তাঁদের বিচার হয়ে গেছে,যা সকলের কাম্য ছিলো।তাঁরা এখন অথিত ইতিহাসের অংশ।তাঁরা কি করেছিলেন,কতটুকূ দুষি ছিলেন সে’সব বিচার বিশ্লেষণ হতে পারে কাগজে কলমে প্রাসঙ্গিক কোনো প্রয়োজনে;কিন্তু যত্রতত্র,প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে,কটুক্তি,কুৎসা,সত্য-মিথ্যা কেচ্ছা-কাহিনী ইত্যাদি অন্যায়, অনুচিত এবং সভ্য সমাজ ও সংস্কৃতির পরিপন্থী। যুদ্ধাপরাধীর বিচারের মাধ্যমে এই বিষয়টির পরিসমাপ্তি জাতির ভবিষ্যত অগ্রগতীর প্রয়োজনে খুবই জরুরী।কারণ আমাদের আরও অনেক কাজ পড়ে আছে, অনেক দূর যেতে হবে তাই একটি বিষয় নিয়ে গোটা জাতি ব্যস্ত থাকার কোনো মানে হয় না।আরেকটি বিষয় আমাদের মনে রাখতে হবে ইসলাম ধর্ম সহ কোনো ধর্ম মৃত ব্যক্তি নিয়ে কোনোরূপ বিরূপ মন্তব্য অনুমোদন করেনা।এই ধরনের আচরণ বিবেকের কাছেও ঘৃণিত।তাঁছাড়া তাঁদের পরিবারের সদস্য বা ঘনিষ্ট আত্মিয়-স্বজন এখন শোকাহত,তাঁদের দঃখকে আরও বাড়িয়ে দেওয়ার মতো কোনো আচরণ আসলে বড় বেশি অমানবিক হবে,সুতরাং,এ’বিষয়টি সকল পক্ষ মানবিক ও ধর্মিয় দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করবেন আশা করি।বিশেষ করে স্বাধীনতার পক্ষের রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাঁদের সাধারণ কর্মী-সমর্থকদের নির্দেশ দিলে খুবই উত্তম কাজ হবে।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে নভেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



