
মোস্তফা সারোয়ার ফারুকী অব্যশই বড় মাপের পরিচালক।তার ভিন্ন ধাচের পরিচালনায় বাংলা ছবিতে পেয়েছে ভিন্ন মাত্রা।তার গল্পের প্লট,ভিন্ন মাত্রার পরিচালনা,সিনেমার ডায়লগ সব মিলিয়ে ছবিতে ভিন্ন মাত্রার ছাপ যেন খোঁজে পাই।থার্ড পারসন সিঙ্গোলার নাম্বারের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা তার তুঙ্গে।একে একে ব্যাচেলর,পিপড়া বিদ্যা,টেলিভিশন ছবিতেও তার অসাধারণ সুনিপুন দক্ষতার ছাপ উল্লেখযোগ্য।আমি একজন সাধারণ দর্শক হিসেবে তার ছবি বিশ্লেষণ করার দুঃসাহস করি না।তবে ব্যক্তিগত মতামত বলতে গেলে "ডুব" সিনেমাতে দর্শককে ডুবাতে পারিনি পরিচালক।একজন খ্যাতমান পরিচালকের সব সিনেমাই যে সুপারডুপার হিট হবে,আলোড়ন তুলবে তা তো নয়!উন্থান পতনের একটা উত্তল অবতল দিক তো থাকবেই ।
তুমুল আলোচনা সমালোচনা যে ছবিকে ঘিরে সে আকারে তুলকালাম ঘটাতে পারেনি ডুব সিনেমাটি।একরাশ আক্ষেপ নিয়ে ফিরতে হয়েছে দর্শকদের।ডুব সিনেমার সমালোচনা যে কারণে হয়েছে তা জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহম্মেদের বক্তিগত জীবনি নিয়ে।সত্যিকার অর্থে সেদিকেই দৃষ্টিগোচর করেছে পরিচালক।গল্পটা সম্পর্কে মোটামুটি অনেকের আংশিক ধারণা থাকলেও সিনেমাতে ভালোভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারেনি পরিচালক,আংশিকতাই যেন ঘিরে রয়েছে ছবিতে।ইরফান খানের বাংলা বলার অক্ষমতা, ছবিতে ক্যামেরার এঙ্গেল,ড্রোন এর ব্যবহার যর্থাথতা পায়নি।একটা শিথীলতা ভাব রয়েছে যেন পুরো ছবিতে সে কারণে দর্শকরা মনোযোগ ধরে রাখতে পারেনি।খাপছাড়া খাপছাড়া ভাব রয়েছে পুরো সিনেমা জুড়েই।ছবিতে আবেগঘন মুহূর্তগুলো কেন জানি দর্শকদের মনোযোগ এড়িয়ে গেছে।ছবিতে ক্লাইমেক্স গুলো নিন্তাতই ছেলেমানুষী মনে হয়েছে।ছবিতে শর্টের ধারাহিকতা না থাকায় দর্শদের ডুব সিনেমাতে না ডুবার একটি অন্যতম কারণও বটে।
তবে ডুব সিনেমায় ডুবে যাওয়ার মতো সিনেমার "আহার জীবন" গানটাই কেবল বিশেষত্ত্ব বহন করে।ছবির ডায়লগগুলো অসাধারণ ছিল,গল্পের প্লট ভালো ছিল,শুধু ভরাডুবি ঘটিয়েছে সিনেমা তৈরীর কাঠামোতে।ঠান্ডা মাথার বিশ্লেষণ করা আর্ট ফিল্ম খ্যাত সিনেমাটিতে দর্শকদের প্রশ্নবিদ্ধ করবে সিনেমাটির ভাবলেশ বিহীন উপস্থাপনা নিয়ে।বলা চলে একরকম তুলকালাম রটিয়ে ভরাডুবিতেই ডুবেছে "ডুব" সিনেমা।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


