে পারেন না তবে হয়তো ভাবনা ও চিন্তাকে প্রভাবিত করতে পারেন। মেডিটেশন যা করে।

মানুষের জন্মগ্রহণের সময় বা লগ্নের উপর ভিত্তি করে এবং বিভিন্ন গ্রহ নক্ষত্রের অবস্থান বিচারে জন্মকুন্ডলী বা কোষ্ঠি তৈরী করা হয়। এতে মানুষের ভাগ্যসহ জন্ম মৃতু্য, বিপদ আপদ, ধন সম্পদ, বিবাহ কর্মক্ষেত্র ইত্যাদি নানা বিষয়ে দিক নির্দেশনা থাকে। এগুলোর কোনকিছুই বৈজ্ঞানিক সূত্র দ্বারা বা বিজ্ঞান ভিত্তিক গবেষনা দ্বারা প্রমানিত সত্য কিছু নয়। তবে দৈবক্রমে কোন কোন ঘটনা বা কিছু কিছু ভবিষ্যদ্বানী সত্যি সত্যি মিলে গেলে এর চর্চাকারীরা সেটা নিজেদের সাফল্য বা কৃতিত্ব হিসেবে দাবি করে। আসলে তা সত্য নয়। কারণ তারা পারিপাশ্বির্ক সবকিছু বিবেচনা করেই এসব বলে থাকেন। বাস্তবে যা ঘটা সম্ভব তা সবকিছুই অনুমান সাপেক্ষ এবং পর্যবেক্ষণ ক্ষমতার উৎকর্ষতা। এখানে ধ্রুব সত্য বলে কোন কিছু নেই। কিছু দূরদশর্ী ও দিব্যজ্ঞান সমৃদ্ধ মানুষ ইহজাগতিক ও মহাজাগতিক ঘটনাপ্রবাহকে গভীর ও তীক্ষণ ভাবে পর্যবেক্ষণ ও অনুধাবনের চেষ্টা করে আসছে। সেই সাথে মানুষের দৈনন্দিন চলাফেরার প্রতিনিয়ত যে সূ্ন পরিবর্তনগুলো ঘটছে সেগুলো তার জ্ঞানইন্দ্রিয়, অধ্যাবসায় ও ধ্যান শক্তি দিয়ে অতিমানবিকতার পযর্ায়ে নিয়ে যেতে সচেষ্ট হচ্ছে। তাদের এই প্রচন্ড ইচ্ছা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে তারা প্রকৃতির অমোঘ সত্য ও গোপন রহস্যকে আয়ত্বে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অনেক রহস্য আজ অবধি হাজার চেষ্টা করেও সেই অতি উৎসাহী মানুষগুলো কোন কুল কিনারা করতে পারে নাই। তবে গুপ্তবিদ্যা, সংখ্যাতত্ত্ব, হস্তরেখা নির্ণয় ও অন্যান্য আদিভৌতিক বিষয়গুলোর ব্যাপারে কিছু ব্যতিক্রমি মানুষ নিজেদের জ্ঞান ও বিশ্লেষণের ক্ষমতাকে আধ্যত্মিক উত্তরণ হিসেবে ব্যখা দিয়ে নিজেদের ধারণাগুলোকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছেন। এই ধারা বহুদিন যাবৎ চলে অসছে এবং চলতেই থাকবে। কারণ অজানাকে জানার আকাঙ্খা মানুষের চিরন্তন। মৃতু্যর শেষ দিন পর্যন্ত মানুষ জানতে আগ্রহী কাল কি হতে পারে।

এবার ভিন্ন প্রসঙ্গ ঃ
সাদিকের অনুরোধে নীচে অপ বাক সম্পর্কে কিছু কথা বলছি। একদম বিশ্বাসযোগ্য কিছু নয়। যে বিশ্বাস করবে সেই ঠকবে। তাই তার সম্পর্কে কথাগুলো নিছক মজা হিসেবে নিতে পারেন। মজা করাইতো মজা।

অপ বাক ঃ সংখ্যা তত্ত্বের বিচারে কেমন মানুষ !
জস্ম তারিখ ঃ 10.04. 1976
রাশি ঃ মেষ
নিয়ন্ত্রক গ্রহ ঃ মঙ্গল ও রবি (সূর্য)
জন্ম সংখ্যা ঃ 1
শুভ সংখ্যা ঃ 1, 4 ও 9
যে সংখ্যাদ্বারা বিশেষভাবে প্রভাবিত ঃ 1
(জন্ম 10 তারিখ অর্থাৎ একক সংখ্যা হিসেবে 10 = 1+0 = 1; এপ্রিল বছরের 4র্থমাস, সংখ্যা 4, 1976 সাল অর্থাৎ 1+9+7+6 = 23 = 5 )
1 - সংখ্যার নিয়ন্ত্রক সূর্য। যা জীব ও জীবনের উৎস।
4 - সংখ্যার নিয়ন্ত্রক ইউরেনাস, অত্যন্ত রহস্যময় একটা গ্রহ । যে গ্রহকে এখনও মানুষ ভাল করে চিনতে ও জানতে পারে নাই। তবে ধরে নেয়া হয় অত্যন্ত আনপ্রেডিক্টেবল এবং কল্পনাশ্রয়ী।
5 - সংখ্যার নিয়ন্ত্রক বুধ। মেধা, বুদ্ধি, বিদ্যা, অর্থ, সম্পদ ও প্রখর ইনটু্যইশন নিয়ন্ত্রনকারী গ্রহ।
তিন গ্রহের মিলিত সমষ্টি ঃ 1+4+5 = 10 = 1 ।
1 সংখ্যা হলো অপ বাক -এর জন্মসংখ্যা যা তার সামগ্রিক মিলিত জন্মসংখ্যার যোগফলের সমান।
1 মানেই ঈশ্বর, এক মানেই অদ্্বিতীয়, এক মানেই অহংকার, একক মানেই পর্বিত কেউ, এক মানেই অধিকর্তা, এক মানেই সবার উপরে নিজের অবস্থান।

চারিত্রিক বিশ্লেষণ ঃ
অত্যন্ত জেদী, গোয়ার এবং একরোখা স্বভাবের।
আদর্শে অনঢ় ও ন্যায়নীতি পরায়ন।
বিরাট হৃদয়, যে কোন মূল্যের জিনিস অনায়াসে দান করে দিতে পারে।
অত্যন্ত দক্ষ ব্যবস্থাপক, নিজে কাজ না করেও অন্যকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেবার বিশাল গুন বর্তমান।
অল্প কিছুতেই রেগে যাওয়া আবার সেটা মনের মধ্যে পুষে না রাখা, মানে ভুলে যাওয়া।
রোমান্টিকতার অভাব রয়েছে।
ভীষণ হিসেবী অথচ নিজের ভাল লাগা বা পছন্দের পিছনে বড় পরিমাণে খরচ করে ফেলতে পারে।
যে কোন মানুষের সাথে চট করে মিশে যেতে পারা, আবার যাকে পছন্দ না তাকে আচরণে বুঝিয়ে দেয়া।
জীবনে সাফল্য সুনিশ্চিত।
অনেক বিষয়ে ছেলে মানুষী কাজ করে।
সংসারে কিছুটা অমনোযোগী, কারণ মুড সর্বস্ব মানুষ। এই মেঘ, এই রোদ।



সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৩০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রাজনৈতিক দল গঠনের মতো জনপ্রিয়তা ইউনুস সাহেবের ছিলো না ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই মে, ২০২৬ রাত ২:২৬


মাঝে মাঝে আমি ইউটিউবে বা মাহফিলে গিয়ে হুজুরদের ওয়াজ শুনি। শোনার কারণটা ধর্মীয় যতটা না, তার চেয়ে বেশি হলো আমাদের সমাজের হুজুররা দেশীয় অর্থনীতি বা সামাজিক ইস্যুগুলো নিয়ে সাধারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-১৬)

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০১



সূরাঃ ১৬ নাহল, ৯৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৯৩। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তোমাদেরকে এক উম্মাত (একজাতি) করতে পারতেন, কিন্তু তিনি যাকে ইচ্ছা বিভ্রান্ত করেন এবং যাকে ইচ্ছা হেদায়াত দান করেন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সীমিত মগজ, লিলিপুটিয়ান, ডোডো পাখি (সৌজন্যে - চাঁদগাজী)...

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:২৯



১. যেনা করব আমরা, ৫০১-এ যাব আমরা, পার্কে যাব আমরা। তুমি তো আলেম। তুমি কেন যাবে? তুমি তো ইসলামের সবক দাও সবাইকে। তুমি মাহফিলে কোরআন, হাদীস বয়ান কর। তুমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×