somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হাসিনোমিক্স : আজ ভোগ করো, কাল দেখা যাবে

২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৩৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে কথা বলতে গেলে একটা শব্দ বারবার মাথায় আসে - হাসিনোমিকস। শব্দটা শুনতে বেশ আধুনিক, অনেকটা জাপানের অ্যাবেনোমিকস বা আমেরিকার রিগ্যানোমিকসের মতো। কিন্তু সমস্যা হলো, অন্যান্য দেশে এই ধরনের টার্মগুলো যদি অর্থনৈতিক নীতির প্রতীক হয়, তাহলে হাসিনোমিকস হয়ে দাঁড়িয়েছে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের সমার্থক। গত পনেরো বছরে আমরা দেখেছি কীভাবে কাগজে-কলমে জিডিপি বাড়ছে, মাথাপিছু আয় বাড়ছে, রপ্তানি বাড়ছে - কিন্তু সাধারণ মানুষের জীবনে সেই উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। রাস্তায় নেমে যে কাউকে জিজ্ঞেস করুন, সে বলবে জীবনযাত্রার খরচ আকাশছোঁয়া, চাকরি নেই, ব্যবসা চলছে না। তাহলে এই উন্নয়ন গেল কোথায়?

হাসিনোমিকসের প্রথম বৈশিষ্ট্য হলো পরিসংখ্যানের জাদু। সরকারি হিসাবে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু বাস্তবে মানুষ পিছিয়ে পড়ছে। এই যে ব্যবধান, এটা তৈরি হয়েছে ডেটা ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে। যখন আপনি মূল্যস্ফীতির হিসাব কম দেখান, তখন জিডিপি বেশি দেখায়। যখন আপনি রপ্তানির পরিসংখ্যানে ওভার-ইনভয়েসিং ধরেন না, তখন বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন বেশি মনে হয়। আর যখন আপনি দারিদ্র্যের সংজ্ঞা এমনভাবে তৈরি করেন যে মাসে তিন হাজার টাকায় বেঁচে থাকা মানুষও দরিদ্র নয়, তখন দারিদ্র্যের হার কমে যায় কাগজে। এই হলো পরিসংখ্যানের খেলা। সমস্যা হলো, এই খেলায় জিতে যাওয়া যায় আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে, কিন্তু হারে দেশের মানুষ।

দ্বিতীয় বৈশিষ্ট্য হলো কৃত্রিম সুদের হার। দীর্ঘদিন ধরে সুদের হার মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম রাখা হয়েছিল। এর মানে হলো, আপনি যদি ব্যাংকে টাকা রাখেন, তাহলে প্রতি বছর আপনার সঞ্চয়ের মূল্য কমছে। আর যদি আপনি ঋণ নেন, তাহলে আপনি মূলত বিনামূল্যে টাকা পাচ্ছেন কারণ মূল্যস্ফীতি আপনার ঋণের মূল্য কমিয়ে দিচ্ছে। এই নীতির ফলে কী হলো? বড় ব্যবসায়ীরা সস্তায় ঋণ নিয়ে অতিবিনিয়োগ করলেন এমন সব প্রকল্পে যেগুলোর দরকার ছিল না। ফলাফল? ওভারক্যাপাসিটি। কারখানা আছে কিন্তু উৎপাদন হচ্ছে না কারণ বাজারে ক্রেতা নেই। আর সাধারণ মানুষ যারা সঞ্চয় করেন, তারা প্রতিদিন গরিব হচ্ছেন। ব্যাংকে রাখা তাদের টাকা মূল্যস্ফীতির আগুনে পুড়ে ছাই হচ্ছে।

তৃতীয় বৈশিষ্ট্য হলো রেন্ট-সিকিং ইকোনমি। এই শব্দটা একটু জটিল শোনায়, কিন্তু বাস্তবে খুবই সহজ। রেন্ট-সিকিং মানে হলো উৎপাদন না করে, নতুন কিছু সৃষ্টি না করে, শুধু রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে আয় করা। ধরুন, আপনি একজন আমলা। আপনার হাতে আছে লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষমতা। একজন ব্যবসায়ী আসলেন লাইসেন্সের জন্য। আপনি ফাইল আটকে রাখলেন, নানা সমস্যা দেখালেন, শেষে ঘুষ নিয়ে লাইসেন্স দিলেন। এখানে আপনি কোনো মূল্য সৃষ্টি করলেন না, কোনো উৎপাদন বাড়ালেন না, শুধু আপনার ক্ষমতা ব্যবহার করে টাকা নিলেন। এটাই রেন্ট-সিকিং। সমস্যা হলো, এই পুরো সিস্টেমটাই এভাবে চলছে। শুল্ক-কর আদায়ে ঘুষ, প্রকল্প বাস্তবায়নে কমিশন, টেন্ডারে দুর্নীতি - সবখানে রেন্ট-সিকিং। ফলে উৎপাদন খরচ বাড়ছে, প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না বাংলাদেশি পণ্য।

চতুর্থ বৈশিষ্ট্য হলো অবকাঠামো উন্নয়নের নামে লুটপাট। মেগা প্রকল্পের কথা আমরা সবাই শুনেছি। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে - এসব প্রকল্পের কথা বলে বলে আমাদের কান ঝালাপালা হয়ে গেছে। কিন্তু কেউ জিজ্ঞেস করে না যে ত্রিশ কোটি টাকার একটা কাজ কেন একশ কোটি টাকায় করা হলো। কেউ জিজ্ঞেস করে না যে যে সেতু দশ বছরে হওয়ার কথা, সেটা কেন বিশ বছরে হলো। কেউ হিসাব করে না যে মেগা প্রকল্পে কত টাকা কমিশন হিসাবে গেছে। আর এই কমিশন যায় কোথায়? বিদেশে পাচার হয়, সেকেন্ড হোম কেনা হয় কানাডায়, বেগমপাড়া হয় মালয়েশিয়ায়। দেশের টাকা দেশেই থাকে না, তাহলে উন্নয়ন হবে কীভাবে?

পঞ্চম বৈশিষ্ট্য হলো ব্যাংকিং সেক্টরের ধ্বংসসাধন। বাংলাদেশের ব্যাংকিং সেক্টর আজ মৃত্যুশয্যায়। খেলাপি ঋণের পরিমাণ লাখ লাখ কোটি টাকা। কিন্তু কারা এই খেলাপি? ছোট ব্যবসায়ী যারা পাঁচ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে ফেরত দিতে পারেনি? না। খেলাপি হলো সেই সব বড় ব্যবসায়ী যারা হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে ফেরত দেয়নি, দেবেও না কারণ তাদের রাজনৈতিক ক্ষমতা আছে। ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া, সেই টাকা বিদেশে পাচার করা, তারপর ব্যবসা লস দেখিয়ে ঋণ মওকুফ করানো - এটাই হয়েছে সাধারণ চিত্র। আর এই ঋণের টাকা আসে কোথা থেকে? সাধারণ মানুষের জমানো টাকা থেকে। সুতরাং যে ব্যাংকে আপনি টাকা রেখেছেন, সেই টাকা চলে গেছে কোনো অলিগার্কের পকেটে।

ষষ্ঠ বৈশিষ্ট্য হলো কর ব্যবস্থার বিকৃতি। বাংলাদেশের কর ব্যবস্থা মূলত নির্ভর করে পরোক্ষ করের ওপর। মানে ভ্যাট, শুল্ক, আমদানি কর - এসবের ওপর। প্রত্যক্ষ কর, মানে আয়কর বা সম্পদ কর, সেটা খুবই কম। এর মানে কী? যে গরিব মানুষ মাসে দশ হাজার টাকা আয় করে এবং যে ধনী ব্যক্তি মাসে দশ লাখ টাকা আয় করে, তারা দুজনেই যখন এক কেজি চাল কেনে, একই পরিমাণ ভ্যাট দেয়। এটা কি ন্যায্য? গরিবের আয়ের শতকরা হার হিসাবে সে অনেক বেশি কর দিচ্ছে। অন্যদিকে বড় ব্যবসায়ীরা নানা ফাঁকফোকর দিয়ে আয়কর ফাঁকি দিচ্ছেন। ফলে যে সিস্টেমে ধনীদের বেশি কর দেওয়ার কথা, সেখানে গরিবরাই বেশি কর দিচ্ছে। আর এই টাকা দিয়ে কী হচ্ছে? মন্ত্রীদের জন্য নয় হাজার বর্গফুটের ফ্ল্যাট বানানো হচ্ছে, সুইমিংপুল বানানো হচ্ছে।

সপ্তম বৈশিষ্ট্য হলো রপ্তানি খাতের একমুখীনতা। বাংলাদেশের রপ্তানির শতকরা আশি ভাগ আসে গার্মেন্টস থেকে। এটা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। যদি কোনো কারণে গার্মেন্টস খাত মন্দায় পড়ে, পুরো অর্থনীতি ভেঙে পড়বে। আর এই গার্মেন্টস খাতেও সমস্যা আছে। প্রথমত, এই খাতে মজুরি অত্যন্ত কম। একজন গার্মেন্টস শ্রমিক দিনে বারো ঘণ্টা কাজ করে যে টাকা পায়, তা দিয়ে সংসার চালানো কঠিন। দ্বিতীয়ত, এই খাতে কমপ্লায়েন্স খরচ অনেক বেশি কারণ পশ্চিমা ক্রেতারা নানা শর্ত দেয়। তৃতীয়ত, প্রতিযোগিতা বাড়ছে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া থেকে। কিন্তু সরকার কি নতুন রপ্তানি খাত তৈরি করেছে? করেনি। শুধু গার্মেন্টসের ওপর নির্ভর করেই চলছে, যেন এটাই চিরকাল থাকবে।

৮ম বৈশিষ্ট্য হলো মানবসম্পদ উন্নয়নে ব্যর্থতা। বাংলাদেশের জনসংখ্যা আঠারো কোটির কাছাকাছি। এর মধ্যে তরুণের সংখ্যা প্রচুর। এটা একটা সুযোগ হতে পারত, যাকে বলে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড। কিন্তু এই সুযোগ কাজে লাগানো যায়নি। শিক্ষাব্যবস্থা এমন যে শিক্ষার্থীরা কিছু শিখছে না, শুধু সার্টিফিকেট পাচ্ছে। স্বাস্থ্যসেবা এত খারাপ যে সামান্য অসুখেও মানুষ সর্বস্বান্ত হয়ে যাচ্ছে। কারিগরি শিক্ষা নেই বললেই চলে। ফলে লাখ লাখ তরুণ বেকার বসে আছে। যারা দক্ষ, তারা দেশ ছেড়ে চলে যাচ্ছে। ব্রেইন ড্রেইন হচ্ছে ভয়াবহ হারে। আর যারা থেকে যাচ্ছে, তারা হতাশ, ক্ষুব্ধ, ভবিষ্যৎহীন।

৯ম বৈশিষ্ট্য হলো পরিবেশ ধ্বংস। উন্নয়নের নামে নদী ভরাট করা হয়েছে, জলাভূমি দখল করা হয়েছে, বন কেটে ফেলা হয়েছে। ঢাকা শহর এখন বিশ্বের অন্যতম দূষিত শহর। বায়ুদূষণ এত ভয়াবহ যে মানুষ শ্বাস নিতে পারছে না। পানিদূষণের কারণে পানিবাহিত রোগ ছড়াচ্ছে। শব্দদূষণে মানুষ বধির হয়ে যাচ্ছে। আর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব তো আছেই। উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততা বাড়ছে, কৃষিজমি নষ্ট হচ্ছে। কিন্তু পরিবেশ রক্ষায় কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেই। কারণ পরিবেশ রক্ষা করতে গেলে শিল্পপতিদের খরচ বাড়বে, আর তারা তো সরকারের পৃষ্ঠপোষক।

১০ম বৈশিষ্ট্য হলো সামাজিক নিরাপত্তার অভাব। একটা দেশের উন্নয়ন শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দিয়ে মাপা হয় না, মাপা হয় মানুষের জীবনমান দিয়ে। বাংলাদেশে সামাজিক নিরাপত্তা বলে কিছু নেই। বৃদ্ধ ভাতা আছে, কিন্তু তা এত কম যে দিয়ে কিছুই হয় না। বিধবা ভাতা আছে, কিন্তু পাওয়ার জন্য দৌড়াদৌড়ি করতে হয়। প্রতিবন্ধীদের জন্য কোনো ব্যবস্থা নেই। বেকারদের জন্য ভাতা নেই। স্বাস্থ্যবীমা নেই। ফলে একটা পরিবারে যদি কেউ অসুস্থ হয়, পুরো পরিবার দারিদ্র্যের মধ্যে পড়ে যায়। এই যে সামাজিক নিরাপত্তার অভাব, এটা মানুষকে ঝুঁকির মধ্যে রাখে সবসময়। কোনো কাজ করতে সাহস পায় না কারণ জানে যে ব্যর্থ হলে কেউ রক্ষা করবে না।

১১তম বৈশিষ্ট্য হলো আয়বৈষম্য। বাংলাদেশে আয়বৈষম্য ক্রমাগত বাড়ছে। শীর্ষ দশ শতাংশ মানুষের হাতে জাতীয় সম্পদের শতকরা পঞ্চাশ ভাগের বেশি। আর নিচের পঞ্চাশ শতাংশের হাتে আছে মাত্র পাঁচ শতাংশ। এই বৈষম্য শুধু অর্থনৈতিক নয়, এটা সামাজিক ও রাজনৈতিক। ধনীরা সব সুবিধা পায় - ভালো শিক্ষা, ভালো স্বাস্থ্যসেবা, ভালো বাসস্থান। গরিবরা কিছুই পায় না। ধনীদের সন্তানরা বিদেশে পড়তে যায়, গরিবের সন্তান স্কুলেই যেতে পারে না। ধনীরা বেআইনি কাজ করলে পার পেয়ে যায়, গরিব সামান্য ভুলে জেলে যায়। এই বৈষম্য যত বাড়বে, সমাজ তত অস্থির হবে। আর এই বৈষম্যই জুলাই অভ্যুত্থানের একটা বড় কারণ ছিল।

১২তম বৈশিষ্ট্য হলো দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অভাব। হাসিনোমিকসে সবকিছু ছিল স্বল্পমেয়াদী, জনপ্রিয়তাবাদী। মেগা প্রকল্প করা হয়েছে ভোট পাওয়ার জন্য, দেশের প্রয়োজনে নয়। ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে জনপ্রিয় থাকার জন্য, অর্থনীতি সুস্থ রাখার জন্য নয়। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে কী হবে, সেটা নিয়ে কেউ ভাবেনি। যেমন ঋণ। বিপুল পরিমাণ বিদেশি ঋণ নেওয়া হয়েছে। এই ঋণ শোধ করবে কে? আগামী প্রজন্ম। মানে আজকের সিদ্ধান্তের মূল্য দিতে হবে আগামীকালের তরুণদের। এটা কি ন্যায্য? আর পরিবেশ ধ্বংসের প্রভাব? সেটাও ভোগ করবে পরবর্তী প্রজন্ম। হাসিনোমিকস ছিল একটা "আজ ভোগ করো, কাল দেখা যাবে" ধরনের অর্থনীতি।

এই সবকিছু মিলিয়ে হাসিনোমিকস ছিল একটা ব্যর্থ অর্থনৈতিক মডেল। কাগজে-কলমে উন্নয়ন দেখানো হয়েছে, কিন্তু বাস্তবে মানুষের জীবনমান খারাপ হয়েছে। গুটিকয়েক অলিগার্ক ও আমলা ধনী হয়েছে, কিন্তু কোটি কোটি মানুষ গরিব হয়েছে। ব্যাংক খালি হয়েছে, বিদেশে অর্থ পাচার হয়েছে। পরিবেশ ধ্বংস হয়েছে, ভবিষ্যৎ বন্ধক হয়েছে। আর সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়েছে মানুষের আস্থার। মানুষ বিশ্বাস হারিয়েছে যে রাষ্ট্র তাদের জন্য কাজ করবে। তারা বুঝে গেছে যে রাষ্ট্র আসলে একটা দল বা গোষ্ঠীর হাতিয়ার, সাধারণ মানুষের জন্য নয়। এই আস্থার সংকটই সবচেয়ে বড় সংকট। কারণ আস্থা ফিরতে সময় লাগে, অনেক সময়। হাসিনোমিকসের পতন হয়েছে ঠিকই, কিন্তু এর প্রভাব থেকে বের হতে বাংলাদেশকে অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে। প্রশ্ন হলো, নতুন যারা আসবে, তারা কি ভিন্ন কিছু করবে, নাকি একই ফর্মুলা নতুন নামে চালু করবে? সময়ই বলবে।


মুল লেখা : Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৪৬
৯টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ভারতের লেজ গুটিয়ে পালানো কেবল শুরু

লিখেছেন অপলক , ২৫ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:২৪



বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে (বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড বিআইএফপিসিএল) শনিবার সকালে খাবারের টেবিলে ৯ কর্মকর্তাদের না পেয়ে কর্তৃপক্ষ খোঁজখবর নিতে শুরু করে। একপর্যায়ে জানা যায়, তারা কাউকে না জানিয়েই... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রিয় কন্যা আমার- ৮৯

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৫ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৪৭



হ্যালো ফারাজা,
তুমি কথার পিঠে কথা বলতে শিখে গেছো! পাঁচ বছরের এক বাচ্চা মেয়ে কি সুন্দর কথা বলছে। মাঝে মাঝে বাবার সাথে রাগ দেখাচ্ছে। বাবার কাছে গল্প শুনতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

সরকারি কর্মচারিদের বেতন বৃদ্ধি সাধারণ জনগণ কি স্বস্তি পাবে?

লিখেছেন পবন সরকার, ২৫ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৭


সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারিদের বেতন প্রায় দ্বিগুণ আড়াইগুণ বৃদ্ধির সুপারিশ পেশ করা হয়েছে। যে হারে বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে সেই হিসাবে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারিরা নিঃসন্দেহে লাভবান হবে। বর্তমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওয়ামী পাঞ্চ লাইন

লিখেছেন অপু তানভীর, ২৫ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:২৪



ফেসবুকে রাজনৈতিক পেইজ আমি ফলো করি না খুব একটা। তবে আমার লিস্টের অনেকেই ফলো করে। ফলে আমার হোমপেইজে মাঝে মাঝেই নানান রকম পোস্ট এসে হাজির হোয়। সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

হাসিনোমিক্স : আজ ভোগ করো, কাল দেখা যাবে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৩৯


বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে কথা বলতে গেলে একটা শব্দ বারবার মাথায় আসে - হাসিনোমিকস। শব্দটা শুনতে বেশ আধুনিক, অনেকটা জাপানের অ্যাবেনোমিকস বা আমেরিকার রিগ্যানোমিকসের মতো। কিন্তু সমস্যা হলো, অন্যান্য দেশে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×