

১//@দেশ প্রেমিক বাঙালীঃ
তোমাদের মতো জামায়াতি লাল বদরদের/পাকিস্তানি শারমেয়দের/বরাহ শাবকদের.....
এক বছর রাখতে হবে বেলুচিস্তানে। তাহলে তাদের শৈশব থেকে ধোলাই হওয়া মগজ reset হলে হতেও পারে। reset হলে তারা আন্দাজ করতো যে টানা পাকিস্তান আমলে টানা ২৪ বছর বাঙ্গালীরা অবাঙ্গালী পাঞ্জাবী শাসক সমাজ কর্তৃক কি পর্যায়ের বৈষম্যের শিকার ছিলো।
আরও এক বছর রাখতে হবে ভারতের কেন্দ্র শাসিত কাশ্মীর রাজ্যে। তখন তারা জামায়াতিদের কথিত বিভিন্ন ঠাকুর মার ঝুলি গল্পসমূহ (যেমন বাংলাদেশ হলো ভারতের করদ রাজ্য, puppet state, bla bla bla….) বর্তমান বাংলাদেশের মধ্যকার পার্থক্য উপলব্ধি করতে পারতো।
অবশ্য জামায়াতিরা ঐতিহাসিক ভাবে ও ঐতিহ্যগত ভাবেই গণশত্রু। এরা ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে ছিলো ব্রিটিশ সরকারের পক্ষে। পাকিস্তান আন্দোলনের সময় ছিলো পাকিস্তানের স্বাধীনতার বিরোধী। আর সর্বশেষ নিজেদের চোখে পাঞ্জাবী শাসকদের বৈষম্য, নিপীড়ন, লাঞ্ছনা, বঞ্চনা দেখার পরও তারা ছিলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী পক্ষ। শুধু আদর্শিক ভাবেই নয় সশ্রস্ত্র ভাবে বিরোধিতা করেছিলো।
সুতরাং আদর্শিক, নৈতিক, রাজনৈতিক, সামরিক সব দিক থেকেই পরাজিত একটি দল, যে তার ৭১ এর পরাজয় আজও মেনে নেয়নি সেই মানসিকতা লালনকারী হিসেবে জামায়াত সর্বদাই চেষ্টা করে যাবে বাংলাদেশকে একটা ব্যর্থ রাষ্ট্র প্রমাণ করতে।
অবশ্য রাজনৈতিক ভাবে আরও আগে থেকেই জামায়াত ছিলো একটি চূড়ান্ত ব্যর্থ দল। এদের জন্মগত মোনাফেকির কারণেই সর্বস্তরের সাধারণ জনগণের কাছে ন্যূনতম গ্রহণযোগ্যতা ছিলো না।
পাকিস্তান আমলের সর্বশেষ সেই ৭০ এর নির্বাচনে কয়টা আসন তারা পেয়েছিলো?
শয়তানকে ধর্ম শেখানো মানে ধর্মকে শয়তানিতে রূপান্তরিত করা। সুতরাং তোমাদের মতো জামায়াতিদের ধর্মের কথা শোনানো শয়তানকে ধর্ম শেখানোরই নামান্তর। (এরকম পাপের ভাগীদার হওয়া থেকে আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুক)। এরূপ শয়তানের সাথে মহা শয়তানি (এই যেমন: হিটলারের knight of long knives অথবা স্ট্যালিনের great purge) করেই সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হয়, যা দুর্ভাগ্যজনক ভাবে আজও বাস্তবায়িত হয়নি।
এরকম আরো কাঠাল পাতা প্রস্তুত আছে? খাবে?
২//@দেশ প্রেমিক বাঙালীঃ
কিরে লাল বদর, তোরা ভারতের সাত বোন নাকি দখল করে নিবি? ভারতীয় মুরগির গলা চিবাবি? কই?
তোদের পূর্ব পুরুষ আল-বদরদেরও তো সুযোগ ছিলো। আরো ভালো মতই ছিলো তোদের কথিত ব্রাহ্মন্যবাদী ভারতীয় কাফের মালাউনদের সায়েস্তা করার....
সারা জীবন এরা ভারত বিদ্বেষী কথা বলে। কিন্তু যখন এদের সুযোগ আসে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর সাথে সরাসরি যুদ্ধ করার, তখন তারা কাফের মালাউন বাহিনীর সাথে যু্দ্ধ করার সাহস করে না। উল্টো নিরস্ত্র অসামরিক বাঙ্গালীদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে হত্যা করে ফেলে রাখত সেই ৭১ এ।
আবার নাম দিয়েছে আল বদর। অথচ বদর প্রান্তরে বীর মুসলিমরা যুদ্ধ করেছিলো সশস্ত্র কাফেরদের সাথে। ইসলাম নিয়ে তামাশা করার এমন দুঃসাহস এই জামায়াতিদেরই আছে।
জামায়াতের চরিত্র বোঝার জন্য ৭১ এ আল বদর নামকরন আর সে অনুপাতে তাদের কার্যক্রম বিশ্লেষণই যথেষ্ট। মুখে যা বলে, করে তার সম্পূর্ণ বিপরীত। মুখে এক অন্তরে আরেক। ওদের নিয়ত একমাত্র আল্লাহ ছাড়া আর কারো বোঝার ক্ষমতা নেই।
এদের এ জন্যই মুনাফেক বলা হয়ে থাকে।
আরো কাঠাল পাতা লাগবে ছাগু....?
৩//@দেশ প্রেমিক বাঙালীঃ
শোন,
৭১ এ তোদের আল বদর, শান্তি কমিটির রাজাকার বাপেরা হিন্দু মুসলিম নির্বিশেষে সব বাঙ্গালী নারীদেরকে তথাকথিত সাচ্চা মুসলিম অবাঙ্গালী পাঞ্জাবী সেনাদের ক্যাম্পে তাদের দৈহিক চাহিদা মেটানোর জন্য সরবরাহ করতো। টানা ৯ মাস যাবৎ করেছিলো। এরকম নারীদের মোট সংখ্যা কতো হতে পারে?
বিজয়ের পর ঐ সকল পরিত্যাক্ত সেনা ক্যাম্প হতে হাত পা বাধা সিলিংএ ঝোলানো, দাত ভেঙ্গে ফেলা (হাত বাধা নারীরা যেন কামড়ে আত্মরক্ষার চেষ্টা না করতে পারে) ও সম্পূর্ন বিবস্ত্র (যেন নিজের কাপড় দিয়ে লাঞ্ছিত নারীরা আত্মাহুতি দিতে না পারে) অসংখ্য নারীদের উদ্ধার করেছিলো মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতের যৌথ বাহিনী। শিখ সেনারা সেই সকল অনাবৃত/বিবস্ত্র/উলঙ্গ নারীদের তাদের মাথার পাগরী খুলে আবৃত করতো। বিরাঙ্গনাদের সম্মান এভাবেই রক্ষা করতো। তারা কিন্তু মুসলিম ছিলো না।
ষুক্তি তর্কে আর ইতিহাসের জ্ঞানে যে অবস্থা তোদের, তাতে তোরা যা সর্বোচ্চ পারিস তা হলো গালি দেওয়া। আমাদের জন্য অবশ্য এসব কমপ্লিমেন্ট।
কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ
কিসের রিকন্সিলিয়েশন‼️কার সাথে কে চায় এই রিকন্সিলিয়েশন⁉️
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।









