somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দুই খানা পাত্রী

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



"যাবা নাকি- মেয়ে দেখতে যাচ্ছি।"

খুব মন দিয়ে কাজ করছিলাম; কখন বস ফাহিমা ম্যাডাম সামনে এসে দাড়িয়েছেন খেয়ালই করি নি। কথা শুনে মুখ তুলে তাকিয়েই উনাকে দেখে দাঁড়িয়ে গেলাম।

"কোন মেয়েকে দেখতে যাচ্ছেন?"

"ওই যে, বাতেন একটা মেয়ে দেখতে গেল না, মেয়েটাকে দেখে ওর খুব পছন্দ হয়েছে, কিন্তু মেয়েটা নাকি চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়াবার সময় বাঁ হাত দিয়ে চেয়ার টেনেছে- তাই বাতেন ভাবছে মেয়েটার ডানহাতে কোন সমস্যা থাকতে পারে; আমাকে বলেছে যাচাই  করতে। যাবে তো চল।"
আমি খুব উৎসাহের সাথে স্কেল,পেন্সিল গুছিয়ে বললাম,

"চলেন যাই।"

ফাহিমা ম্যাডাম আমার বস। সরকারি চাকরি বলে আমাদের সবারই আমরা সবাই রাজা অবস্থা, অফিসে শুধু জানিয়ে দিয়ে যখন খুশি বেড়িয়ে যাওয়া যায়, বসের সাথে তো বেরোতেই পারি। ফাহিমা ম্যাডাম অফিস আওয়ারে বের হন শুধু অফিসিয়াল কাজেই, এখন অবশ্য বেরোচ্ছেন ঘটকালি করতে। উনি দাপ্তরিক কাজে যতটা চৌকশ ততটাই চৌকশ ঘটকালিসহ আরো নানারকম কাজে। কি করে এতরকম কাজ সামলে সারাক্ষণ এমন সেজেগুজে ঝলমল করেন আমি ভেবেই পাই না। যারই পরিচিত বিবাহযোগ্য পাত্রপাত্রী আছে সেই ফাহিমা ম্যাডামের কাছে বায়োডাটা দিয়ে রাখে। আত্মীয়স্বজন, বন্ধু, কলিগদের মধ্যে কতজনের যে জোড়া মিলিয়ে দিয়েছেন! এখন বাতেনভাইয়ের ঘটকালি করছেন, পাত্রী আমাদের অফিসের শফি ভাইয়ের ভাগ্নি- দিলখুশার একটা ব্যাংকে ভাল পদে সম্প্রতি জয়েন করেছে। বাতেনভাই আমাদের সংস্থাতেই অন্য অফিসে কাজ করেন; বুয়েটের গ্রাজুয়েট আর এআইটির মাস্টার্স করা বলে উনার বেশ অহংকার আছে। আড়ালে সবাই উনাকে মাংকি বলে ডাকেন- প্রাণীটির সাথে  উনার অনেক মিল আছে সেজন্য। বাতেন ভাই এই মেয়েকে দেখেছেন ব্যাংকে গিয়ে, একাউন্ট খোলার উছিলায়। আমাদের অফিস থেকে ব্যাংকটা কাছেই- যেতে যেতে ম্যাডামকে জিজ্ঞেস করলাম,

"মেয়েটার ডানহাত যদি অকেজো হয় তাহলে ও চাকরি করছে কি করে?"

"আমিও তো তাই ভাবছি, কিন্তু খটকা মনে নিয়ে তো বাতেন বিয়ে করতে পারে না- দেখেই আসি কি ব্যাপার।"

ব্যাংকে পৌঁছে মেয়েটাকে খুঁজে বের করলাম। ম্যাডাম পরিচিতি দিলেন আমরা শফিভাইয়ের কলিগ বলে। মেয়েটা দেখতে খুব মিষ্টি, আমাদের সাথে কিছুক্ষণ হাসিমুখে কথা বল্ল, আপ্যায়ন করে ডানহাতে চায়ের কাপ এগিয়ে দিল। ম্যাডাম নিশ্চিন্ত হলেন, এর হাতে কোন সমস্যা নেই। অফিসে গিয়ে বাতেনভাইকেও ফোন করে নিশ্চিন্ত করলেন। পরদিনই শফিভাইকে দিয়ে প্রস্তাব পাঠানো হল। ভাগ্নির মাবাবা প্রস্তাব পেয়ে খুশি মনে রাজি হলেন কিন্তু ভাগ্নি নাকি সরাসরি প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে, বলেছে বাতেনভাইকে তার পছন্দ হয়নি! যখন শফিভাই ম্যাডামকে এসব বলছিলেন আমি সামনেই ছিলাম। দেখলাম ম্যাডামের মুখ মূহুর্তের জন্য ম্লান হয়েই ঠিক হয়ে গেল।

"বেশ বলেছে! রিজেক্ট করার অধিকার কি শুধু ছেলেদেরই একচেটিয়া নাকি!"

ম্যাডামের মুখ দেখে আমি অবশ্য বুঝতে পারলাম না উনি কি সত্যিই খুশি হয়েছেন নাকি ঘটকালির ব্যর্থতায় দুঃখ পেয়েছেন! এরপর আরো কয়েকবার ম্যাডামের ঘটকালি দেখলাম, আমারও খুব ইচ্ছা করত একটা ঘটকালি করতে। কিন্তু তখন আমার বয়স মাত্র বিশের কোঠায়, আবার বিয়েও হয়েছে বেশিদিন হয়নি- হয়ত এসব কারণে ঘটকালি করার সুযোগ পাচ্ছিলাম না। অবশেষে সুযোগ এল অভাবিতভাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠী সাইফ কোন কাজে মতিঝিলে এসে কাজ শেষে আমার সাথে দেখা করতে এসেছিল। কথায় কথায় বল্ল ওর বড়ভাইয়ের জন্য পাত্রী দেখতে। ভাই ছয় ফিট লম্বা, তাই পাত্রী হতে হবে অন্তত সাড়ে পাঁচ ফিট; ভাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের ফাস্ট ক্লাস ফাস্ট, কমনওয়েলথ স্কলারশিপ পেয়েছে,তিনমাস পর ইংল্যান্ড যাবে পি এইচ ডি করতে। এই স্কলারশিপে বউয়ের খরচাও দেয় তাই সে চাচ্ছে বিয়ে করে বউ নিয়ে যেতে। বউটির শিক্ষাজীবন সমাপ্ত হলে ভাল, আর যদি মেরিট লিস্টে নামওয়ালা ভালছাত্রী হয় তবে খুবই ভাল। আমার মনে পড়ে গেল কদিন আগে কলিগ আকরাম ভাই দুঃখ করছিলেন ছোট বোন মিলির জন্য পাত্র পাচ্ছেন না বলে। মিলিকে আমিও দেখেছি, খুবই ভাল মেয়ে। ঢাবির বিজ্ঞান অনুষদের এক বিভাগে থেকে ফাস্ট  ক্লাস ফাস্ট হয়ে সদ্য পাশ করেছে কিন্তু উচ্চতা পাঁচ ফিট সাত ইঞ্চি বলে সবদিকে মানানসই পাত্র পাওয়া যাচ্ছে না। সাইফকে মিলির কথা বল্লাম- শুনে ও খুব উৎসাহ দেখালাম । বল্ল আকরামভাইয়ের থেকে মিলির বায়োডাটা আর ছবি নিয়ে রাখতে- ও পরদিন এসে নিয়ে যাবে। আরো বল্ল ওর একমাত্র ভগ্নিপতিও আমাদের সংস্থাতেই কাজ করেন, বেশ উচ্চপদে। নাম বল্ল কিন্তু আমি চিনতে পারলাম না। সাইফ চলে যাবার পর আমি গেলাম আকরামভাইর কাছে। সব শুনে উনি মহাখুশি। কারণ সবদিক মিলিয়ে এমন যোগ্য পাত্র তো সহজে পাওয়া যায় না। আমি নিজের সাফল্যে নিজেই মুগ্ধ হয়ে গেছি- এবার চললাম ম্যাডামকে নিজের কৃতিত্ব জানান দিতে। সব বললাম, সাইফের দুলাভাইয়ের নামও বললাম। ম্যাডাম হাসি হাসি মুখে সব শুনলেন, বললেন দুলাভাইকে উনি চেনেন, এছাড়া আর তেমন কিছু বললেন না। পরদিনই আকরামভাই ছবি আর বায়োডাটা এনে দিলেন কিন্তু সেদিন সাইফ এল না, তারপর দিনও এলো না- এলো সাতদিন পর ভাইয়ের বিয়ের কার্ড হাতে আমাকে দাওয়াত দিতে। পরদিন আসবে বলে আর কেন সাইফ এল না তা ভেবে আমি আকুল হয়েছি এই কয়দিন। যোগাযোগ করতে পারছিলাম না কারণ ওর বাড়ির ফোন নাম্বার জানতাম না, তখন তো আর মোবাইল ফোন ছিল না।

 আকরাম ভাই এরমধ্যে দুদিন জিজ্ঞেস করেছেন ওরা কিছু বলেছে কিনা- আমি শুকনা মুখে বলেছি, "সাইফ তো আর আসল না।"

ভেবেছিলাম ম্যাডাম কিছু জিজ্ঞেস করবেন, কিন্তু উনি মনে হয় ভুলেই গেছিলেন আমি যে উনাকে বলেছি আমি একটা ঘটকালি করছি। এখন সাইফের থেকে কার্ড নিয়ে বললাম,

" আমাকে একবার জানিয়ে দিলেই পারতে যে তোমরা অন্য মেয়ে দেখছ- তাহলে আমি আকরামভাইকে আগেই বলে দিতে পারতাম।"

সাইফ খুব অবাক হল, "কেন তুমি জান না এই বিয়ে ঠিক হয়েছে? তোমার ম্যাডামইতো ঘটকালি করেছেন, তাই আমি ভেবেছি তুমি জান।"

এবার আমি অবাক হলাম, "ম্যাডামতো তোমাকে চেনেনই না, উনি কিভাবে বিয়ে ঠিক করলেন?"

"আমাকে চেনেন না, কিন্তু আমার দুলাভাইকে তো চেনেন- উনি দুলাভাইয়ের সাথে যোগাযোগ করে বিয়ে ঠিক করেছেন, পাত্রী সম্পর্কে উনার বোনঝি হয়।"

"আমি কিন্তু ফাস্ট ক্লাস ফাস্ট পাত্রী ঠিক করেছিলাম!"

"তোমার ম্যাডামও ফাস্ট ক্লাস ফাস্ট মেয়েই ঠিক করেছেন। মেয়ে দেখে সবার খুব পছন্দ হয়েছে। তুমি কিন্তু অবশ্যই বরকে নিয়ে যেও।" আন্তরিকভাবে বল্ল সাইফ।

আর যাওয়া! আমার তখন মাথা ঝিমঝিম করছে, পিঠ টনটন করছে পিছন থেকে মারা অদৃশ্য ছুরির যাতনায়। আকরামভাইকে সব বললাম, উনি শুনে খুব হাসলেন, তারপর উলটা আমাকেই সান্ত্বনা দিলেন।

"এই নিয়ে মন খারাপ কোর না, যার যেখানে জোড়া বাঁধা আছে তার সেখানেই বিয়ে হবে, মিলির জোড়া নিশ্চয় অন্য কোথাও আছে।"

বৌভাতে অবশ্য গেলাম, ম্যাডাম তো গেলেনই। দুই পক্ষই ম্যাডামকে খুব খাতির করছিল আর ধন্যবাদ জানাচ্ছিল- দেখে আমার গা জ্বলে গেলেও জ্বলুনি লুকিয়ে রাখলাম, বসকে তো আর কিছু বলা যায় না! এরপর কদিন অফিসে কাজের কথা ছাড়া ম্যাডামের সাথে তেমন কথা বলিনা, এই বিয়ে নিয়ে তো একটা কথাও না। দশ পনের দিন পর একদিন যখন কাজ দেখাতে গেছি, দেখি ম্যাডামের খুব মনখারাপ। আমাকে বললেন,

" খুব চিন্তায় আছি।বিয়েটা মনে হয় ভেংগেই যাবে, ছেলের বাড়ি খুবই বিরক্ত হয়ে আছে মেয়ের উপর।"

" কেন ম্যাডাম, কি হয়েছে?"

"মেয়েটা সারাদিন শুয়ে শুয়ে বই পড়ে, ঘরের কোন কাজে হাত দেয় না, স্বামীর একটু যত্ন আত্তি করবে তাও করে না। ওরা ভাবছে এই মেয়েকে ইংল্যান্ড নিয়ে গেলে ছেলের  যদি কোন কষ্ট হয়- তাই ডিভোর্স দেবার কথা উঠেছে।"

আমার খুব আনন্দ হল শুনে- হয়ত একেই বলে পৈশাচিক আনন্দ; ভাবলাম হোক ডিভোর্স, ম্যাডামের একটা শিক্ষা হবে। তারপর প্রতিদিন কাজ না থাকলেও ম্যাডামের রুমে যাই, ডিভোর্সের কি হল সেই খবর নেই। শুনলাম মেয়ের বাড়ি থেকে কয়েকটা দিন সময় চাইছে; মেয়েটার বই পড়ার নেশা কমিয়ে আনবার জন্য। ছেলের বাড়িও রাজি, কারণ বইপড়ার নেশা ছাড়া মেয়ের বাকি সবই ভাল- মেয়েটা খুব মিষ্টি স্বভাবের। একদিন দেখি ম্যাডাম খুব হাস্যময়ী, বললেন ব্যাপারটা মিটে গেছে। মেয়েটা বই পড়া কমিয়েছে, আর ছেলেপক্ষের এক মুরুব্বি মত দিয়েছেন কিছুটা সময় দিলেই মেয়েটা ঠিক "সংসারী" হয়ে উঠবে।

ডিভোর্স হল না, কিছুদিন পর সাইফের ভাই বউ নিয়ে ইংল্যান্ড চলে গেল। ইতিমধ্যে অবশ্য আমার সুবুদ্ধি ফিরে এসেছিল, বুঝতে পারছিলাম যে ডিভোর্স হলে মেয়েটার সাথে একটা বড় অন্যায় হত। বইপড়া কি বউ পেটানোর মত কোন দোষ যে একেবারে ডিভোর্সই দিতে হবে? যদি নতুন জামাই শ্বশুরবাড়ি গিয়ে সারাদিন শুয়ে শুয়ে বই পড়ত তাহলে কি মেয়ের বাড়ি থেকে ডিভোর্স চাইত? চাইত না। কেন তবে বিয়ের পর একটা মেয়েকে বাধ্য করা হয় তার ছোটখাট অনেক সখ বিসর্জন দিতে?

ছবি: গুগল
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ৯:৪৫
২৫টি মন্তব্য ২৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

I Have a plan / মুচলেকা দিয়ে যাওয়া এবং মুচলেকা দিয়ে ফেরত আসা সরকারের রাষ্ট্র ‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৫:৪৬





ওয়াশিংটন – যদিও তিনি এমন একটি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছেন যার বৈধতা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন রয়েছে, এবং শক্তিশালী মহলের প্ররোচনায় যাদের হস্তক্ষেপ কখনোই সন্দেহের বাইরে ছিল না, তারেক... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড় কাউকে জয়ী হতে দেয় না

লিখেছেন মুনতাসির, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১১




আমরা প্রায়ই বলি, অমুক এভারেস্ট জয় করেছেন, তমুক কে-টু জয় করেছেন, অমুক অন্নপূর্ণা জয় করেছেন। শব্দটি এতটাই প্রচলিত যে আমরা আর ভাবিই না—আসলে কি পাহাড়কে জয় করা যায়?

আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাইক্রোপ্লাস্টিক: অদৃশ্য প্লাস্টিক কীভাবে আমাদের খাবার ও শরীরে ঢুকছে?

লিখেছেন কাবিল, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:০৪


মাইক্রোপ্লাস্টিক (Microplastic) হলো খুব ছোট প্লাস্টিকের কণা। সাধারণভাবে ৫ মিলিমিটারের চেয়ে ছোট প্লাস্টিক কণাকে মাইক্রোপ্লাস্টিক বলা হয়। এর থেকেও অনেক ক্ষুদ্র কণা আছে—সেগুলোকে ন্যানোপ্লাস্টিক বলা হয়। এগুলো এত ছোট হতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এনসিপিকে মারছে কেন? (অথবা) এনসিপি মার খাচ্ছে কেন?

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৪০


(ইহা নাকি এনসিপিকে পিষিয়ে মারবে!)

এনসিপিকে মারছে কেন (?) অথবা এনসিপি মার খাচ্ছে কেন? প্রশ্ন দুটো হলেও আদতে প্রশ্ন একটাই উত্তরও একটাই। বিগত ১৫/১৬ বছর অর্থাৎ খুনি হাসিনার আমলে যাহারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই আন্দোলনের সম্ভাবনাময়, রৌদ্রোজ্জ্বল মুখগুলো ডানপন্থার অনুরাগী হচ্ছে! দায় কার?

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৩



জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সেই আইকনিক ফটো--যেখানে দেখা যাচ্ছিল একটা ভার্সিটির ফাস্ট কি সেকেন্ড ইয়ারের মেয়ে পুলিশের গাড়ি আটকাচ্ছে, ওর ভার্সিটির এক বড় ভাইকে পুলিশের গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×