![]()
শুধু মাত্র বাংলাদেশেই নয় বরং পৃথিবীর সকল সমুদ্র সৈকতেই ভাঁটার সময় ভেসে যাওয়া ছাড়াও আরেকটি যে বড় বিপদ রয়েছে তা হল এই “রিপ কারেন্ট” বা “উল্টো স্রোত”। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সৈকতেই প্রতি বছর এই কারনে অসংখ্য মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। সেন্ট মার্টিন’স এর মাথার সরু অংশের জন্য ওই জায়গাতেই “রিপ কারেন্ট” এর প্রবনতা বেশি এবং সেইখানেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
“রিপ কারেন্ট” বা “উল্টো স্রোত” এক ধরনের অত্যন্ত শক্তিশালী ঢেউ যা সমুদ্রতটে বিভিন্ন প্রাকৃতিক বৈশিষ্ঠ এর কারনে [যেমনঃ গভীর খাদ] ধাক্কা খেয়ে একটি সরু পথ ধরে সমুদ্রের দিকে ফিরে যায়। এবং এই সরু পথটাতেই যদি কেউ থাকে তখন সেই শক্তিশালী ঢেউ ধাক্কা দিয়ে তাকে গভীর সমুদ্রে নিয়ে যায়। আপাতদৃষ্টিতে শান্ত এবং নীল দেখা গেলেও এর ভেতরেই লুকিয়ে থাকে এর ভয়ঙ্কর রূপ যা একটানে যে কাউকে নিয়ে যায় গভীর সমুদ্রে।
![]()
সাঁতার জানা থাকলেও কেউ যদি “উল্টো স্রোত” এর বিপরীত দিকে সাঁতার কাটা শুরু করে তবুও অনেক সময় তীরে পৌঁছানো সম্ভব হয় না কারন এই স্রোতগুলো অসম্ভব শক্তিশালী হয়। তাই বিপরীত দিকে না গিয়ে সৈকতের সমান্তরালে সাঁতার কাটলে তীরে ফিরে আসা যায়।
![]()
![]()
সেন্ট মার্টিন’স এর প্রাকৃতিক বৈশিষ্ঠ এর কারনেই ওই নির্দিষ্ট জায়গাটি “রিপ কারেন্ট” বা “উল্টো স্রোত” প্রবন এলাকা। স্থানীয় অধিবাসীদের সেইটা জানা এবং কোন পর্যটককে ওখানে দেখলে তারা পানিতে নামতে নিষেধ করে কিন্তু সবসময় সেটা জানবার সুযোগ হয় না অনেকের।
![]()
![]()
আমরা চাই অতি শীঘ্রই যেন সেখানে একটি সতর্কতামূলক নির্দেশনা সহ দ্বীপের বিপজ্জনক পয়েন্ট গুলোতে যাতে লাল পতাকা রাখা হয়। আমরা চাই না আর কোন আনন্দ যাতে বিষাদে পরিণত হোক। আমরা চাই না আর কোনও তরুন প্রান যাতে সেন্ট মার্টিন’স এ গিয়ে চলে না যায়ঃ
“দূরে ...... অনেক দূরে”।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



