
অপুর বিশ্বাসে আশা... "সন্তানের পরিচয় দিবি কিনা বল??? আর শাকিব খানের নিরাশা... "ভালবাসলেই ঘর বাধা যায় না"।পুরাই ছবির মতো চাঞ্চল্যকর ঘটনা আরকি।চলচ্চিত্র জগতটাই যে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে সটান দাড়িয়ে আছে শুরু থেকেই।কেউ চাপিয়া যায়,কেউ চেপে যায়,কারো ফাঁস হয়ে যায়।চলচ্চিত্রের মতোই লীলাখেলার আখড়া যেন চলচ্চিত্র জগতটাতে।
চলচ্চিত্রে উঠতে গেলে নাকি "কিছু ছাড়" দিতে হয়।কেউ "ছাড়" দিয়ে ঝেড়ে-কেশে ধেউ ধেউ করে উপরে উঠতে পারে আবার কারো "ছাড়" একেবারে ছেড়ে দেয়।যদি চলচ্চিত্রের জগতটাকে নিয়ে ভাবি তাহলে দেখা যায় এখানে জৌলুসতার অর্থাৎ গ্লামারের কারবার ।যৌবনতার জৌলুস যতটুকু ততটুকুই সে টিকে থাকতে পারে।ব্যতিক্রম গুটিকয়েক।
অমুক নায়কের সাথে তমুক নায়িকার রেষারেষি,সম্পর্কের সীমা ছাড়িয়েও ।এরকম চকমপ্রদ মাল-মসলা নিউজ অহরহই দেখতে পাই।বিনোদনের নিউজ মানেই কোন নায়কের সাথে কোন নায়িকের জোড়া লাগলো ফেবিকলের মতো আবার কোন নায়িকার সাথে কোন নায়কের সম্পর্ক ভেঙেচোরে খান খান হয়ে হয়ে গেলো।
খানের প্রসঙ্গটা তাহলে এসেই গেলো।খান কিংবা যারা চলচ্চিত্র জগতের ত্রাস তাদের ব্যাপারে বলতে গেলে..ত্রাসরা খাই খাই পার্টি।আর নায়িকারা ধেই ধেই পার্টি।
প্রশ্ন রাখা যায় শাকিব খান আর অপু বিশ্বাসের সম্পর্ক সুগভীর ছিল।সুগভীর,সুদূরপ্রসারি না হলে বাচ্চা পর্যন্ত গড়াতো না।অপু বিশ্বাসের বিশ্বাস ছিল চাকিব খান (অসম্ভব খ্যাত জ্বলন্ত জলিলের মতো আরকি) তাকে স্ত্রীর মর্যাদা দিবে কিন্তু খান সাহেব বিশ্বাসটা যে খান খান করে দিবে কে জানতো।এতদিন চাকিবের চৌকষতা চাপিয়ে রাখার পরেও যখন অপু বিশ্বাস কোন আশ্বাস পাইনি।বাধ্য হয়েছে খোলস থেকে বেরিয়ে খোলাসা করতে।তার অধিকার আদায় করতে।
প্রশ্ন জাগতেই পারে সাকিব খানের সাথে সুগভীর সম্পর্কই ছিল।সাকিব খান যে দুষ্ট-প্রকৃতির তার আবাস কি অপু পাই নাই।ওখান থেকেই কি ফিরে আসা যেত না।এতদূর গড়ালো কিভাবে।কিংবা এতদিন গোপন রাখলোই বা কেনো। নাকি গুটি-বাজি করে সন্তান পর্যন্ত ইচ্ছে করেই নিয়েছে যেন চাকিবকে গছিয়ে পাইচারি,যেন আটঘাট বেধে আটকে দিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা।নাকি নামের সাথে নাম যুক্ত করে আরো জৌলুসতা বৃদ্ধির প্রবৃদ্ধি ।
পক্ষে বিপক্ষে প্রশ্ন আসতেই পারে।কিন্তু সবচেয়ে বড় পক্ষ হলো মনুষ্যত্ব।আমাদের মনুষ্যত্ব এমন বিকারগ্রস্ত যে "খেতে রাজি,পাতে তুলতে নারাজই বটে"।ইদানিং চাকিব খানদের মতো অনেকের চাপিয়ে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে বৈ কমছে না।
চলচ্চিত্র জগতের চাকিব খানদের চাপিয়ে যাওয়ার ঘটনা চাপানোই থাকে অধিক প্রকাশিত হয় নেহাত অল্পই ।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৩:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




