অপ বাক দিল ডাক, "আয় ভাই আয়রে,
বাঁধ ভাঙ্গা আওয়াজ-এ মিলি সব কাতারে"।
আড্ডাবাজ হেসে বলে," বাড্ডা ছেড়ে যাবনা,
'ফুড ফর ওয়ার্ক'-এর পচা গম খাবো না"।
হীরক রাজার সেঞ্চুরীটা পূর্ণ হলো সবার আগে,
গুনে মানে অনেক লেখাই ছিল বেশ বড় দাগে।
তেলাপোকা নয়কো বোকা লেখার মাঝেই প্রমাণ মেলে,
পাখী হয়ে উড়তে পারে খোলা কোন আকাশ পেলে।
অন্য সবাই কোন মতে উঠতে যে চায় ধাক্কা দিয়ে,
হুমরি খেয়ে পড়বে কখন হাঁটতে হবে লাঠি নিয়ে।
জাকিরুল-এর লেখা নিয়ে হয় যে বেশী তোলপাড়,
মানে গুনে ওসব নাকি রীতিমত হাড্ডিসার।
মুখফোড় রেগে বলে সবাই এখন চুপ থাকেন,
ইচ্ছে মতো চুরিদারি এসব আগে বন্ধ করেন।
শাহানা এসে দাঁড়ায় পাশে, একটাই তার নিবেদন,
বিড়াল ছাড়া একদন্ড বসেনা তার কাজে মন।
মলি বেজায় নাখোশ হয়ে দাঁত চিবিয়ে নখ কাটে,
রাজাকারদের কান্ড দেখে রীতিমত বুক ফাটে।
তীরন্দাজ ছুঁড়ে তীর লাগুক যেথায যার বুকে,
দেশটা নাকি ভেজাল খেয়ে মরছে এখন ধুঁকে ধুঁকে।
রাসেল ডটু প্যারোডি লিখে তেলে ভাজে সবাইরে,
কালপুরুষ তাই রাস্তা খুঁজে পালাবে কোথায় ভাইরে।
উল্টা পাল্টা লেখা পড়ে মেজাজ চটে অনেকের,
ভালমত খোঁচা খেলে কাজ যে হয় টনিকের।
তীর্থক যখন তীর্থ ছেড়ে আড্ডা মারে সবার সাথে,
পাগলী মেয়ে প্রেমিক খুঁজে অমেরিকার ফুটপাতে।
শাওন যখন মওকা পেয়ে ছোটায় কথার ফুলঝুরি,
ব্লগার সব বেজায় খুশী দেয় যে পিঠে সুড়সুড়ি।
ধানসিঁড়ি পাতলো পিঁড়ি বললো দাদা চালিয়ে যান,
ভাবি এখন লিখলে বেশী ঘাটতি হবে লেখার মান।
লুনা রুশদী আছেন কেমন বাঘের পিঠে সোয়ারী হয়ে,
নিউজিল্যান্ডে পালাবো কিনা ভাবছি এখন বাঘের ভয়ে।
বাদ থাকলেন আর যারা সব একটুখানি ধৈর্য্য ধরেন,
আরও কিছু লেখা দিয়ে বাঁধ ভাঙ্গতে শুরু করেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



