বার্মার স্বাধীনতা প্রসঙ্গে
---------------------------------
নিরীহ মগেরা এবং নিরীহ রোহিঙ্গারা আচরণে তৃণভোজী প্রাণীদের মতো।
অস্ত্রধারী রোহিঙ্গারা আচরণে হায়েনার মতো।
দুর্বৃত্ত মগেরা আচরণে বন্য কুকুরের মতো।
বার্মিজ সেনাবাহিনীর চরিত্র স্বদেশলুটেরা ডাকাত দলের মতো।
নিরীহ মগেরা, ভদ্র রোহিঙ্গারা এবং অন্যান্য ১৩৩টা জাতিগোষ্ঠীর বার্মিজ জনসাধারণ স্বাধীন নয়। বলা যেতে পারে বার্মা আজও স্বদেশে পরাধীন। বন্য কুকুর, হায়েনা এবং স্বদেশলুটেরা- এই ত্রিভূজ পীড়নের মাঝখানে বন্দি মানবসন্তানেরা জ্ঞানে বিজ্ঞানে শিক্ষায় সংস্কৃতিতে এতটাই পিছিয়ে পড়েছে যে, এরা জাতিভেদ ভুলে গিয়ে নিজেদের সমন্বিত চেষ্টাতে নিজেরা কখনো স্বাধীনতা অর্জন করতে পারবে- সম্ভাবনাটি প্রায় শূন্যের কাছাকাছি নিকট বাস্তবতায়।
তবে, জংলিগুলোর জোগানদাতারা জঙ্গলে থাকে না, বাস্তবতার এই ধারণাটুকুও বার্মার মুক্তিকামীদের জন্যে বিবেচনীয় হ’তে পারে।
*****
বার্মার মতো পরাধীন কোনো দেশে কেহ কোনো প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে না-পারলে, তাকে দোষী বলা যায় না।
আড়ালে থেকে কলকাঠি নাড়ছে যারা, তাদেরকে টেনে নামিয়ে আলোচনাতে বাধ্য করতে পারলে তবেই যেকোনো মীমাংসা সহজে সমঝোতায় সম্ভব।
আরাকানের ধারাবাহিক নৃশংসতা আবারো দেখতে না-চাইলে, সভ্য ভদ্রগণের প্রার্থনা হোক্ বার্মার মুক্তির লক্ষ্যে।
*****
নিরীহ মগেরা তো নয়ই, এমনকি অহিংস বুদ্ধানুসারীরাও মগের মুল্লুকে স্বাধীন নয়। পাহাড়ি জঙ্গলগুলো নৃশংস জংলিদের নিরাপদ আশ্রয়দাতা হওয়াতে, তাদের চেতনার অধিকাংশই কাশ্মীরি কলহপ্রবণতার দখলে।
প্রাণ নিয়ে একবার মগের মুল্লুক থেকে বেরিয়ে আসার পর কোনো ভদ্রলোক আবারো সেখানে ঢুকতে চাইবে!!- স্বাভাবিক নিয়মে এমনটা আশা করা যায় না। তবে যারা ধারাবাহিক সংঘর্ষকামী কিম্বা কলহজীবী, তারা যে সাম্প্রদায়িক অসহিষ্ণুতাকে চলমান রাখার পক্ষেই উৎসাহ যুগিয়ে যাবে তাদের বাণিজ্যিক স্বার্থে, এটাও স্বাভাবিক।
--------------------------------------------------------------
দর্শক : আখতার২৩৯
*****
বার্মার স্বাধীনতা প্রসঙ্গে

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


