আয়নায় মানুষ কখনও তার চরিত্র দেখতে পারে না। সাধ করে কিংবা প্রয়োজনে নিত্যদিন মানুষ আয়নায় তার চেহারা দেখে। অন্যান্য অঙ্গ প্রত্যঙ্গ দেখলেও কারো কিছু বলার নেই। দেখতেও পারে। মানুষের বাহ্যিক চেহারা খুব একটা কখনও পালটায় না, যদি না তাতে কোন প্রসাধন বা আলগা আঁচড় না পরে। বয়সের সাথে সাথে কিন্তু এই চেহারাও পরিবর্তিত হয়। এবং তা এতো ধীরে হয় যে তা চট করে মানুষের চোখে পড়ে না। চরিত্র যেহেতু আয়নায় দৃশ্যমান নয, তাই এই পরিবর্তন কখনই চোখে পড়েনা। কিন্তু সবচেয়ে মজার বিষয় মানুষ তার নিজের চরিত্র কেমন খুব ভাল না বুঝলেও অন্যেরা কিন্তু অনেকটাই বুঝতে পারেন। অবশ্যই তা তার কথা আর আচরণে। তাই কাঁচের আয়নায় মানুষের চরিত্র ধরা না পড়লেও মানুষে মনের আযনায়, উপলব্ধি ও বোধের আযনায়, চিন্তা ও চেতনার আয়নায় তার ছাপ কিন্তু সুস্পষ্টবাবেই পড়ে। তবে হ্যাঁ একটা মানুষ আরেকটা মানুষের খুব কাছে না এলে বা বাস্তব নৈকট্যে মিলিত না হলে বা তার লেখার সানি্নধ্যে না গেলে বা চিন্তার ও ভাবনার অতলে না পেঁৗছুলে সবের্াপরি তার মানবিক দিকগুলো উন্মোতি না হলে একাধিক 'বা' বা 'অথবা'র উপর তার সম্পর্কে মন্তব্য করার জন্য অপেক্ষা করতে হয। তাই অতি সহজেই বা এক কথায় কোন মানুষ সম্পর্কেবা কারো চরিত্র বা ব্যক্তি মানসিকতা সম্পর্কেঢালাও মন্তব্য বা ইতি টানা ঠিক নয়।
আমার এই বক্তব্য কাউকে ছোট বা কটাক্ষ করার জন্য নয়। ব্যক্তি মানুষকে সমালোচনা না করে তার লেখা নিয়ে হাজার কথা বলুন। সমালোচনা করুন যাতে পরের লেখাটা তাকে আরো সচেতনভাবে লিখতে সাহায্য করে। তবে লেখকদের কাছেও একটা অনুরোধ মানুষের সস্তা সেন্টিমেন্ট নিয়ে লেখা পরিহার করুন।কি দরকার নিজেদের মধ্যে কালি ছিটা ছিটি করার।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



