জুড়ি জাঙ্গিরাই গণহত্যা
লুৎফুর রহমান
কার্তিকেতে পাগলা থাকে অনেক গুলো কুকুর
তেমনি শালার পাকবাহিনী লাশে ভরায় পুকুর।
বদরুলেরই পুকুর ভরা অগুণতি সব লাশ
দেশটি স্বাধিন হবার পরে খবর হলো ফাঁস।
জাঙ্গিরাইয়ের নূরকে ধরে রাজাকার ওই পাখি
'জয় বাংলা বলছে নূরে কেমনে বাঁচাই রাখি'
তাইতো পাখি কাটলো নূরের জিব সেদিন ভাই
মারলো পরে নূরকে ওরা ইতিহাসেই পাই।
এরপরেতে সাঙ্গনেরই জওয়াদ আলীর পালা
মারলো তাঁরে গুলি করে পাকিস্তানি শালা
আরো শয়েক মারলো সেথায় হয়নি নাম জানা
অত্যাচারে মারলো সবার প্রিয় শফিক নানা।
জাঙ্গিরাইয়ের কনু- ছৈদ ভারত থেকে এলে
শহিদ হলেন ছিলেন তাঁরা দেশের বীর ছেলে ।।
________________________________
জুড়ির জাঙ্গিরাইয়ে চলে অমানুষিক গণহত্যা। বদরুলের হোসেন বাড়ির পেছনের পুকুরে অসংখ্য লোকের লাশ ছিল। দুর্গন্ধে অনেক অসুস্থ হয়ে পড়ছিলেন। স্বাধিনতার পর অজানা শত শত লাশ তোলা হয় এ পুকুর থেকে। জাঙ্গিরাইয়ের আবুন নূর জয়বাংলা শ্লোগান দেবার অপরাধে রাজাকার আব্দুল মতলিব পাখি তাঁকে ধরে নিয়ে জিব কেটে ফেলে পরে বন্ধি রাখা অবস্থায় দুতলা থেকে লাথি দিয়ে মাটিতে ফেলে হত্যা করে। এরপর পাতিলা সাঙগনের জওয়াদ আলীকে হত্যা করে। বাকি শতাধিক লোকের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি। দক্ষিণভাগ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সম্পাদক শফিকুর রহমানকে রাজাকার পাখি ধরিয়ে দেয় পরে তাঁকে নির্যাতন শেষে হত্যা করা হয়। উত্তর জাঙ্গিরাইয়ের কনু ও ছৈদ ভারতে ছিলেন। দেশে ফেরত আসলে তাঁদের হত্যা করে। তাঁরা ছিলেন মুজাহিদ বাহিনীর সদস্য।

সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




