হরতালের ব্যাখ্যায় বলা হয়, বিক্ষোভ প্রকাশের জন্য যানবাহন, হাট-বাজার, দোকান-পাট, আফিস-আদালত ইত্যাদি বন্ধ করা। সত্য প্রকাশের অনেক উপায় আছে, তবে সাধারণের ওপর জুলুম সে উপায়গুলোর মধ্যে নেই।এটা পালন করাও নাকি গণতান্ত্রিক অধিকার ! আবার প্রতিরোধ করাও নাকি গণতান্ত্রিক অধিকার ! জাতী কে আপষে লাগিয়ে দেওয়ার এক সুন্দর সিস্টেম!
হরতালে আমরা কি দেখতে পাই ......মানুষের স্বাভাবিক কাজ-কর্ম ব্যহত করে, জনজীবনে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করে।হরতালের ফলে যারা দিন-মজুর, রোজ কামাই করে রোজ খায়, তাদের কষ্ট হয়। বরং কষ্টে দিনাতিপাত করে, রোগীদের জন্য কষ্টদায়ক হয়ে যায়।হরতাল এক ধরণের জুলুম, যা শুধু ব্যক্তি পর্যায়েই নয় বরং সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়েও হয়।
মূলতঃ হরতাল যে কারণে করা হয় অর্থাৎ অপরাধীকে শাস্তি দেয়া তা মোটেই হয় না। অপরাধী অর্থনৈতিক ও মানবিক সব দিক থেকেই বহাল তবিয়তে অবস্থান করে থাকে। কিন্তু শাস্তি ভোগ করে জনসাধাণ, যারা অপরাধী নয়। অথচ হরতালের ফলে একজনের অপরাধের শাস্তি অন্যজনকে চাপিয়ে দেয়া হয়, এটা উচিৎ নয়।
তাই এহেন কর্মকাণ্ড থেকে যেন আমাদের নেতৃত্ব দানকারী ব্যক্তিবর্গরা যেন বেরিয়ে আসতে পারেন, এই দুয়া করি আল্লাহপাকের কাছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


