
ইতিহাস পড়ে জানতে পারি আদি মানুষ দিগম্বর ছিল..তারপর আস্তে আস্তে মানসিক উন্নতির ফলে আস্ত মানুষে রূপ নিতে থাকে।প্রথমে আগুন জ্বলানো তারপর লজ্জা নিবারনের জন্য গাছের পাতা,ছাল-বাকল,পশুর চামড়া পরিধান করা শুরু করে।ইদানিং ফ্যাশনের যে কারিশমা চোখে পরে ছিড়া-ফারা,টোটা-ফাটা,অর্ধনগ্ন,আধো আবৃত,আধো অনাবৃত... সেটাকে গাছের পাতা,ছাল-বাকল,পশুর চামড়া পরিধানের সাথে তুলনা করলে বোধহয় ভুল হবে না।তারা কি লজ্জা নিবারনের জন্য এগুলো করছে নাকি আধুনিকতার ছোয়ায় উন্মুক্ত করে নিজেকে আকর্ষণীয় ভাবে তুলে ধরেছে।যার ফলে ফুলের মধুর আকর্ষণে মৌমাছিরা দল বেধে ছুটে আসছে...বৃদ্ধি পাচ্ছে ইভটিচিং,বাড়ছে ধর্ষণের মতো ভয়ংকর ঘটনা।
তাহলে কি ক্ষীণ মানসিকতার আদি যুগের মানুষেরাই অত্যানুধিক ছিল ??উপসস?? নিজেক আকর্ষণীয় করতে সবাই চাই তাই বলে আধুনিক যুগে আদি যুগে ফিরে যাওয়ার তো কোন মানেই হয় না।এরকম পোষাক আশাককে...কি বলে আক্ষায়িত করা যায় অতি মাত্রায় অত্যাধুনিক নাকি লজ্জা নিবারণ নাকি লজ্জা বারণ ।এগুলো যৌনক্ষুদা উসকে দেয়ার কারণ নয়কি???
ইতিহাসের পুনরাবৃতি ঘটে,পুনরাবৃতি ঘটে মানুষের সংস্কৃতি ।আধুনিক ভাবে অত্যাধুনিক সুরে।সুরে তাল মিলানোর আগে বুঝেশুনে তাল মিলানোই শ্রেয়।যদি মানসিকতার কথা বলি,তাহলে বলতে হয়...পশ্চিমা সংস্কৃতিতে টাইট ফিটিং পড়লে ওদের সমস্যা না হলেও আমাদের সংস্কৃতিতে সেটা বেমাননি বটে।কারণ তারা তাদের সংস্কৃতি দেখে অবস্থ,মানিয়েও চলছে...তাদের প্রোক্ষাপট ভিন্ন।দুটি ভিন্ন প্রেক্ষাপটের সাথে কখনো সামজ্ঞ্যতা হয় না...খাপ খায় না...এটাই স্বাভাবিক।
আমরা চায়নিজ ভাষাকে যেমন জজ্ঞাল,বিদঘুটে মনে করি,খাপ খাওয়াতে পারি না,গিলতে অসস্তিকর লাগে তেমনি পশ্চিমা সংস্কৃতি জজ্ঞালেপূর্ণ,বিদঘুটে ,আমাদের সংস্কৃতিতে গিলতে অসস্তিকর বোধ হওয়াটাই স্বাভাবিক নয়কি।
ধরি যদি যুগের সাথে গায়ে পাঙ্খা লাগিয়ে পশ্চিমা সংস্কৃতিতে গিলানো মেয়ে।সে তার মায়ের সাথে যাওয়ার পথে মেয়েটাকে যদি কেউ হট বলে সেটা কি আমরা আদৌ মানতে পারবো???কিন্তু পশ্চিমা সংস্কৃতিতে সেটা নিছক একটা কথ্য মাত্র।
তেমনি আমাদের সংস্কৃতি মানতে পারে না ছিড়া-ফারা,টোটা-ফাটা,অর্ধনগ্ন,আধো আবৃত,আধো অনাবৃত কাউকে দেখে।আমার মনে হয় এরা অসুস্থ মস্তিষ্কের ।আধুনিকতার নামে এরা অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে দিনকে দিন।
সময় এখন এদের সুস্থ পরিবেশ তৈরী করে দেয়ার নচেৎ আধুনিকার জোয়ারে ভেসে কোথায় ঠেকে কে জানে।উন্নত মস্তিষ্কে অবনতির আশঙ্খাটাই যে বেশ লক্ষ্যনীয়।আদিযুগে না হয় মানসিকতা ক্ষীণ ছিল এবং পরিধানের প্রয়োজনীয় কিছু ছিলো না বিধায় বলে গাছের পাতা,ছাল-বাকল,পশুর চামড়ায় লজ্জা নিবারণের চেষ্টা করতো কিন্তু আধুনিক যুগে,উন্নত মানসিকতায় এসেও যদি এরকম গাছের পাতা,ছাল-বাকল,পশুর চামড়ার ব্যবহার দেখায় তা দৃষ্টিকটু ,বেমানানি বটে সাথে বুদ্ধিলোপকৃত আধুনিক আবাল বলা ছাড়া উপায় নেই!
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই মে, ২০১৭ ভোর ৪:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



