রাজনীতিকরা সংসারের প্রতি অর্থাৎ নিজ নিজ পরিবারের সদস্যদের প্রতি ঠিক কতোটা মনোযোগী?বাবা-মা হিসেবে সন্তানদের, স্বামী বা স্ত্রী হিসেবে সঙ্গীকে কতোটুকু কোয়ালিটি সময় দেন বা দিতে পারেন? বাংলাদেশে এসব নিয়ে কখনও কথাবার্তা বলতে শোনা যায় না।সম্প্রতি টরন্টো স্টারে ঠিক এই ধরনের একটি রিপোর্ট পড়তে পড়তে প্রশ্নটা মনে জাগলো।
লিবারেল সরকারের প্রথম ১০০ দিনে জাস্টিন ট্রুডোর ক্যাবিনেটের কয়েকজন মন্ত্রীর সঙ্গে টরন্টো স্টার কথা বলেছে, তাদের পারিবারিক জীবন নিয়ে।দায়িত্ব পরিবারের মধ্যে কিভাবে তারা সমন্বয় করেন।
একজন কেবিনেট মন্ত্রী বিকেল সাড়ে ৫টার মধ্যে ঘরে ফিরে যাবেন-সন্তানদের হোমওয়ার্ক করাবেন, রাতে স্বামী সন্তানদের নিয়ে এক সাথে বসে ডিনার করবেন-প্রতিদিনকার রুটিন হিসেবে এটা কঠিন। কিন্তু কোনো মন্ত্রী যখন এই রুটিনটাকেই আঁকড়ে ধরতে চান-তখন বিস্মিত হতে হয় বৈকি।
মানুষ হিসেবে যিনি পরিবারের প্রতি দায়িত্বশীল ও মনোযোগী হতে পারেন না, তিনি তো দেশের নাগরিকদের প্রতিও মনোযোগী বা দায়িত্বশীল হবেন না। হওয়া সম্ভবও নয়। বাংলাদেশের রাজনীতিকরা রাজনীতি করতে গিয়ে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন সময় কাটান বলেই সম্ভবত অধিকাংশ রাজনীতিকের মধ্যে ঠিক দেশপ্রেম, মানবপ্রেমও গড়ে ওঠে না।

সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৫:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




