প্রসঙ্গ ইলিয়াস: দুই নেত্রীকে কি জিজ্ঞাসাবাদ করা যায় না?
তবে আমাদের রাজনীতিবিদরা আমাদের নিয়ে কি রাজনীতি খেলছেন তা আমি বুঝি না। বোঝার সেই বুদ্ধি লোপ পেয়েছে ভেজালে। এক হয় আমাদের রাজনীতিবিদরা ভেজালে আক্রান্ত হয়েছেন, আর নয় তেনারা আমাদের মুর্খ মনে করেন।
মঙ্গলবার মধ্যরাতে 'নিখোঁজ' হলেন সাংসদ ইলিয়াস আলী। সঙ্গে তার গাড়ি চালক আনসার আলী। আর গাড়িটি পাওয়া গেল ইলিয়াসদের বাড়ি থেকে ২/৩শ' গজের মধ্যেই, গলিতে। খবরটা শুনেই প্রথম ধাক্কায় রাজনীতির প্যাঁচ আঁচ করলেও গত কয়েকদিনে অন্যরকম একটা অনুভূতি চলে এসেছে। প্রথমত ভেবেছিলাম সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের ব্যক্তিগত সহকারীর অর্থ কেলেঙ্কারি থেকে মানুষের দৃষ্টি অন্যত্র সরাতে এটি সরকারের কূটচাল। ইলিয়াসের স্ত্রীর কান্না আর আকুতি- জীবিত বা মৃত আমার স্বামীকে এনে দিন, এমন কথা সেই বিশ্বাসে খানিকটা ভিত্তিও দিয়েছিল। সঙ্গে এও ভাবছিলাম যে দেশে একজন সাংসদ নিরাপদ নয়, সেখানে আমার মতো দুই টাকার চাকুরের জীবনের কী মূল্য!
যদি ভুল শুনে না থাকি, ‘নিখোঁজের’ পরদিন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া বলে বসেন, সরকারের ‘এজেন্সি ও র্যাবের লোকজন’ ইলিয়াসকে তুলে নিয়ে গেছে।
আর এ ঘটনাকে ‘নাটক’ হিসাবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি নিজেদের নেতাকে লুকিয়ে রেখে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
একটা দেশের দুটি 'বড়' দলের দুই শীর্ষ নেতা যখন একজন 'মানুষের' হারিয়ে যাওয়া বা নিখোঁজ হওয়া বা গুম করা নিয়ে এ ধরনের তর্কযুদ্ধ বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের খেলায় মত্ত হয়ে উঠেন, তখন আমরা আরেকবার বুঝি ঊনারা অনেক ক্ষুধার্থ। বদররা জলন্ত পুড়বেন, পরিবার পাবে দাফনের জন্য ১০ হাজার টাকার অর্থ সহায়তা। আর আমরা মুখে কুলুপ এঁটে মনে মনে হায় হাসিনা- হায় খালেদা জিকিরের রব তুলবো! কি অপরাধ ছিলো বদরের? কি অপরাধ ইলিয়াসের গাড়ি চালকের?
বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ (২) ধারায় মৌলিক অধিকার (চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্ স্বাধীনতা) প্রসঙ্গে বলা হয়েছে-
রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশি রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।
যদি আমাদের সংবিধানের ৩৯ (২) ধারা সবার জন্য সমান অর্থ বহন করে তবে আমরা নিঃসংকোচে বলতেই পারি বাক-স্বাধীনতার নামে আমাদের প্রধানমন্ত্রী এবং বিরোধী দলীয় নেত্রী সংবিধান লংঘন করেছেন। আমাদের প্রতিটি রাজনীতিবিদ, ন্যাংটা থেকে পোংটা সবাই লংঘন করছেন।
ধরে নিলাম উনারা সংবিধান লংঘন করেন নাই। তার মানে ইলিয়াসের অবস্থান সম্পর্কে এই দুই নেত্রী অবহিত এবং অবগত। কিছুদিন আগে সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনী হত্যাকাণ্ডের পর এ বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য ছাড়া সংবাদ প্রকাশের উপর স্ব-প্রণোদিত হয়ে রুল জারি করে উচ্চ আদালত।
এক্ষেত্রেও আমাদের দুই নেত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য উচ্চ আদালত রুল জারি করতেই পারে। যদি অন্য কোনো বাধ্যবাধকতায় তা সম্ভব না-ই হয়, সেক্ষেত্রে রাজনীতিবিদদের সীমাহীন মিথ্যাচার, অশালীন বক্তব্য কিংবা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা দেয় এমন বক্তব্য বন্ধ করতে আদালতের রুলের দাবি কি খুব অযৌক্তিক?
সাদা নীল জার্সি

গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাইরে এসো
এসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।
দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীবর্গের দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত নয় কি?
"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন
স্পর্শে_ _ _ _ _
-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন
বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।