somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

কাইকর
অনেক বড় মাপের একজন মানুষ হতে চাই। কারণ- ভালোবাসার মানুষটির নাম ছোট্ট কোন মঞ্চে দাঁড়িয়ে থেকে বলতে চাইনা, ভালবাসার মানুষটির নাম বড় কোনো মঞ্চে দাঁড়িয়ে থেকে বলতে চাই।আই লাভ ইউ (মা)

ভয়ংকর অপ্সরা(সাইকো গল্প)

২২ শে মে, ২০১৮ রাত ৯:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



বি:দ্র: যারা কখনো সাইকো গল্প পড়েননি তারা লেখাটি এড়িয়ে যাবেন।ধন্যবাদ।





আমি নিষ্ঠুর মানুষ। আক্ষরিক অর্থেই নিষ্ঠুর। যতটা নিষ্ঠুর হলে,মানুষ হয়ে মানুষের রক্ত পাণ করা যায়।ধানমন্ডিতে একখানা বিশাল ফ্ল্যাট বাড়ী আমার।রাত বিরেতে বিদেশী মদ গিলে এসে এখানেই শয়ন করি। মাঝেসাঝে বন্ধু তপন এসে থাকে আমার সাথে। তপন আবার অপরাধ জগতের মানুষ। শহরের বড়-বড় খদ্দর ওর কাছ থাইকা মাল নেয়।গ্রামের কচি কুমারী মাইয়া বিক্রি করে তপন।

দুবছর হয়েছে আমার ও অপ্সরার সম্পর্কের বয়স।মাঝেমধ্যে মনের বাসনা জাগলে বাসায় নিয়ে আসি অপ্সরাকে।অপ্সরা খুব ভয়ানক নারী। কপালের মাঝ বরাবর কালো টিপ পড়ে। ঠোঁঠগুলো কালো।যতটা ভয়ংকর হলে,মানুষ হয়ে মানুষের রক্ত পাণ করা যায়।আমরা দুজন একই প্রকৃতির মানুষ। দুজনেই মানুষ খুন করতে ভালোবাসি।মাসে একবার করে মদ,গাঁজা,ফেন্সিডিল ও একটা কচি মাইয়া নিয়া বাড়ীতে আসর জমায়। আমি সাহিত্যচর্চা করতে অনেক ভালোবাসি। অপ্সরা প্যারালাল ও সাইকো টাইপ গল্প পড়ে খুনের বিষয়ে আরো পাকাপোক্ত হয়।অপ্সরার খুন করবার ধরনটা আমার চাইতেও ভয়ংকর। খুব কষ্ট দিয়ে তিলে তিলে মারে।অপ্সরা বেশীরভাগ খুনগুলো ১০ টাকা দামের ধারালো ব্লেড দিয়ে করে।পুরো শরীল ক্যাচ ক্যাচ করে ব্লেড দিয়ে মনের আনন্দে ফেসায়।মাঝেমধ্যে তো আবার লবণ মরিচ ব্যাবহার করে।

আজ মাসের সেইদিন।আজ আসর জমানোর দিন।তপন তিনদিন আগেই গ্রামের একটা ১২ বছরের কচি মাইয়া দিয়ে গেছে।অপ্সরা তিনদিন আগেই মাইয়াটারে বাথরুমের মধ্যে আটকাই রাখছে।আমি আর অপ্সরা খুন সচেতনভাবে শহর থাইকা গাঁজা,মদ,ইয়াবা বাসায় নিয়া আসছি। বাথরুমের দরজা খুলে দেখি,মেয়েটা পানি পিপাসায় কাতরাচ্ছে।চোখ দুইটা আগুনের মতো জলছে।আমি ঠোঁঠ বাকিয়ে হাসতে হাসতে দরজা আবার লাগিয়ে দিলাম।অপ্সরা ভঁরপুর গাঁজা আর মদ খেয়ে মাতলামি হাসা হাসতে থাকলো কিছুক্ষণ। ভয়ংকরী দৃষ্টিতে বলল,কবে থাইকা খুন করিনা।রক্ত খাইনা।আজকে ড্রাকুলা সাজবো। নিজের মাথার চুল নিজেই টেনে টেনে বলল,আমার আর শয্য হচ্ছে না।দাত কিটমিট করে বলল,তুমি আগে যাবা না আমি যাবো? আমি একটু কাঁপা ঠোঁঠে উত্তর দিলাম,তুমি যাও আগে।অপ্সরা হাতুড়ি দিয়ে মাথার খুলি ফাটাতে ভালোবাসে।বাসায় একটা সলিট রটের হাতুড়ি আছে।বাথরুম থেকে ১২ বছরের শিশু মাইয়াটারে চুল ধরে টেনে-হিছড়ে পাশের রুমে নিয়ে গেল।রক্ত পিপাসু অপ্সরা। আমি মনযোগ দিয়ে বুদ্ধদেব গুহের "মাধুকরী " উপন্যাসটা পড়ছিলাম। হ্যা,আমি এই ছোট বয়সেই চুরি করে প্রাপ্তবয়স্কদের বই পড়ছি।হঠাৎ করে অপ্সরার চিৎকার শুনতে পেলাম।অপ্সরা চিৎকার করে করে বলছে,ওই খানকির জী অমন কইরা কি দেহোস? এই বলে মাইয়াটার গালে কষে একটা চড় দিয়ে বিছানার উপর ফেলে দিলো। আমি একটু মৃদু হেসে,বুদ্ধদেব গুহের মনটাকে পড়তে থাকলাম।কিছুক্ষণ পড় পাশের রুমে উঁকি দিয়ে দেখি,অপ্সরা মেয়েটার চুলগুলো ব্লেড দিয়ে ছেটে ফেলছে।ঘাড় কাৎ করে পড়ে রয়েছে বিছানায় মেয়টা।অপ্সরা মেয়েটার নেড়ে মাথায় ব্লেড দিয়ে ক্যাচ ক্যাচ করে টান মারছে। বোধহয় কোন দেশের মানচিত্র আকঁছে।হঠাৎ করে কি মনে হয়ে অপ্সরা ড্রাকুলা সেজে ঘাড়ের মধ্যে সবকটি দাত বসিয়ে দিয়ে রক্ত চুষা শুরু করলো। মেয়েটার পা কই মাছের মতো ছটফট করছে।আমি আর আজ অপ্সরাকে বিরক্ত করবো না। দেখেই তৃপ্তি পাচ্ছি।পকেট থেকে একটা বাংলাদেশি বেনসন বের করে ধরালাম। কষে কষে তিনটা টান দিলাম।অপ্সরা রক্ত মুখে উঠে বসলো।খুব সুন্দর লাগছিলো দেখতে।আমার আবার রক্ত মাখা মুখ দেখতে ভাল লাগে।মেয়েটার চোখ দিয়ে গড়িয়ে গড়িয়ে পানি পড়ছে। অপ্সরা প্যাকেট থেকে নতুন ব্লেড বের করে, মেয়েটার নাকের মধ্যে ফেসাতে লাগলো। নাক থেকে রক্ত ছিটে ছিটে নিচে পড়তেছিলো।অপ্সরা অকথ্য ভাষায় মেয়েটাকে গালি দিতে দিতে মেয়েটার গাঁয়ে থেকে টান মেরে জামা খুলে ফেললো।ব্লেড দিয়ে পুরো শরীলে রবীঠাকুরের দাড়ি আঁকতে থাকলো।পিঠের মধ্যে ভড় দিয়ে দিয়ে ব্লেড ক্যাচ ক্যাচ করে ঢুকিয়ে দিলো। মেয়েটা শয্য না করতে পেরে বিছানায় কামুড় নিয়ে ধরলো। শরীল থেকে চুয়ে চুয়ে রক্ত ঝরছে। অপ্সরা কাটা গাঁয়ে লবণ আর মরিচ ছিটিয়ে দিলো। মেয়েটা শয্য না করতে পেরে পুরো শরীলের শক্তি দিয়ে উঠে বসলো। মরার আগে হয়তো সবার মধ্যেই এরকম শক্তির উদয় হয়।পুরো শরীল থেকে রক্ত ছড়ছে। অপ্সরা সবকটি হলুদ দাত বের করে মাতাল হাসা হাসতে থাকলো। যেন এখানেই সব তৃপ্তি, এখানেই সুখ। পায়ের পাতাগুলো ব্লেড দিয়ে ক্যাচ ক্যাচ করে কেটে ফেলে দিলো। মেজের মধ্যে পায়ের পাতাগুলো মাছের মতো লাফাচ্ছিলো।যেন সবেমাত্র কেউ জাল দিয়ে মাছ ধরে নিয়ে এসে ফেলে রেখেছে।অপ্সরার পুরো শরীলে রক্তের ছোপ।দুহাত দিয়ে মোচড় দিয়ে ঘাড়টা কট করে ভেংগে দিয়ে অন্যপাশে দিয়ে দিলো।তারপর সলিট রডের হাতুড়ি দিয়ে মাথার খুলিড় উপর গুনে গুনে তিনটা বাড়ি দিলো।মাথা থেকে মগজ বের হতে থাকলো চুয়ে চুয়ে।


অপ্সরা রক্তমাখা মুখে ভয়ানক অবস্থায় আমার সামনে এসে দাঁড়ালো। আমরা দুজন দুজনার চোখের দিগে তাকিয়ে কিছুক্ষণ শয়তানী হাসা হাসলাম।যেন কিছুক্ষণ আগে আমরা কোন যুদ্ধের ময়দান থেকে জয়লাভ করে এসেছি। অপ্সরার শরীলে লেগে থাকা মানবীক রক্তটুকুন আমি চ্যাটে পুটে খেয়ে নিলাম।অপ্সরার কালো ঠোঁঠে রক্তের ছোপ ছোপ লেগে আছে। আমি কাপাঁ ঠোঁঠে তার ঠোঁঠের মধ্যে পুরে দিয়ে রক্তটুকুন খেয়ে নিলাম।তৃপ্তির একটা শ্বাস ফেলে ওয়াস রুমে স্নান করতে ঢুকলাম। ডেটল সাবান দিয়ে খুব করে ঘষে-টষে শরীলে লেগে থাকা মানবীক রক্ত ধুয়ে নিলাম। স্নান করে বের হয়ে এসে অপ্সরা বায়না করলো, টম এন্ড জেরি নামে যে একটা কার্টুন সিরিয়াল সেটা দেখবে।মাঝেমধ্যে অপ্সরার ছোট মানুষী দেখে মনে হয়, সবকিছু ছেড়ে গ্রামে গিয়ে ছোট বাচ্চাদের বাংলা প্রাইভেট পড়াই।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে মে, ২০১৮ রাত ৯:৪৩
২০টি মন্তব্য ২০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নদীর টানে, সবুজের গানে

লিখেছেন মাকার মাহিতা, ২৬ শে জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৫

বয়ে চলে নদী দূর হতে দূরে,
অনন্তকালের শান্ত এক সুরে।
তার দুই কূলে রূপের মেলা,
সবুজ প্রকৃতির মিষ্টি খেলা।
হাওয়ায় দোলে ঘাস আর বন,
আকাশের সাথে মেলায় মন।
নদীর জলে আলোর ঝিলিক,
বাতাসে মেশে পাখির কিচিরমিচির।
গাছের ছায়ায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

"এ ট্রাজেডি অর ট্রাজেক্টরি অফ লাভ" (পর্ব-৩)

লিখেছেন তাহমিদ রহমান, ২৬ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:০৩

৩. নিষিদ্ধ স্বর্গ


পরদিন দুপুরবেলা। ইলির আকাশ আজ কিছুটা পরিষ্কার, মেঘের ফাঁক দিয়ে ফ্যাকাশে রোদ উঁকি দিচ্ছে।
ক্লারা তার ট্রাভেল এজেন্সির অফিসের ডেস্কে বসে কফি খাচ্ছিল। গতকাল ব্যাংকের সেই তরুণ এশীয় অফিসারটির... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফ্যাসিবাদের দোসর কোনো সাংবাদিককে কেনো আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে শাস্তি দিচ্ছে না?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৬ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:৪৭

ফ্যাসিবাদের দোসর কোনো সাংবাদিককে এখনো আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে শাস্তি দিচ্ছে না কেন?

মানবাধিকার সংস্থা Odhikar আয়োজিত Human Rights Abuses and Access to Justice for Victims বিষয়ক সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন আইন... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রেরণা

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ২৬ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:৫৬

প্রেরণা
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

যখন জানতে পেরেছি
পড় তোমার প্রভুর নামে
যখন জানতে পেরেছি
যে জানে আর যে জানে না
তারা কখনো সমান না
উক্ত বাণীতে পাই অত্যন্ত প্রেরণা।
শুরু করি পড়াশোনা খুব
জাগে জ্ঞানের প্রতি অনুরাগ।
ইচ্ছে জাগে দর্শনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

একজন শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের মর্যাদা কয়েক সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে মাপা যায় না...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৭ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৬



একজন শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের মর্যাদা কয়েক সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে মাপা যায় না...

বিউটি রাণী পালঃ ২০২৬ সালে সিলেট জেলার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। একটি জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হওয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

×