somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

চিঠি

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১০:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

নুরি,
কতদিন পর তোকে লিখছি সে হিসেব করবো না, আজ হঠাত করে কেন লিখছি সেটাও জানা নেই তবে আনন্দ ও বেদনার মিশেলে লিখতে বসেছি সেটা বলতে পারিস। আনন্দের ব্যখ্যা এটাই যে সকালে ঘুম থেকে অতি তাড়াতাড়ি উঠতে হবে ঠিক ই কিন্তু অফিস যেতে হবে না। আর বেদনার ব্যখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করছি না। জীবনে এসব হরহামেশাই হচ্ছে। আজ রাতে এখনো ডায়েরী উল্টাই নি, তোকে চিঠি লিখা শেষ হলে লিখবো। বহুদিন হলো রাত জাগি না তবে আজ সারারাত জাগতে ইচ্ছে করছে যদিও জাগতে পারবো বলে মনে হচ্ছে না। সে যাই হোক বিন্দাস আছি। ইদানীংকার মুদ্রা দোষ ‘আজব’ শব্দ টা বারবার আওড়ানো।
আত্মজীবনী যদি কখনো লিখতে বসে তোর মাধব দা তবে বেশ কিছু তারিখ আমাকে সেই বই য়ে আমাকে তাড়িয়ে বেড়াবে। সময়গুলোকে ধরে রাখার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় মনে হয় আমি ডায়েরী লিখি। সে যাই হোক গত সপ্তাহে টি এস সি যাই নি বলে মন খারাপ ছিলো, কাল সকালে ওখানে পা রেখে মন ভালো করে নিবো। তুই কি ঢাকায় পা রেখেছিস ?
ফেব্রুয়ারী চলে আসছে, তোর সাথে দেখা হবে কোন না কোন একদিন বইমেলায়। এবার খুব চাপে আছি বুঝলি। বই কিনবার জন্য অর্থ আলাদা করে গোছানো নেই, সামহাউ ম্যানেজ করে নিতে হবে। তুই অনেকদিন লিখিস না, কেন লিখিস না জিজ্ঞেস করবো না কেননা নিজেকে দিয়ে বুঝি চাইলেও অনেক সময় লিখতে পারা যায় না। সেকারণেই বলতে পারিস কবিতা আজকাল অনেক দূরে দূরে থাকে তোর মাধব দা’র কাছ থেকে।
স্মৃতিকাতর হতে নেই তবে অতীত কে ভুলতে পারা যায় না, ভালোবাসা ভুলতে পারা যায় না, ভালোবাসার মানুষ কেও ভুলতে পারা যায় না। আজ আর প্রতীক্ষা নেই, বিশ্বাস নেই তবে ভালোবাসা আছে। ওটা থাকে, ঐ আগুন নিভানো যায় না।
বয়স বাড়ছে, ইদানীংকালে ওজন ও বেড়েছে, শার্টগুলো এখন কষ্ট করে পড়তে হয়। একটি শার্ট না পড়তে পড়তে হারিয়ে যায়। একটি শাড়ি ও কেউ কেউ পড়তে পারে না কোনদিন। তবে ঐ শার্ট ও শাড়ি নিয়ে কিছু গল্প আমাদের মাঝে থেকেই যায়।
তুই কেমন আছিস সেটা এতটা সময় পর জিজ্ঞেস করছি, রাগ করিস না। সম্ভবত নিজের সব কথা বলা শেষ আজ আর সেকারণেই তোর প্রসংগ টেনে আনা। আসলে বল তো কথা কি কখনো শেষ হয় এই সাদাকালো জীবনে। কত কথাই তো আমাদের হৃদয়ের চোরাগলিতে বাস করে যা কখনোই বলতে পারা যায় না।
যাই হোক তুই ভালো থাক, পড়াশুনা কর, আনন্দে থাক, উল্লাসে জীবনের পথ পাড়ি দে।
শুভ রাত্রি।
তোর মাধব দা



সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১০:৫৫
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

।।মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনার রাস্ট্রীয় জঙ্গীবাদ।।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৮


মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনা ভারতের প্রযোজনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীদেরকে দিয়ে জঙ্গী জঙ্গী নাটক মঞ্চস্থ করতো। বহিবিশ্বকে বোঝাতো দেশে ইসলামী জঙ্গী দিয়ে ভরে গেছে এবং সেই জঙ্গীরা ইউরোপ আমেরিকার ভয়াবহ ক্ষতি করবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=শরত তুই যাস নে ! =

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৩



ভ্যাপসা গরমে নাভিশ্বাস জীবনে কেবল বৃষ্টির হাপিত্যেশ,
মেঘ বলেছে আসবো আসবো আমার উদ্দেশ,
শুভ্র মেঘেদের নাচন
উত্তাপ হাওয়ায় যায় না আর বাঁচন,
তবুও স্নিগ্ধ আবেশ মনজুড়ে,
হঠাৎ হাওয়ার ঝাপটা, বাজে পাতার বাঁশি সুরে।

বিকেলের হাওয়ায় দেহ... ...বাকিটুকু পড়ুন

১ কোটি চাকরি: শর্ত প্রযোজ্য, মেধার প্রবেশ নিষেধ !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:২৫


ভোটের আগে বলা হয়েছিল, ক্ষমতায় এলে প্রথম আঠারো মাসেই এক কোটি মানুষকে চাকরি দেওয়া হবে। কথাটা শুনে দেশের বেকার তরুণেরা তো মহাখুশি, কেউ ভাবল সরকারি চাকরি হবে, কেউ ভাবল... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্বে ঋণ খেলাপিতে বাংলাদেশ ১ নম্বর এবং দেশে ঋণ খেলাপিতে শীর্ষ ২০ জনের ১৯ জনই ওনাদের!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:০৫



শাস্ত্রীয় কথায় না গিয়ে সোজা কথায় কেউ ঋণ নিয়ে তা পরিশোধ না করলে তাকে ঋণ খেলাপি বলা হয়। আপনি জানলে অবাক হবেন যে শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপির ১৯ জনই... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কি ডার্ক জাস্টিসকে ফলো করছেন?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:১০



ছোটবেলায় দেখা একটি টিভি সিরিয়াল তুমুল জনপ্রিয় হয়েছিলো। একজন বিচারক যিনি দিনের বেলায় কোর্ট রুমে অপরাধের বিচার করতেন, আর, রাতেরবেলা আইনের ফাঁক -ফোকর গলে বেরিয়ে যাওয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

×