
রামপাল উপজেলার কাদিরখোলা গ্রামে জন্ম নেওয়া ছোট্ট শিশুটির শৈশব এবং কৈশোর বেড়ে ওঠে খুলনা শহরে।
২০১২ সালে মাধ্যমিক স্কুলে অধ্যায়নরত অবস্থায় কম্পিউটার টেকনোলজির মাধ্যমে তার প্রথম যাত্রা শুরু হয়। অভিজ্ঞতার পাল্লা ভারি করতে তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সফটওয়্যার এবং প্রোগ্রামের সাথে পরিচিতি লাভের মাধ্যমে আস্তে আস্তে তিনি একজন এথিকাল হ্যাকারে পরিণত হতে শুরু করেন। শেখার বয়সটাকে আরও বেশি অর্থবহ করে তুলতে কম্পিউটার প্রোগ্রামের সঙ্গেই লেগে থাকতেন তিনি।
মোঃ আলামিন শেখ ১৭ অক্টোবর ২০১৫ সালে প্রথম বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত করেন বাংলাদেশী এথিকাল হ্যাকার কমিউনিটি, এভাবে চলতে থাকে তার পথচলা। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সাইবার নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগ দিয়েছেন তার টিমে এবং কাজ শেখানোর মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষকে বিভিন্ন রকমের সেবা দেওয়ার মাধ্যমে তিনি দেশের মানুষের কাছে পরিচিতি লাভ করেন।
এখনকার সময়গুলোও তাকে খুব একটা অবসর দেয় না। সময় পেলেই বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রোগ্রাম তৈরী করেন আগামী প্রজন্মের জন্য এবং সর্বদা প্রস্তুত থাকেন বাংলাদেশকে সাইবার হামলার হাত থেকে নিরাপদে রাখতে।
সামাজিক সংগঠনের কাজের মাধ্যমে সাইবার নিরাপত্তাও দিয়ে থাকেন তিনি। ভবিষ্যতেও তিনি কাজের মাঝেই থাকতে চান। স্বপ্ন দেখেন, একদিন প্রতিষ্ঠিত প্রযুক্তিবিদ হিসেবেই নিজে গড়ে তুলবেন। রামপাল উপজেলার কাদিরখোলা গ্রামে জন্ম নেওয়া ছোট্ট শিশুটির শৈশব এবং কৈশোর বেড়ে ওঠে খুলনা শহরে।
২০১২ সালে মাধ্যমিক স্কুলে অধ্যায়নরত অবস্থায় কম্পিউটার টেকনোলজির মাধ্যমে তার প্রথম যাত্রা শুরু হয়। অভিজ্ঞতার পাল্লা ভারি করতে তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সফটওয়্যার এবং প্রোগ্রামের সাথে পরিচিতি লাভের মাধ্যমে আস্তে আস্তে তিনি একজন এথিকাল হ্যাকারে পরিণত হতে শুরু করেন। শেখার বয়সটাকে আরও বেশি অর্থবহ করে তুলতে কম্পিউটার প্রোগ্রামের সঙ্গেই লেগে থাকতেন তিনি।
মোঃ আলামিন শেখ ১৭ অক্টোবর ২০১৫ সালে প্রথম বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত করেন বাংলাদেশী এথিকাল হ্যাকার কমিউনিটি, এভাবে চলতে থাকে তার পথচলা। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সাইবার নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগ দিয়েছেন তার টিমে এবং কাজ শেখানোর মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষকে বিভিন্ন রকমের সেবা দেওয়ার মাধ্যমে তিনি দেশের মানুষের কাছে পরিচিতি লাভ করেন।
এখনকার সময়গুলোও তাকে খুব একটা অবসর দেয় না। সময় পেলেই বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রোগ্রাম তৈরী করেন আগামী প্রজন্মের জন্য এবং সর্বদা প্রস্তুত থাকেন বাংলাদেশকে সাইবার হামলার হাত থেকে নিরাপদে রাখতে।
সামাজিক সংগঠনের কাজের মাধ্যমে সাইবার নিরাপত্তাও দিয়ে থাকেন তিনি। ভবিষ্যতেও তিনি কাজের মাঝেই থাকতে চান। স্বপ্ন দেখেন, একদিন প্রতিষ্ঠিত প্রযুক্তিবিদ হিসেবেই নিজে গড়ে তুলবেন।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সকাল ১১:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


