
আমি সমাজে জারছ সন্তান হিসেবে পরিচিত।আমার জন্মের ঠিক নেই! হয়তো জন্মের কিছুদিন পড় থেকেই ট্রেনরাস্তার পাশে বড় হয়েছি। আমার মধ্যে সমাজ,জাতি,শিক্ষা বলতে কিছু নেই! সবসময় গাঁজা, ইয়াবা,ফেন্সিডিল এগুলো নিয়ে পড়ে থাকি। দিনভর যা কামাই তা দিয়ে রাত কাভার হয়ে যায়.....
গার্মেন্টসকর্মী অপ্সরার সাথে আমার প্রেম। অনেকদিন যাবত স্নান করিনা।গাঁ দিয়ে প্রচুর পরিমাণে গন্ধ। অপ্সরা বলেছিলো, বাজার থেকে ইংলিশ ব্যাকটেরিয়া নাশক সাবান কিনে নিয়ে এসে শরীলে ঘষে দেখ,সুগন্ধ ছড়াবে।আমি তাই শুনে জাতীয়বাদ নামধারী ওটা কিনে নিয়ে আসলাম।আমার ট্রেন রাস্তার পাশে একটা ছোট....কুঁড়েঘর আছে।অপ্সরার সাথে মিশে যেতে ইচ্ছা হলে এখানে চলে আসি।অপ্সরা নতুন-নতুন গাঁজা খাওয়া শিখেছে।ভালোই লাগে।মাঝেমধ্যে ঠোঁট গোল করে আমাকে লাভিউ বলে।আমি তার মাংসল পাছায় রাত বিরেতে চাপড় দিয়ে বলি... সমাজ,প্রগতি ঠিক আছে।
এলাকার ছোট ভাই কাইকর।হঠাৎ ফোন দিয়ে বলল, বড় ভাই আজকে হবে নাকী? আমি শুনে উঁচু গলায় বললাম,খানকির পোলা আগে আমার কাছে মাফ চা।তোকে সামনে পাইলে খবর করে ছাড়বো। কাইকর নিচু গলায় বলল,ভাই চ্যাতেন ক্যান?আমার বাসায় চলে আসেন তো আগে! ভরপুর আছে, ভরপেট গিলে যান।আমি আবার গালি দিতে গিয়েও দিলাম না।ইদানীং আমার মুখ দিয়ে দুবোর্ধ সব গালি বের হয়।আমি কোনকিছু না ভেবে সোজা পায়ে হেটে কাইকরের বাসায় গেলাম।রুমের মধ্যে ঢুকে দেখি,কাইকরসহ তার আরো কিছু বন্ধু গোল হয়ে বসে ইয়াবা গলাচ্ছে। আমাকে হাসি-মুখে তাদের সাথে বসালো। আমিও গলাতে থাকলাম রাজ্যের সুখে। কাইকর বলল,ভাইজান এবার কি ছোট ভাইয়ের উপর রাগ আর অভীমান আছে?আমি চিকন গলায় বললাম,না। আগে ভরপুর খেতে দে তো, পড়ে কথা হবে। হঠাৎ করে অপ্সরার ফোন আসলো। আমি চোখ লাল আর কালো ঠোঁটে তাকে বললাম,খুবউ মজা হচ্ছে চলে আসো। সে শুনে উড়াল পাখির মতো উড়াল দিতে চাইলো। কাইকর ও তার বন্ধুরা অপ্সরার আগমনী গন্ধ পেয়ে গ্রাসের মধ্যে বেশী করে মদ ঢেলে দিতে থাকে।কাইকর নিচু গলায় বলে,ভাইজান যত খুশি ইয়াবা গলান আজ।ছোট ভাইয়ের প্রতি রাগ এটার সাথে গিলে ফেলেন। কেমন যেন নিষিদ্ধ লোলুপ একটা আহবানকে সুচতুর কৌশলে ঢেকেঢুকে রাখার প্রবণতা টের পাই।
অপ্সরা ঘরে এলে ওরাই তাকে আমন্ত্রণ জানিয়ে আমার পাশে বসিয়ে দেয়।আমি মাতাল হয়ে তার শরীলের উপর ঢেলে পড়তে চাই।মাতাল কন্ঠে বলি, চুমু খাবো। অপ্সরা আমার কান্ড দেখে অবাক হয়ে যায়।লজ্জায় তার চোখ-মুখ লালচে হয়ে পড়ে।এতোগুলো মাতাল তরুণের মধ্যে লজ্জা পাবারি কথা। অপ্সরা আমার কানের কাছে এসে নিচু গলায় বলে,একটু ব্যাবস্থা করে দাও।আমি এখান থেকে চলে যাবো। কাইকর উঁচু গলায় বলে উঠলো, আপু ইতিমধ্যে ১৫ হাজার টাকা গচ্ছায় দিয়েছি। এতোদিন তো ভাইকে সুখ দিতেন।এবার একটু আমাদেরও খুশি করেন। এই বলে দাত বের করে শয়তানি হাসি হাসলো সবাই। আমি মাতাল অবস্থায় সবকিছু শুনেও শুনতে পাচ্ছিলাম না। আমি তো মাতাল হয়ে তখন চাঁন্দের দেশে ঘুরছিলাম। পিছন থেকে কাইকরের বন্ধু মদের বোতল দিয়ে, আমার মাথায় আঘাত করল সজোরে। আমি লুটে পড়লাম।দুবছর আগে গুলিস্তান থেকে কমে দামে কেনা শাটর্টা টান দিয়ে খুলে ফেললো আমার শরীল থেকে কাইকর।আমার শার্ট দিয়ে অপ্সরার হাত বাধলো। ময়লাযুক্ত গামছা অপ্সরার মুখের মধ্যে গুজে দিলো। যেন চোখের সামনে দিব্বি কোরিয়ান মুভি দেখতে পাচ্ছি। ঘন্টাদুয়েক পড় ওরা চলে গেল অপ্সরাকে ভোগ করে। রুমের মধ্যে থাকা ধারালো বঠি দাউ দিয়ে এলোপাথাড়ি কোবাতে থাকলো আমাকে অপ্সরা। বেশিরভাগ কোবগুলো আমার পিঠে আর মাথায় পড়েছিলো।
"মরেও শান্তি নেই"বলে একটা কথা আছে। এই কথার সাথে আজ মিল খুঁজে পাচ্ছি আমার। আমার কম দামী শাটর্টা আমার দিগে প্রহসনের দৃষ্টিতে তাকিয়ে হাসছে। ওটা দিয়ে খানিক আগে গোপাঙ্গন থেকে এখনো রক্ত বেরুচ্ছে মুছেছিল অপ্সরা। মধ্যরাতে রক্তের ছোপ ছোপ লেগে থাকা ঘরে লাশের মাথাটাকে কোলে নিয়ে কাঁদতে বসে।তাদের ফেলে রেখে যাওয়া মদের বোতলে বেশ কয়েকবার চুমুক দেয়।যেন যা হবার তা তো হয়েই গেছে! যাইহোক,
"মরণ আমার মন্দ নয়!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


