প্রসঙ্গ - বহুল আলোচিত-সমালোচিত পর্নো-তারকা ইউএনও আলাউদ্দিন ।
ভেবেছিলাম বিষয়টা নিয়ে আর কিছু লিখবো না; কিন্তু, সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু বিতর্কিত কন্টেন্ট দেখে কিছু কথা না বলে স্বস্তি পাচ্ছিনা।
দেশবাসী ইতিমধ্যেই জানেন, সরকারি চাকুরী, তথা পদ-পদবীর, চরমমাত্রার অপব্যবহার করে আলোচ্য ইউএনও পর্ণ ছবি বানানোর মতো জঘন্য অপরাধ করেছেন, যা কখনো ভুক্তভোগীদের অজান্তে, আবার কখনোবা জ্ঞাতসারে। তার এ অপরাধ ক্ষমার অযোগ্য। সরকারের উচিত ছিল তাকে চাকুরী থেকে বরখাস্ত করে তার নামে নারীদের যৌন হেনস্তা ও প্রতারণা মামলা দেয়া। অদৃশ্যকারণে সেটি এখনো হয়নি; হয়তো হবেও না - বাংলাদেশ বলে কথা!
উল্লেখ্য, সরকারি চাকুরিরত থাকাবস্থায় প্রার্থীর সচ্চরিত্রবান হবার বাধ্যবাধকতা থাকে। এ কারণেই চাকুরীর নিয়োগপত্র দেবার আগে চাকুরীপ্রার্থী চরিত্রবান কিনা তা খতিয়ে দেখা হয়। বিবাহবহির্ভুত যৌন সম্পর্কে জড়িয়ে আলাউদ্দিন নিজেকে চরিত্রহীন প্রমান করেছে। ফলে, তার সরকারি চাকুরীতে বহাল থাকার যোগ্যতা আর নেই।
যাক, যে কারণে এ পোস্ট তা হলো, এক শ্রেণীর কন্টেন্ট ক্রিয়েটার দুস্কর্মের জন্য এই ইউএনও-র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে যার কারণে এ ঘটনাগুলো মানুষ জানতে পেরেছে সেই চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীটিকে দোষী বানানোর চেষ্টায় নেমেছে। তারা সুকৌশলে বলতে চাইছে, ওই কর্মচারী তার বস ইউএনও-কে ব্ল্যাকমেইল করেছে। বুঝতে কষ্ট হয়না যে, এই শ্রেণীর কন্টেন্ট ক্রিয়েটররা কোন না কোনোভাবে অপরাধী আলাউদ্দিনের আশীর্বাদপুষ্ট।
এ জাতীয় বিতর্কিত কন্টেন্ট চোখে পড়লে সেখানে কমেন্ট করে জানিয়ে দিন যে তারা নিম্নপদের ওই কর্মচারীকে দোষী সাব্যস্ত না করে যেন তাকে বরং সাহসিকতার জন্য পুরস্কৃত করার দাবি তোলে। বলা বাহুল্য, অসম সাহস না থাকলে প্রশাসনের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একজন অতি নিম্নপদের কর্মচারীর পক্ষে এমন অবস্থান নেয়া সম্ভব নয়।
বিবেকের তাড়নায় কথাগুলো বললাম।
লেখককে জানুন: https://bangla.bdnews24.com/author/em-el-gni-2

সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে মার্চ, ২০২৬ ভোর ৬:১৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


