এমএবি সুজন :

গত ১৮ আগষ্ট গভীর রাত ২:৩৫মি: দক্ষিণখান বাজারের চমক হোটেল মোড়ে দেখা যায় বেশ জটলা। সেখানে ৪৫-৫০ বছর বয়সী ২ সাধারণ কনস্টেবল ও ১ বিজিবি সদস্যকে উত্তেজিত অবস্থায় মারমুখী ভঙ্গিতে দেখা যায়। কাছে গিয়ে দেখি কনস্টেবলদ্বয় বেশ জনগুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য ঝাড়ছেন। দেখে মনে হলো মোবাইল কোর্ট বসিয়েছে কংদ্বয়। তাদের সাফল্যের মধ্যে ৭টি অটো রিকশা ও ৩টি ইজি বাইক আটক আছে। আটকে যাওয়া ড্রাইভারদের ভাষ্য, "যারা চাঁদা দিছে তারা খালাস পায়া চইলা স্যার আর দেহেন আমরা অত টাকা কই পাই ?" জানা গেলো থানার চাহিদামাফিক টাকা দিচ্ছেনা বলে এদের ভাগ্যে জুটছে অকথ্য গালিগালাজ, বকাবাজি ক্ষণে ক্ষণে হাতের লাঠির শক্ত-নরম আঘাত।
উল্লেখ্য যে, মোট ৩ সিপাহীর কারো বুকে পিঠে কোথাও নেইম প্লেট বা নাম লেখা নেই। এরা বেশ সচেতন পুলিশ। এভাবে গাড়ী আটক করছেন কেন জানতে চাইলে ডালডা খাওয়া কুকুরের মত তেড়ে আসে এক কনস্টেবল, "এই মিয়া আপনে কে ? আপনার কি ? জানার খুব খয়েশ থাকলে দিনের বেলা থানায় আসেন। এসি ওসি দুই স্যারের একই অর্ডার! কারণে অকারণে কেবলমাত্র চাঁদাবাজির হীনমানসে পরিবহন (সিএনজি/মটর বাইক/অটো রিকশা/ইজি বাইক) আটকের ব্যপারে দক্ষিণখান থানা বেশ পারদর্শী বর্তমানে। দেখা যায় আটককৃত এত মোটর সাইকেল রাখার স্থান সংকুলান হচ্ছেনা থানায়।
এমন চিত্র প্রতিরাতে অহরহ দৃশ্যত হচ্ছে দক্ষিণখানের প্রতিটি জনপদে। এলাকার সর্বস্তরের মানুষসহ সমাজের বিশিষ্টজনেরা মনে করেন বর্তমান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লুৎফর রহমানের যোগদানের আগের দিন পর্যন্ত দক্ষিণখান থানায় দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন প্রক্রিয়া বিদ্যমান ছিল, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ সামগ্রিক অবস্থান উজালা ছিল; ছিল শান্তি নিরাপত্তা। বিস্তারিত পত্রিকায়..........

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

