প্রতিবেশী দেশের সিক্রেট এজেন্টরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সদস্যবৃন্দকে ফাঁদে ফেলে (যেমন, ঘুষ প্রদান) বিতর্কিত করার চেষ্টায় নেমেছে বলে গুঞ্জন রয়েছে।
তেমন দুচারটি প্রমান দাঁড় করাতে পারলে ছাত্রজনতার আন্দোলনের মুলে মারাত্মক আঘাত লাগবে, এবং তার সুযোগ পুরোদমে নেবে পতিত স্বৈরাচার।
এ প্রেক্ষাপটে সরকারের উপদেষ্টাবৃন্দের উচিত হবে তাঁদের এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের অর্থসম্পদের হিসেব প্রকাশ করে এখন থেকেই স্বচ্ছ অবস্থান তৈরির উদ্যোগ নেয়া। নিজেদের বিতর্কমুক্ত রাখতে এর বিকল্প নেই।
বহু মানুষের রক্তে অর্জিত এ নতুন স্বাধীনতা যেন কোনভাবেই ভেস্তে না যায়।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে আগস্ট, ২০২৪ সকাল ১১:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



