
জোর জবরদস্তি,
উঠিত লিঙ্গের দুই মিনিটের সুখ
তারপর ???
গরম, মাথা গরম।
কোপ, কল্লা মাথা আলাদা,
শেষ, নিথর নিশ্চুপ দেহ,
খণ্ডিত ছিন্নভিন্ন।
লাল রক্ত কালচে হওয়ার আগেই হন্তারকের পলায়ন (সকলের সম্মুখেই)।
ধর্ষকের গ্রেপ্তার হইলো,
জবানবন্দি দিলো
''আমি স্বইচ্ছায় তাহাকে জোড় করিয়া ধর্ষণ করিয়াছি ,তারপর হত্যা করিয়াছি।''
কিছুটা স্বস্তি, ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই স্লোগান,
কয়েকটা সংগঠন এগিয়ে এলো তাদের নাম ধাম জানানোর জন্য,
ফেসবুক, ইউ টিউব গরম হয়ে গেলো (ঠিক যেমন গরম হয়েছিল ধর্ষকের লিঙ্গ)
তারপর শেষ, গলগলাইয়া বীর্য বের হওয়ার পরের মুহূর্তের মতো নিস্তেজ হয়ে গেলো সবকিছু,
নুন আনিতে পান্তা ফুরানো জনগণ নিজের আহার জোগাড়ে বাধ্যতামূলকভাবে মনোনিবেশ করিলো।
আড়াল থেকে শুয়োরের বাচ্চারা বিড়বিড় করিতে লাগিল,
''ফাঁসি চাই। ফাঁসি চাই।
একটা আসামির ফাঁসি হইলে কয়টা পরিবারের পেটে লাত্থি পরে
তোরা কি তা জানোস?''
আইন কানুন বুঝোস?
মূর্খের দল।
গলাবাজি করোস।''
তদন্ত তদন্ত খেলা,
খতিয়ে দেখা কমিটি,
কালো কোটের শিয়াল মামা,
জজ কোটের বড় মিয়া,
সবাই যে না খেয়ে মরবে,
নীল পোশাকের দারোগা বাবুর দৈনিকের বাজার খরচের দিকে নজর দিছোস তোরা।
আসামি আমাদের লক্ষী।
ওদিকে বুনো শুয়োরগুলো সংবিধানের ধারা পড়ছে,
এদিকে মানুষ অবলীলায় মরছে,
চোখ রাঙানি দিয়ে বলছে, জনগণ আমাদের সাথে আছে।
জনগণ সবার সাথেই থাকে,
কিন্তু কখন যে কাকে লাত্থি দিয়ে দৌড়ানি দেয় তা সময় বলে দেয়।
হে বিচার বিভাগ তুমি যে কবে স্বাধীন হবে ?
তোমার পশ্চাতে দেওয়া রাজনৈতিক লিঙ্গগুলো কবে বের হবে ?
কবে দেখবো তুমি সংবিধান শেখানো হায়েনাগুলোকে সজোরে থাপ্পড় দিয়ে বলছো
''জনগণের জন্য সংবিধান, সংবিধানের জন্য জনগণ নয় ''।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
.jpg)



