---------/---///////--------------বিসমিল্রাহির রাহমানির রাহিম ---
আজ ভোর ৫ টা ৫ মিনিটের দিকে ৬.৭ মাত্রার ভূমিকম্প হয়ে গেলো। এর উৎপত্তিস্হল ভারতের মনিপুরে এ পর্যন্ত পাঁচজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বাংলাদেশে মারা গেছেন একজন, আহত শতাধিক হবে বলে মনে হয়।আহত - নিহতদের জন্য সমবেদনা ও শোক প্রকাশ করছি। ভূমিকম্পের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষনের সাথে ইসলামের চৌদ্দশত বছর পূর্বের সতর্কতা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। আমরা ইসলামের সে নির্দেশকে আমলে আনলে এ বিপর্যয় থেকে বাঁচতে পারি, অন্যতায় ভবিষ্যতের ভূমিকম্প এবং এর পরিণতি যে কেমন হবে তা আল্রাহই ভালো জানেন। আজো বড় অঘটন ঘটতে পারতো। কারণ, কম্পন যেমন বেশি ছিল, তেমনি মানুষ ছিল ঘুমে। আল্রাহ সদয় হয়েছেন, না হয় যে কী হতো জানিনা। যা হোক, আসলে এ বিপর্যয় আমাদেরই সৃস্টি। " মানুষের কৃতকর্মের দরুন সমুদ্রে ও স্হলে বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়ে -- - -"( সূরা রুম,৩০:৪১)।আসলেই এ বিপর্যয় নিজেরাই ডেকে আনি আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করে। কুরআনে করিমে, পাহাড় গুলোকে খুটি বা পেরেক বলা হয়েছে। আমরা পাহাড় কেটে মূলত এ স্হলভাগের খুঁটি কেটে নিচ্ছি।যে ঘরে থাকি তারই খুঁটি কেটে দিচ্ছি যেন ঘরটি মাথার উপর পড়ে। পৃথিবীর খুঁটি কাটার ফলে দুর্বল হয়ে পড়ছে স্হলভাগ, হারাচ্ছে এর ভারসাম্য, এক পাশ আলগা হয়ে আছড়ে পড়ছে অন্য পাশে। তাই মাঝে মাঝে এ ভূমি কেঁপে কেঁপে উঠছে। পাহাড় কাটা বন্ধ করতে হবে যে কোন মূল্যে এটা ইসলামেরই শিক্ষা, আর আধুনিক বিজ্ঞানের স্বীকৃতি। বন্ধ করতে হবে গাছ কাটা। এটাও বিপর্য়য়ের অপর কারন। ইসলাম বলেছে গাছ লাগাতে, আমরা গাছ কাটাকে অভ্যাসে পরিণত করেছি। বলা হয়েছে, " যদি তোমার হাতে একটি চারা গাছও থাকে, আর যদি জান যে, কাল কেয়ামত, এরপরও সে চারাটি তুমি লাগিয়ে দাও"। এর চেয়ে সুন্দর বৈজ্ঞানিক চেতনা আর কী হতে পারে ? এমন বৈজ্ঞানিক চেতনার ধারক -বাহক ইসলামের যথার্থ চর্চা' ই আমাদের দুনিয়া -আখেরাতের সব বিপর্যয় থেকে পরিত্রান দিবে নি: সন্দেহে। আসুন, সময় থাকতে সে পথ ধরি।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ২:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




