somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

উপলব্ধি এবং উপভোগেই মিলে আত্নতৃপ্তি

০৫ ই মে, ২০১৭ ভোর ৪:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




আমাদের মনমানসিকতায় ধরাকে সরা জ্ঞানে যেন অব্যস্থ।চট করেই রেগে যাওয়া,হুট করেই ক্যাচাল করায় ন্যাস্ত।একটু সময় নিয়ে,একটু ভেবে যদি যেকোন কাজ করি তাহলে কাজটা টেকশই ফলপ্রুস হওয়াটাই স্বাভাবিক ।আমাদের মাঝে অস্বাভাবিক কিছু করার তাড়না বেশী।যেটা বুঝিয়ে বললে সহজেই মিটে যায়,সেটা না বুঝিয়ে জটিল করার প্রকিয়ায় ব্যস্ত হয়ে উঠি।
আমাদের উপভোগ,উপলব্ধি করার মনমানসিকতা নিন্তাত্যই তলানীতে।পৃথিবীতে সবকিছুতেই উপভোগের একটা জায়গা থাকে,সেই জায়গাটা দিন দিন সংকুঞ্চিত হচ্ছে।দিনকেদিন একঘেয়েমি,একতরফা ভাবে নিজে যা বুঝি সেই বুঝাটাকেই বড় মনে করি।এর বিপরীতে ভালো তথ্য আছে,ভালো উপকরণ আছে ভালো সমাধান যে আছে,সেটা মানতে নারাজ।
আমাদের মাঝে কোন এক বিচিত্র কারণে অবাক হওয়া ব্যাপারটার বিলুপ্তি হচ্ছে।আমরা চারপাশে অবাক হয়ে যাওয়ার অসংখ্য উপঢৌক্ষণ আছে কিন্তু উপভোগ,উপলব্ধিতে ঘুণে ধরেছে।
এই ধরা যাক গণপরিহনে আমাদের নিয়মিত যাতায়াত।আমদের জ্যামে বসে থাকা নিত্যনৈমিত্তের ব্যাপার।ছোট দেশ,ছোট মাথা সাথে অধিক জনসংখ্যার ঘনত্ব,অধিক দূর্নীতিগ্রস্তে বিধস্ত। আমাদের জ্যামে বসে থাকতেই হবে এটাই নিয়ম হয়ে দাড়িয়েছে।জ্যাম কিন্তু একদিকে ধৈর্যশীল হতে শিখায়।তারচেয়ে বড়কথা জ্যামকে কিভাবে মানিয়ে নেয়া যায় উপভোগ,উপলব্ধির মাধ্যমে।জ্যামে থাকলে আমরা জানালা দিয়ে ট্রাফিক দেখতে পারি মানুষের রাস্তাপারাপার দেখতে পারি।একটু উপভোগের কৌশলে ।মনমানসিকতা পরিবর্তন,পরিচর্যার মাধ্যমে।
ন্যায্য,ন্যায়কে...অন্যায্য,অন্যায় করলে অগ্রহণযোগ্যই বটে, তাই বলে বাসের হেল্পারকে কষে থাপ্পর দেয়া,চড়াও হয়ে কথা কাটাকাটি করে সারাদিন খিটখিটে মেজাজে থাকার কোন মানেই হয় না।
আমরা অল্পতে সন্তুষ্ট নয় ।আমাদের খাই খাই স্বাভাব।আমার যতটুকু আছে এতেই যে আমি অন্যদের চেয়ে ভালো আছি,সুখে আছি।সেদিকে দৃষ্টিভঙ্গি,কর্ণপাত দেয়ার সময় আমাদের নেই।আমরা উপরে উঠতে ব্যস্ত, নিচের দিকে ফিরে তাকানোর এতো সময় আমাদের নেই।আমারা কেনোজানি নিরর্থক আশায় মশগুল হয়ে আকাশ ছুতে চায়।সীমাহীন আকাশের সীমানা মাপতে চায়।যা নিন্তাত্যই নিরর্থক চাহিদা।
আমরা উপভোগ উপলব্ধির জায়গা সংকুঞ্চিত না করে এর ডালপালা ছড়িয়ে দিয়ে,যে,যে জায়গাতেই যতটুকু করে থেমে গেছি ততটুকু সাফল্য বলে জ্ঞাপন করে আত্নতৃপ্তির স্বাদ নিতে শিখি।

সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই মে, ২০১৭ ভোর ৪:০০
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেয়ালের ছবি আর বই এর পাতায় আধিপত্য দেখে ! অথচ বন্দর আর কড়িডোরের অসম চুক্তিতে সব শিয়ালের এক রা॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:১২


দেশ বিক্রির পরীক্ষিত ঠিকাদার....



দেয়ালের ছবি দেখলেই ভারতীয় আধিপত্য, আর বন্দর বেচে দিলে নীরবতা কেন?

দেয়ালে একটা ছবি আঁকা দেখলেই যাদের মুখে ফেনা উঠে যায় - "বাংলাদেশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মার্কিন সেনা কর্মকর্তা কর্মকর্তার মেজর নিদাল্ল হাসানের মৃত্যুদণ্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



নিদাল হাসান (পুরো নাম: নিদাল মালিক হাসান) হলেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর একজন সাবেক মেজর এবং মনোরোগ বিশেষজ্ঞ (Psychiatrist)।

২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে সংগঠিত এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপার ফিরে আসার পদ্ধতি কি?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



আপা কেন ভারতে বেড়াতে গেলেন সেটা সবাই জানে। আগামী ডিসেম্বরে আপা দেশে ফিরে আসার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সেটাও সবাই জানে। আপা কিভাবে দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গেলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×