somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সলিমুল্লাহর দেয়া '৬০০ একর জমি' -- ব্লগার মলাসইলমুইনা-র না বুঝে ক্যাঁচাল বাধানো

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



ব্লগার কুকরা ৩০/১/১৮ তে একটি পোস্ট দেন যার শিরোনামঃ
"পুনশ্চ: যেই ব্যক্তিটি নিজের গাঁটের ৬০০ একর জমি দিয়েছিলেন: তার নাম নবাব সলিমুল্লাহ। তাকে সবাই ভুলে গেছে।"
পোস্টটি তিনি দেন কোন রকমের তথ্য প্রমাণ ছাড়া। ফেসবুকেও এ ধরনের কিছু পোস্ট আমার নজরে আসে।

৩০/১/১৮ তে ৩০/১/১৮ তে আমি একটি পোস্ট দেই।
"ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট প্রতিষ্ঠায় নবাব সলিমুল্লাহর "৬০০ একর" জমিঃ মিথ এবং প্রকৃত তথ্য"
আমার সূত্র ছিল সরদার ফজলুল করিমের "ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও পূর্ববঙ্গীয় সমাজঃ অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাকের আলাপচারিতা" বইয়ের ১৬-১৮ পৃষ্ঠা । আমার ফোকাস ছিল নবাব সলিমুল্লাহ আসলেই ৬০০ একর জমি দিয়েছেন কিনা। নবাবের সামগ্রিক অবদান নিয়ে ফেসবুকে আমি কোনো পোস্ট দেখিনি, ব্লগার কুকরাও কিছু বলেননি, আমার পোস্ট যেহেতু তার উত্তর আমিও কিছু বলবার প্রয়োজন বোধ করিনি।

ব্লগার মলাসইলমুইনা সেই পোস্টে এসে নবাবের সামগ্রিক অবদান নিয়ে প্রশ্ন করতে লাগলেন, যা অপ্রাসঙ্গিক। ৬০০ একর জমি দিয়েছেন কি না এ ব্যাপারে উনি কিছু বলতে পারলেন না। আজ দেখলাম উনি আমাকে নিয়ে বিশাল এক পোস্ট দিয়েছেন। মজার ব্যাপার হল, ৬০০ একর জমি দেয়ার প্রশ্নের সুরাহা এখনো হল না।

সবচেয়ে বড় যেই ভুলটি সবাই করলেন তা হল, প্রয়াত জাতীয় অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাকের বলা কথা আমি যে কোট করেছি সেটা উনারা বুঝলেননা। তার কথা আমার বলে চালিয়ে দিলেন।

সেই ভুল ভাঙ্গানোর জন্য আমি বইটির উল্লিখিত দুই পৃষ্ঠা স্ক্যান করে দিচ্ছি। আপনারাই পড়ে দেখুন। সমালোচনা করলে প্রফেসর রাজ্জাকের করেন, আমার কেন? প্রফেসর রাজ্জাকের বক্তব্যের দায় আমার ঘাড়ে চাপানো কতটা যুক্তিসঙ্গত?

[অধ্যাপক রাজ্জাক আমার পরম শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি। উনি যদি ভুল বলে থকেন আপনি প্রমাণ করুন। অপ্রয়োজনীয় রেফারেন্স টানার যৌক্তিকতা কোথায়? ]

আশা করবো এই পোস্টটি সব সন্দেহ বা ভুল বোঝাবুঝি দূর করবে। ব্লগে প্রায় ৫ বছর হয়ে যাচ্ছে, এরকম উটকো ঝামেলায় কখনো পড়িনি।

আপনার সময় কোনো প্রডাক্টিভ কাজে দিন। নিজের সময় ভালভাবে ব্যবহার করুন, অন্যকে শান্তিতে কাজ করতে দিন। ভাল থাকুন।












সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:১৭
৩টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

I Have a plan / মুচলেকা দিয়ে যাওয়া এবং মুচলেকা দিয়ে ফেরত আসা সরকারের রাষ্ট্র ‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৫:৪৬





ওয়াশিংটন – যদিও তিনি এমন একটি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছেন যার বৈধতা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন রয়েছে, এবং শক্তিশালী মহলের প্ররোচনায় যাদের হস্তক্ষেপ কখনোই সন্দেহের বাইরে ছিল না, তারেক... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড় কাউকে জয়ী হতে দেয় না

লিখেছেন মুনতাসির, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১১




আমরা প্রায়ই বলি, অমুক এভারেস্ট জয় করেছেন, তমুক কে-টু জয় করেছেন, অমুক অন্নপূর্ণা জয় করেছেন। শব্দটি এতটাই প্রচলিত যে আমরা আর ভাবিই না—আসলে কি পাহাড়কে জয় করা যায়?

আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাইক্রোপ্লাস্টিক: অদৃশ্য প্লাস্টিক কীভাবে আমাদের খাবার ও শরীরে ঢুকছে?

লিখেছেন কাবিল, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:০৪


মাইক্রোপ্লাস্টিক (Microplastic) হলো খুব ছোট প্লাস্টিকের কণা। সাধারণভাবে ৫ মিলিমিটারের চেয়ে ছোট প্লাস্টিক কণাকে মাইক্রোপ্লাস্টিক বলা হয়। এর থেকেও অনেক ক্ষুদ্র কণা আছে—সেগুলোকে ন্যানোপ্লাস্টিক বলা হয়। এগুলো এত ছোট হতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এনসিপিকে মারছে কেন? (অথবা) এনসিপি মার খাচ্ছে কেন?

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৪০


(ইহা নাকি এনসিপিকে পিষিয়ে মারবে!)

এনসিপিকে মারছে কেন (?) অথবা এনসিপি মার খাচ্ছে কেন? প্রশ্ন দুটো হলেও আদতে প্রশ্ন একটাই উত্তরও একটাই। বিগত ১৫/১৬ বছর অর্থাৎ খুনি হাসিনার আমলে যাহারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই আন্দোলনের সম্ভাবনাময়, রৌদ্রোজ্জ্বল মুখগুলো ডানপন্থার অনুরাগী হচ্ছে! দায় কার?

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৩



জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সেই আইকনিক ফটো--যেখানে দেখা যাচ্ছিল একটা ভার্সিটির ফাস্ট কি সেকেন্ড ইয়ারের মেয়ে পুলিশের গাড়ি আটকাচ্ছে, ওর ভার্সিটির এক বড় ভাইকে পুলিশের গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×