রাতের আকাশে দেখি তোমায়,
আরও দেখি অসংখ্য দু্যতিময় নক্ষত্ররাজি।
অশরীরী চাঁদ রাতের আঁধার ঘুচায়-
আলোর বন্যায় বাঁধ ভেঙ্গে যায়।
মায়াবিনি রাত তাই অবলীলায় ভাসে- পলকহীন জোসনায়।
আলোকহীন লক্ষ তারা জ্বলে আকাশে, কোথাও নেই আলোর বন্যা ।
অথচ সূর্যের মত বিশাল নক্ষত্র সব আলো হাতে জেগে থাকে,
জ্বালে বিষন্ন আলো নিজ ঘরে স্বার্থপরের মতো।
ভাবেনা এই মহাবিশ্বে কে আছে পড়ে অন্ধকারে,
কে আছে একা একা আলোহীন পথে।
হে সূর্য,
এতো বিশাল হৃদয় তোমার সদা আলোকিত।
জানি তুমি একই বিশ্বের দুই প্রান্তে- একই সময়ে দাঁড়াবার
নেই কোন উপায় তোমার। ডাকে তোমায় সবাই
যারা পড়ে আছে অন্ধকারে আমাদেরই মতো।
তাদের তুমি করো আলোকিত আপন মহিমায়।
চাঁদকে দিয়েছো তাই ভালবেসে নিজ আলো, যেন সে
বিলায় তোমারি দান অকাতরে রাতের অন্ধকারে।
ধন্য চাদঁ তোমারি দানে, মুঠো মুঠো ছড়ায়
জোসনা তাই আপন মনে। যেটুকু আলোর ছোঁয়া পাই
করে নিয়েছে ঠাঁই এই বুভুক্ষ অন্তরে। এ সবই তোমারি দান।
হে ঈশ্বর,
তুমি রাতের নক্ষত্রগুলো এক একটা সূর্য করে দাও।
প্রতি নক্ষত্রের সাথে নিঃস্বার্থ ভালবাসার চাঁদ জুড়ে দাও।
রাতের আঁধারে যারা দিশাহীন যাত্রী তাদের আলোর পথ দেখাও।
পথভ্রষ্ট মানুষের চোখে জ্যেতির্ময় হাজার নক্ষত্র সাজাও।
মনে দাও জোসনার প্রবল বন্যা যেন ধুয়ে মুছে যায়
সকল চিন্তায়- পাপ আর কলুষতা। তুমি আলো দাও,
বিবেকহীন মানুষের মনে সূর্যভরা নক্ষত্র জ্বেলে দাও।
মনের আকাশে যেন দেখি- চাঁদ, তারা, সূর্য
সবাই মিলে মিশে এক হয়ে আছে।
আলোয় আলোয় ভরে আছে বিশ্ব, প্রতিটি মানুষ যেন
বিভাজনে নয় যোজনে যোজনে হয় আলোর দূত।
হে ঈশ্বর, আলো দাও।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




