somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পড়লাম; অতঃপর........

২৩ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১) "কঙ্কাবতীর কথা" বইটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে লেখক বলেছেন এভাবে:
 
ইদানিং কালে ক্রমবর্ধমান সমস্যা সংসারের ভাঙন। দুটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মান-অভিমান বিবাদ বিদ্বেষের মাঝে সন্তানের পায়ের তলার ভিতটি নড়ে যায় যা প্রায়ই আমরা বড়রা অনুধাবন করি না। কিন্তু নেতিবাচক পরিবেশ ও পরিস্থিতি শিশুমনের ও বেড়ে ওঠায় ফেলে নেতিবাচক প্রভাব। এই গল্পটি এগিয়ে গেছে ব্রোকেন ফ্যামিলির একটি শিশুর নানা প্রতিকূলতার মাঝে বেড়ে ওঠা নিয়ে। 

এমনই একটি বন্ধুর পথ পরিক্রমায় এগিয়ে গেছে মেয়েটি এবং একান্ত মনোবলে জীবনের শেষ পর্যন্ত লড়ে গেছে ..........


 ছিয়ানব্বই পৃষ্ঠার এই উপন্যাসের কাহিনী এগিয়ে গেছে একটি মেয়ের নিজের বয়ানে। গোটা উপন্যাসে মেয়েটিকে কেউ নাম ধরে ডাকে না, তাই মেয়েটির নাম জানা যায় না, কেবলমাত্র উপন্যাসের নামকরণ দেখে মনে হয়, মেয়েটির নাম কঙ্কাবতী। অতি শৈশবে বাবা মায়ের মধ্যে ঘটা বিচ্ছেদের প্রভাব সে বুঝতে পারে না, কিন্তু মায়ের দ্বিতীয় বিয়ের পরেই তার প্রতি মা কেবল নিস্পৃহ নন, কখনো কখনো খুব নির্দয় আচরণ করতে থাকেন। মায়ের দ্বিতীয় বিয়ের পর হওয়া নতুন এই সংসারে তার প্রাণ কাঁদত মায়ের একটু ভালোবাসার ছোঁয়া পাবার জন্য...... শুধু মায়ের কাছাকাছি থাকবার জন্য কঙ্কাবতী নতুন বাড়িতে সকলের দেয়া সব উপেক্ষা আর অবহেলা সয়ে রয়ে যায়, তার নিজের দাদুর বাড়িতে না গিয়ে।

 কিছু আনন্দের, আর তারচেয়ে বেশি কষ্টের দিনগুলোর পার করে একসময় কঙ্কাবতীর জীবনে ভালোবাসা এলো, তারপর এলো  অনাকাঙ্খিত বিচ্ছেদ; তারপর আবারো ভালবাসা  এলো........

 প্রায় টিন এজার একটি মেয়ে জীবনের সব জটিলতার বিরুদ্ধে কিভাবে একাকী লড়ে যায়, অবশেষে নিজের জীবনের সিদ্ধান্ত নিজেই নেয়,  "কঙ্কাবতীর কথা" তারই গল্প। এই গল্পের চরিত্রগুলোয় এবং ঘটনায় কোন ঘনঘটা নেই, নির্মোহ বর্ণনা। কঙ্কাবতীর প্রতি মায়ের বিমাতাসুলভ আচরণ কেন- এই প্রশ্নের উত্তর জানবার জন্য পাঠক প্রথম থেকেই খুব আগ্রহী হয়ে ওঠেন, কিন্তু জানতে পারেন একেবারে গল্পের শেষে। কঙ্কাবতীর মায়ের কিছুটা অদ্ভুত মানসিকতার চমৎকার ব‍্যাখ‍্যাও মেলে বইয়ের শেষে এসে, মায়ের ডায়েরি করে কঙ্কাবতী মায়ের জীবনে অনেক না জানা কথা জানতে পারে।

 গল্পে আবেগের বাড়াবাড়ি নেই, খুবই সংযত ভাষায় কঙ্কাবতী তার গল্প বলে গেছে, তবু পড়তে পড়তে পাঠক আবেগী হয়ে ওঠেন, কঙ্কাবতীর দুঃখে বেদনাবোধ করেন। ব্রোকেন ফ্যামিলিতে একটা শিশুর অব্যক্ত যন্ত্রণাকে এই গল্পের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতে লেখক পুরোপুরি সফলতা অর্জন করেছেন। আবার কখনো কখনো কঙ্কাবতীর কথা হয়ে ওঠে আমাদের অনেকেরই মনের কথা; যেমন:

পৃথিবীতে এত মায়া এত কষ্ট এত পাওয়া না পাওয়ার হিসেব নিকেশের মাঝেও প্রকৃতি বড় সুন্দর আর নির্লীপ্ত। আমার মন হুহু করে ওঠে। হঠাৎ নিজেকে এই বিশাল পৃথিবীতে বড় একা লাগে। আমার পাশে কেউ নেই। কোথাও কেউ নেই। তবু কত মায়ায়, কত কান্নায়, কত হেলাফেলায় জড়িয়ে আছি আমি এই নিষ্ঠুর এবং মায়াময় পৃথিবীতে.......

গল্পে লেখক একটা মেসেজ দিয়েছেন। বাবা- মায়েরা বনিবনা না হলেই পরিবার ভেঙে দিতে পারেন, আবার নতুন করে পরিবার গড়তেও পারেন,  কিন্তু ভাঙ্গা পরিবারের সন্তানের মনোজগতের যন্ত্রণার কথা কেউ জানতে পারেন না। তাই যেসব মা বাবারা নিজের সন্তানকে ভালোবাসেন, তাদের এই বইটি পড়া খুব দরকার; যেন পরিবার ভেঙে দেবার আগে একবার ভাবতে পারেন এর ফলে তার আদরের সন্তান কতটুকু যন্ত্রণার মধ্যে পড়তে পারে। 

দুটো জিনিস বাদে এই বইয়ের সবকিছু ভালো লেগেছে। প্রথমত, বইয়ের কলেবর; গল্পটিকে অনায়াসে আর একটু বড় করা যেত, কিন্তু মনে হল যেন লেখক হুট করে গল্পটি শেষ করে দিয়েছেন। দ্বিতীয়ত, বইয়ের প্রচ্ছদ; কঙ্কাবতী এক সংগ্রামী মেয়ে, জীবনের নানা প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করে পায়ের নিচে শক্ত মাটি খুঁজে নিয়েছে, প্রচ্ছদের চোখ বোজা, লজ্জাবতী লতার  মতো  ছবিটা একেবারেই তার চরিত্রর সাথে মেলে না! প্রচ্ছদের মাঝখানে এই ছবিটিকে দেখে মনে হয়েছে, গেঞ্জিতে- মগে যেভাবে ছবি প্রিন্ট করে দেয়া হয়, এখানেও মলাটের মাঝখানে সেভাবে একটা চকচকে ছবি প্রিন্ট করে দেয়া হয়েছে!! নিত‍্যনতুন আইডিয়া বাস্তবায়ন করতে ভালবাসেন প্রচ্ছদশিল্পী শায়মা হক, হয়তো প্রচ্ছদ নিয়ে এটা তার কোন এক্সপেরিমেন্ট..........কিন্তু এই প্রচ্ছদ আমার ভালো লাগে নি!!!

প্রচ্ছদ নিয়ে কিছুটা ধোঁয়াশা আছে। মলাটে লেখা, প্রচ্ছদ করেছেন ঘুড়ি টিম; ভিতরে লেখা  শায়মা হক!!!

চমৎকার বইটি ঘরে বসে পেতে চাইলে অর্ডার করুন রকমারি ডট কমে!


কঙ্কাবতীর কথা
 
লেখক: শায়মা হক
প্রকাশক: এক রঙা এক ঘুড়ি
প্রচ্ছদ: শায়মা হক (ঘুড়ি টিম?)
 পৃষ্ঠা: ৯৬
মূল্য: ২৫০ টাকা



২) জীবনের পথে চলতে চলতে কবির মনে নানা রকম  ভাবনারা ঘোরাফেরা করেছে- সেগুলোকে কবিতায় রূপ দিয়েছেন তিনি "Wandering Thoughts" নামক বইটিতে। এখানে কবিতার বিষয়বস্তু বিবিধ; আছে প্রকৃতি, ভালোবাসা, কবি ও কবিতা, সম্পর্ক, প্রিয়জন আর জীবনে চলার পথে দেখা নানা ছোটখাটো বিষয়, নকশী কাঁথা থেকে বিড়াল! কবিতা গুলো সাজানো হয়েছে কালানুক্রমিকভাবে, প্রথম কবিতা লেখার সময় দেয়া আছে ৬ জুলাই ২০১৩, শেষ কবিতা ২১ মে ২০১৫। অবশ্য দ্বিতীয় কবিতা লেখার সময় দেখাচ্ছে ২ জুলাই ২০১৩, সম্ভবত এটা ১২ জুলাই হবে।

কবিতা গুলো চার বা পাঁচ স্তবক বিশিষ্ট; এর চাইতে কম- বেশি স্তবকের কবিতাও আছে। কোন কোন কবিতার শেষে ছোট ব‍্যাখ‍্যাও দেয়া আছে, যাতে কবিতাটা সহজে বোঝা যায়; যেমন A Solitary Flower (পৃষ্ঠা- ৩৫) কবিতার শেষে কবি বলছেন, নেপালের নাঙ্গলকোট ভ্রমণকালে  কবি একটি একাকী পুষ্প দেখে এই কবিতা লেখার প্রেরণা পেয়েছিলেন। (অবশ্য এখানে কিছু একটা ভুল আছে; হবে নাঙ্গলকোট, কুমিল্লা অথবা হবে নাগরকোট, নেপাল)

Going Away কবিতায় কবি বলছেন, ধাবমান যে কোনো যানবাহন, বিমান-  রেলগাড়ি- বাস যাকেই তার থেকে দূরে চলে যেতে দেখেন, সেই যানবাহনের অচেনা যাত্রীদের তার খুব আপন মনে হয়, তিনি মনে মনে শুভকামনা জানান যেন তারা নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে যায়। যখন কবির দৃষ্টিসীমার বাইরে যানবাহনটি চলে যায় তখন তিনি বেদনার্ত হন। কবিতা শেষে তিনি ব্যাখ্যা দিয়েছেন, তার এই ব‍্যাপারটি  অদ্ভুত হলেও, একেবারে সত্যি!!

একটি বেশ দীর্ঘ কবিতা লিখেছেন, Love Your Spouse (পৃষ্ঠা-১৫) এখানে কবি জীবনসঙ্গীকে ভালোবাসার তাগিদ দিয়েছেন, বলেছেন জীবনসঙ্গীকে ভালোবাসলে ঘরে ঘরে স্বর্গ নেমে আসবে।  চমৎকার বাণী এই কবিতার.....

 একটা কবিতা পড়তে গিয়ে মনে পড়ল, বহুদিন আগে গায়ক তাহসান তার স্ত্রী মিথিলাকে নিয়ে একটি গান গেয়েছিলেন, "বিন্দু আমি, বৃত্ত হয়ে তুমি থাকো আমায় ঘিরে", এই ধরনের কিছু কথা ছিল গানে। তখন এই জ্যামিতিক গান শুনে অবাক হয়েছিলাম, কিন্তু এবার এই বই পড়ে জানলাম জ্যামিতিক কবিতাও হয়; যেমন:

When we first met, back in those good old days,
We were as though in an isosceles  triangle,
Two equal sides, with equal height,
 Standing on the same base.

(Life Geometric, পৃষ্ঠা-৫৮)

আবার,

Life is a void circle,
I am  at its center
So, it's no matter
If the circle is
Bigger or smaller,
I remain at its center.

(Life, A Void Circle, পৃষ্ঠা- ৬০)

We all tread on two parallel roads,
One we take to run errands of life,
.................

(In Parallel Ways, পৃষ্ঠা-৪৬)
 
এমন চমৎকার ৬৭টি কবিতা আছে এই বইটিতে।  প্রতিটি কবিতাই সুখপাঠ্য, ছোট ছোট সহজ বাক্যে অন্তমিল দিয়ে লেখা। ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সময়াভাবে কবিতা গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে পারলাম না, এটুকু বলতে পারি কবিতা গুলো বারবার পড়ার মতো। একথার সত‍্যতা যাচাই করতে চাইলে যোগাযোগ করে ফেলুন রকমারি ডট কম এর সাথে.......

 বইয়ের প্রচ্ছদে রয়েছে স্নিগ্ধতার ছোঁয়া।

Wandering Thoughts

লেখক: খায়রুল আহসান
প্রকাশক: জাগৃতি প্রকাশনী
প্রচ্ছদ: মাহমুদ শান্ত
পৃষ্ঠা: ৮০
দাম: ২০০ টাকা।



৩) লেখাজোকায় অভিজ্ঞ, এবং অনভিজ্ঞ সাঁইত্রিশ জন লেখকের লেখা নিয়ে সংকলন "লেখাজোকা"। এখানে রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন স্বাদের লেখা- গল্প, কবিতা, স্মৃতিকথা, ফিচার, রম্য, ছড়া ও অনুগল্প। এই সংকলনের মলাটের ফ্ল্যাপে বলা হয়েছে:

সামহোয়্যার ইন ব্লগ, লেখাজোকা গ্রুপ সহ ভার্চুয়াল নানা মাধ্যমে জনপ্রিয় গুণী কিছু লেখকের সেরা লেখাগুলোর মলাটবন্দি রূপ 'লেখাজোকা সংকলন'।

সেরা লেখা, সন্দেহ নেই তাতে! আর এই সেরা লেখাগুলো বাছাই করে, সংকলনে গ্রন্থিত করার কঠিন কাজটা দুই সম্পাদক শায়মা হক আর গিয়াস উদ্দিন লিটন মিলে সুচারুভাবে সম্পন্ন করেছেন।

 দেখা যাক কেমন হলো সংকলনটি। পাঁচটি ভিন্ন বিষয়ের ওপর লেখা নিবন্ধর পর রয়েছে নয়টি ছোটগল্প, তারপর একটি অনুগল্প। প্রতিটির বিষয় আর লেখার ধাঁচ একেবারে আলাদা; তাই প্রতিটিই পড়তে ভালো লেগেছে। এরপর আছে তেরটি কবিতা। কবিতার পর তিনটি ছড়া; সব কবিতা আর ছড়া পড়ে ভালো লেগেছে, শুধু প্রথম ছড়াটা বাদে। এই ছড়াটা ভীষণ ভাবে মন খারাপ করে দিল............

তিনটি স্মৃতিকথা, একটা ফেলে আসা সময়কে নিয়ে আর বাকি দুটি প্রিয় মানুষকে নিয়ে। এবারো শেষ স্মৃতিকথা পড়ে আমার ভীষণভাবে মন খারাপ হলো........

গিয়াস উদ্দিন লিটনের রম‍্য অবশ‍্য মনের ভার অনেকটাই কাটিয়ে দিয়েছে এরপর!

সবশেষে ভ্রমণ কাহিনী। এটাও চমৎকার  লাগলো!

সাঁইত্রিশটি লেখার প্রতিটি নিয়ে আলোচনা করার ইচ্ছা থাকলেও উপায় নেই! শুধু এটুকু বলি, এক মলাটে সাঁইত্রিশ রকম লেখার স্বাদ পেতে হলে বইটি পড়তেই হবে!

চমৎকার প্রচ্ছদ! তবে অঙ্গসজ্জা আরেকটু অন‍্যরকম হলে ভালো হত। যেমন সংকলনের প্রতি বিভাগের প্রথম লেখার উপর ছোট করে বিভাগের নাম লেখা আছে (গল্প, কবিতা, ছড়া.....ইত‍্যাদি) যদি প্রতি বিভাগের শুরুতে একটা আলাদা পৃষ্ঠায় এটা লেখা থাকতো, তবে বিভাগগুলোকে আলাদা করতে সুবিধা হতো। সম্ভবত পৃষ্ঠা সংখ্যা কমানোর জন্য এমন করা হয়েছে.......

চমৎকার সংকলনটি যদি পড়তে চান, তবে পাবার সহজ উপায় রকমারি ডট কমে যোগাযোগ করা।

"লেখাজোকা সংকলন"

সম্পাদনা: শায়মা হক ও গিয়াস উদ্দিন লিটন
প্রচ্ছদ: নবী হোসেন
প্রকাশক: এক রঙা এক ঘুড়ি
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৪৪
দাম: ৩০০ টাকা



বইগুলো অনেকদিন আগে পড়েছি,  এমন কি এই লেখাটাও আগেই লিখে রেখেছিলাম; পোস্ট করতে পারছিলাম না শুধু এটা ভেবে, কি জানি কারো মনে আবার কষ্ট দিলাম কিনা............ :(















সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:৪৪
৩১টি মন্তব্য ৩০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ভালোবাসিতে লজ্জা পেতে নাই ...

লিখেছেন সেলিম আনোয়ার, ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ১১:৩১

অপেক্ষা— সেতো নিষ্ঠুরতম এক উপখ্যান
যদি না হয় সাক্ষাৎ চিরো কাঙ্ক্ষিত
সেই ক্ষণের —প্রেমের বৃন্দাবনের
এ সবই মিছে অথবা ভ্রম;
ক্ষণিকের অহমিকা শেষ হয়ে যায়
মিশে যায় হাওয়ায়—... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ স্বৈরাচারিণী

লিখেছেন নীল আকাশ, ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১:৪৬



সঙ্গদোষে নাকি লোহাও ভাসে! চরমতম এই সত্যটা আর কেউ না হোক ফাহিবের বাবা মা দৃঢ়ভাবেই বিশ্বাস করেন। তা না হলে, যেই ছেলে বুয়েট থেকে এত ভালো রেজাল্ট নিয়ে পাশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

=মহান আল্লাহ সব কিছু দেখেন=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৩



©কাজী ফাতেমা ছবি

সিসি ক্যামেরা দেখলেই নড়ে চড়ে উঠো
হয়ে যাও সাবধানী,
পাপগুলো দূরে ঠেলে হেঁটে যাও আপন গন্তব্যে,
ভয় পাও, তোমরা সিসি ক্যামেরা ভয় পাও
তাই না?

কিছু লুকোচুরি খেলা যখন খেলো বা খেলতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইন্টারভিউ

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩৯



শাহেদ জামাল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে।
সে বাকি জীবনে কোনো কাজকর্ম করবে না। জীবনের অর্ধেক সে পার করে ফেলেছে। তার বয়স এখন পঁয়ত্রিশ। আগামী পঁয়ত্রিশ বছর কি সে বাঁচবে? সম্ভবনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন ভালো করা কিছু খবর

লিখেছেন মা.হাসান, ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:৩২

তাহাজজুদ পড়িস ব্যাটা?



ও ছার, ঝাড়ুদার পদে লিয়োগ পাইতে কত দিতে হবে?



আবার মারধোরের কি দরকার ছিল



আপনারা মন মতো মন্তব্য বসাইয়া নিন, আমি গলায় ফুলের মালা না... ...বাকিটুকু পড়ুন

×