শায়েস্তাগঞ্জে গণহত্যা
লুৎফুর রহমান
একাত্তরের পঁচিশে মার্চ শায়েস্তাগঞ্জ এসে
দৌড়ে গিয়ে রাজাকারে তাদের সাথে মেশে
করলো শুরু হত্যা তখন কান্না হলো শুরু
পায়নি রেহাই তাদের হাতে, ছাত্র, শ্রমিক গুরু।
ইবরাহিমের বাড়ি ছিলো বড়চরের দক্ষিণে
রাজাকারে বল্লো তাঁরে পাকিস্তানের পক্ষি নে
নেয়নি তিনি পক্ষ তখন আনলো মরণ ঘাটে
শহীদ হলেন শায়েস্তাগঞ্জ হাই স্কুলের মাঠে।
মুক্তিযোদ্ধার 'ম' প্রথমে এই না দোষে মোক্তার
খোয়াই নদীর নীচে করে খানখান যে বুক তার
তেতুইয়ার সাহেব আলী হত্যা করে শেষে-
মশাজানের শফিক মরেন জানছি হেসে হেসে।
_________________________________
হবিগঞ্জের শাযেস্তাগঞ্জে পাকবাহিনী এলে স্থানীয় রাজাকার এদের সাথে মিশে যায়। রাসায়নিক দ্রব্য বিক্রেতা ইবরাহিম আলীকে প্রথমে তারা্ হত্যা করে শায়েস্তাগঞ্জ হাই স্কুলে। মুক্তিযোদ্ধার প্রথম অক্ষর 'ম' দিয়ে মোক্তার হয় বলে তাঁকে বাড়ি থেকে ধরে এনে খোয়াই নদীর নীচে হত্যা করে। তেতুইয়ার সাহেব আলী ও মশাজান গ্রামের শফিক আহমদকে বাড়ি তেকে ধরে এনে হত্যা করে শায়েস্তাগঞ্জে।

সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




