.
বর্মান মুসলিম সমাজে একটি বড় সংকট বা সমস্যা হচ্ছে 'মিলাদ কিয়াম জায়েয নাকি নাজায়েয? আমি বলব,
ভাই বিষয়টা আসলে স্পর্ষকাতর। দেখুন মিলাদে
যারা কেয়াম করে তারা এটা বলেনা যে, কিয়াম
না করলে ইমান চলে যাবে কিংবা জাহান্নামে
যাবে। আবার যারা কিয়াম করেনা তারা এমন
দলীল দিতে পারবে না যে, কিয়ামকারি গুনাহে
কবীর বা বড় গুনাহ করছে কিংবা এজন্য তাকে
জাহান্নামে যেতে হবে।
.
প্রকৃত বিষয়টা হচ্ছে মিলাদ কিয়াম ইসলামের
মুল অর্থাৎ ফরজ ওয়াজিব নফল কিংবা সুন্নত
কোনটারই অন্তর্ভূক্ত নয়। এটি পালন করলে
যেমন জান্নাতের সার্টিফিকেট পাওয়ার
সম্ভাবনা নাই তেমনি না পালন করলে
জাহান্নামে যেতে হবে এমন কোন প্রমানও নেই।
.
আমি বুঝাতে চাচ্ছি এটি পালনের মাধ্যমে
যেমন কোন ফরজ, ওয়াজিব,নফল কিংবা
সুন্নাতের সাওয়াব পাওয়া যায়না ঠিক তেমনি
এটি তরক করলেও ফরজ, ওয়াজিব, নফল তরকের
গুনাহ হবে না। এটি ধর্মীয় একটি গৌন বা
ঐচ্ছিক কাজ।
.
কিন্ত ঐক্যবদ্ধ থাকা, বিভেদ না করা ইসলামের একটি অকাট্য ফরজ। দলীল:- "ওয়া' তাসিমু বিহাবলিল্লাহি
জামি'য়া। ওলা তাফার্রাকু।" অর্থ তোমরা
ঐক্যবদ্ধভাবে আল্লাহর দ্বীনকে আঁকড়ে ধর, এবং
পরষ্পর বিচ্ছিন্ন হইওনা। ( আলকুরআন)
.
মিলাদ কিয়াম আরকিছু করুক না করুক মুসলিম
সমাজে যে ঐক্যের পাটল ধরিয়েছে এতে কোন
সন্দেহ নেই। একটু ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করে
দেখেন, আমরা কত বড় বোকা! একটি গৌন বা
ঐচ্ছিক কাজ মিলাদ কিয়ামের জন্য ঐক্যবদ্ধ
থাকার মত একটি ফরজ কাজকে আমরা তরক
করছি!!!!
.
অথচ সারা বিশ্বে মুসলমানদের বর্তমান সবচেয়
বড় সম্যা ঐক্যহীনতা।
.
প্রিয় ভাই আপনারা যারা মিলাদ কিয়ামের পক্ষে অথবা বিপক্ষে যুক্তি পাল্টা যুক্তি দিচ্ছেন, হতেপারে আপনি সঠিক বলেছেন, কিন্তু
আমাদেরইতো কিছু ভাই এটাকে মানতে পারবেনা।
ফলে সুষ্টি হবে অনৈক্যের বিভেদের, যা
আমাদের কারোই কাম্য নয়।
.
মুসলমানদের মোধ্যে
অনৈক্যের সৃষ্টি করে এমন কোন কাজ ইমানদারের জন্য অন্তত কাম্য হতে পারেনা।
আমরাতো নিজেদের অনৈক্যের জন্য সারা
পৃথিবীতে মার খেয়েই যাচ্ছি অনবরত, এবার
অন্তত আমাদের বুঝার মানষ হোক।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




