এক সমীক্ষায় জানা যায়, বাংলাদেশে সরকারি চাকুরেদের প্রায় ৯১ শতাংশ ঘুষ গ্রহণ করে। এছাড়া, সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের অনেকেও মনে করেন বাংলাদেশে দুর্নীতি নির্মূল সম্ভব নয়; যার অর্থ দাঁড়ায়, দুর্নীতিকে আমরা নিরাময়ের অযোগ্য সামাজিক ব্যাধি হিসেবে বরণ করে নিয়েছি।
বাধ্য হয়ে দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করে নিতে হয়েছে বিধায় দুর্নীতিবাজদের কাজে লাগিয়ে সরকার চাইলে সরকারি চাকুরেদের পেছনে ব্যয় সংকোচন করতে পারে। আমার কথাটা আজব বা অবাস্তব শুনালেও পরীক্ষামূলকভাবে আমার এ পরামর্শ মাঠ পর্যায়ে প্রয়োগ করে দেখা সময়ের দাবি।
পরামর্শটা কি শুনুন এবার।
দুর্নীতির শীর্ষে যেসব ক্ষেত্র - যেমন, প্রশাসন, পুলিশ, ট্যাক্স, ভূমি, ইত্যাদি খাতের চাকুরী বেতন-ভাতামুক্ত ঘোষণা করা যেতে পারে। অর্থাৎ, এসব ফিল্ডে যারা চাকুরী করতে আগ্রহী তারা নিজ খরচে চাকুরী করবেন; সরকার থেকে কোনোপ্রকার বেতনভাতা বা অন্যান্য আর্থিক সুবিধা তাদের দেয়া হবেনা। বিজ্ঞাপন দিয়ে দেখা যেতে পারে এই শর্তে কেউ চাকুরী করতে আগ্রহী কিনা।
আমার ধারণা, উপরের কর্মক্ষেত্রগুলোতে বেতন-ভাতা ছাড়াই চাকুরী করতে আগ্রহী প্রার্থী লাখে লাখে। কারন, তাদের লক্ষ্য বেতন নয়, 'টেতন'। এমন প্রার্থীও পাওয়া যেতে পারে, যারা উল্টো সরকারকেই মাসিক ভিত্তিতে মাসোহারা দিতে রাজি হবেন। কেননা, এসব ফিল্ডের চাকুরীগুলো অনেকটা ঠিকাদারি ব্যবসার মতো। উল্লেখ্য, নয় শতাংশ যেহেতু অনেস্ট, তাদের জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষিত কোটা রাখা যায়।
বিনা বেতনে লাখে লাখে কর্মী চাকুরী করলে এ খাতে বিপুল অংকের অর্থের সাশ্রয় হবে যা দেশের উন্নয়নে কাজে লাগানো যেতে পারে। সরকারে যারা আছেন, তাঁরা আমার এ প্রস্তাব টেস্ট করে দেখবেন নাকি?
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



