গাওয়ের পুসকুনির উপর বিদ্যুতের ঝিলিক-
আছড়ে পড়িয়া উবিয়া যায়।
বাউলের সুরে সুরে মেঘের সনে পাতার মিলন
বাতাস আসিয়া ভিজায় ক্ষণেক্ষণে, এই পৃথিবীর
মানুষগুলোর অনাবিষ্কৃত সৌন্দর্যে বিভোর পথিকের মন।
এমন বর্ষণে কৈ মাছেরও সাধ জাগে-
সাধ জাগে স্থলে আসিয়া কাদা মাখামাখি খেলিবে।
নাচিতে নাচিতে যত কৈ উঠিয়া পড়িলো গেয়োপথে, মানুষগুলো
বৃষ্টির রাতে সাদা ভাত আর কৈভাজা খাইবার আনন্দে,
খাঁচিতে ভরিলো তার সব।
ব্যাঙ্গেরা ব্যর্থ হইয়াও ডাকিতে থাকে তাদের প্রেমিকাকে।
গরুগুলি ছুটাছুটি করে আশ্রয়ে।
কুকুরগুলো, বিড়ালটাও।
আশ্রয়ের আশায় পথে হাটিতেছিলো গায়ের লোক।
মেঘে আর বিদ্যুতে শান্ত ধরণীর মাঠ আধার-আলোক।
এই পৃথিবীর ইতিহাস খুঁজিলে কেহ জানিবে কি!
আশ্রয় তোমার হইয়াছিলো শেষ আমার বুকের উপরই। ।
ভাবিয়া উত্তর পাইনে আমি,
তোমার দেহখানি ধারণ করিতে বুঝি-
এই পৃথিবীতে আর কোনো ক্ষেত্র অবশিষ্ঠ নেই?
ভালবাসা কি তা বুঝিনে আমি।
আমার চোখ কয়নি কথা কোনো- চোখে বর্ষণ তুমি দেখোনি?
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই মে, ২০১৬ বিকাল ৩:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




