somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সমুদ্র দেখা এবং লোনা জল

১৩ ই অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৮:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



বিপদগ্রস্ত এবং আনন্দ ঘন মূহূর্ত আকস্মিকতা বহন করে।বিপদ সম্মুখীনে দুমরে মুচড়ে একাকার করে ফেলে অন্যদিকে আনন্দে আনন্দের জোয়ারে ভাসিয়ে দেয়।আনন্দ এবং বিপদ দুটোর মধ্যে সময়স্ফূর্ত তফাৎটা লক্ষণীয়ই বটে।আনন্দস্মিথে সময়ের তোড়জোড় অন্যদিকে বিপদ দলবেধে ঝিমুনি খাওয়া সময়স্রুত অনন্তকালের জন্য যেন বহমান।
তিনজনের বিড়ম্বনা ছাপিয়ে চারজনের ঝটিকা ভ্রমণ কক্সবাজার।হুট করে মনের মধ্যে বৃহৎ সমুদ্র সৈকতের ন্যায় উৎফুল্লতা সেই সাথে এক ধরনের চাপা প্রফুল্লতা।বারো ঘন্টার বারোটা বাজানো বাস ভ্রমনের ক্লান্তির ছাপ যেন সাউ করেই উদাও সমুদ্রের বিশালতার কাছে।একদিকে সমুদ্রের স্রোত অন্যদিকে আনন্দের স্রোত মিলেমিশে একাকার।ট্যাবলেটকার সূর্যের ঝলমলে আলোকরশ্মির সোনালি সমুদ্রজল।সূর্যাস্তের অকৃত্রিম সৌন্দর্যের বৃভৎসতা,সমুদ্রস্নাত চাঁদের ফিনিক ফাঁটা জোৎস্না সাথে সকালমিশ্রিত সমুদ্রঘ্রাণ যেন হাজার বছর বাঁচিয়ে তুলে।শুধু বাতাস কিনে খাওয়ার জন্য হলেও সমুদ্রে যাওয়া আবশ্যিক এবং ফরজ।
দিনক্ষণ না মেপে এতো গেলো সমুদ্রের লোনা জলে মিশ্রিত আনন্দ ঘন মূহূর্তের কথা অন্যদিকে মানবিক লোনা জলের বিপদগামী বেদনাকাব্যের রোহিঙ্গাদের কথা যে বহমান।পাঁচ কিলোমিটার হাটার পর যখন চারবন্ধু মিলে একটি পাহাড়ের উঁচুতে দাড়ালাম তখন যেন নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারলাম না আমরা।পাহাড়ের পর পাহাড় রোহিঙ্গা বসতি।এতো রোহিঙ্গা! নিজেদের মধ্যে হিসেবের যেন গোলযোগ পাকিয়ে গেলো।ত্রাণ সরবহার একটা ক্যাম্পের দিকে চোখ পড়লো আমাদের।ঐ ক্যাম্পের দিকে যাওয়ার পথে একদল ছোটছোট বাচ্চাদের দল হাসিমুখে ফিরছে আমাদের দেখে তারা হাসি মুখে সালাম দিয়ে হ্যান্ডশেক করলো আমাদের সাথে।হাসির কারণ খুঁজতে গিয়ে দেখলাম তাদের গলায় কার্ড ঝুলানো।এতোক্ষণে ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে পৌছে গেছি ।নিমিষেই মনটা যেন হাহাকার করে উঠলো।মানবতা,মানবিক বিপর্যয় সব যেন উসলে উঠছে,আবেগী হয়ে উঠে।ওখান থেকে বাচ্চাদের ডেকে এনে দোকান থেকে ডেকে এনে তাদের পছন্দের খাবার কিনে দিলাম আমরা অবুঝ শিশুর চাহনিতে দুর্দশার ছাপ যেন বিষণ্ণ হয়ে উঠছে উখিয়ার পাহাড়!ফিরে আসতে আসতে আমাদের একটি কথায় মনে করিয়ে দেয়,এই বেদনাকাব্যের গল্প কবে শেষ হবে কে জানে!

সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৮:১৬
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এআই বিবেচনায় সামুর সেরা ব্লগারগণ

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৪১




সামহোয়্যার ইন ব্লগের উল্লেখযোগ্য ২০ ব্লগার
ক্রম ব্লগার যে কারণে উল্লেখযোগ্য
১ রাজীব নূর দীর্ঘ ১৬+ বছর সক্রিয়তা, বিপুল পোস্ট ও মন্তব্য, জীবনঘনিষ্ঠ লেখা
২ চাঁদগাজী/সোনাগাজী রাজনৈতিক ও সামাজিক বিশ্লেষণ,... ...বাকিটুকু পড়ুন

কেন যে এসব লাল বদর/বাঙ্গালী পাকিস্তানি (বুদ্ধিবৃত্তিক ভাবে বিকলাঙ্গ) আমাদের সাথে লাগতে আসে?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৯



১//@দেশ প্রেমিক বাঙালীঃ

তোমাদের মতো জামায়াতি লাল বদরদের/পাকিস্তানি শারমেয়দের/বরাহ শাবকদের.....

এক বছর রাখতে হবে বেলুচিস্তানে। তাহলে তাদের শৈশব থেকে ধোলাই হওয়া মগজ reset হলে হতেও পারে। reset হলে তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

=নীলাম্বরী সেজে আছি=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৩৮



এই এসো না কাছে এসো,
নীল শাড়ীতে নীলাম্বরী
ঠায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষাতে
এসে ভাসাও প্রেমের তরী।

নীল সমুদ্দুর ডেকেছে আজ
তাই দাঁড়িয়ে আছি একা
এসো তুমি হাওয়ায় উড়ে
এসে করো একটু দেখা।

হাঁটতে ইচ্ছে বালিচরে,
তুমি আমার - পাশে হাঁটবে?
মনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মূল্যস্ফীতি বাড়লে বা কমলে আমরা টের পাই না কেন ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৫১


গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের কারণে বাংলাদেশে এখন কয়টা ঋতু আছে তা কেউ বলতে পারে না। আমার মনে হয় গ্রীষ্ম আর বর্ষার একটা মিশ্র ঋতু আছে, আর আছে শীত। এই গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুহাম্মদ আলি জিন্না

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫



১৮৭৬ সালে করাচিতে এক দুষ্ট বালকের জন্ম হয়।
এবং ৭৬ বছর বয়সে দীর্ঘদিন যক্ষা রোগে ভূগে- দেশ ভাগের পরের বছর মারা যান। এই দুষ্ট বালক'ই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা। নাম তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×