জন্মজন্মান্তরে,
পাখির মতো যাযাবর
অামিও থাকিনি ঘরে,
ঘোড়ার পিঠে বেঁধেছি ঘর
খুরের ঘর্ষণ পাথরে, যে
আগুন জ্বলে, সে
আগুনে নিজেকে পোড়াই-
পুড়ি দিনের পরে রাত,
রাতের পরে দিন
লোকসমাগমহীন, যেনো
এক তালকানা ঘুড়ি,
এভাবেই উড়ি-উড়ি পাখি
সত্যিই উড়ে যাই অার উড়ে
উড়ে, উড়ে যাওয়া উড়ন্ত
ধোঁয়া খাই শরৎ-হেমন্ত-বসন্ত-
গ্রীষ্ম বা বরষায়,
তথায়,
আমিও উড়ে যাই, উড়িয়া
উড়িয়া এখানে সেখানে
জঙ্গলে রণে বনে
এলোমেলো চেতনে
দূর নীলিমায়
পৌছাই
সেই থেকে তোমাতে-আমাতে
আমাদের দূরত্ব বেড়ে যায় ঢের,
আরও দূরত্ব কেবলই যদি ফের
বেড়ে যায়, হায় হায় হায়
জঙ্গলে রণে বনে আহা!
মিলিব কেমনে?এই যে
পৃধিবীতে কোথাও তুমি নেই,
সেই যে পৃিথবীতে কোথাও
আমি নেই~নিভৃতে গিয়েছি
অন্ধকার ঘর থেকে পরস্পর
ঘরহীন বউ বর দু'জনাই
আধিপত্যের পৃথিবীতে
হতভাগা আমরা তারাই
ঘোড়ার পিঠে বেঁধেছি ঘর
যাযাবর, যাযাবর আমরা
চলে যাই তরতরিয়ে শুধু
এইদিকে অইদিকে ধু ধু
ধু ধু বালুচর, মাঠ, জঙ্গলগড়
নিস্তব্ধতা ভেঙে ঘর
হায!
পথ নেই বলে ঠায়,
দাঁড়িয়ে রয়েছো কেউ
কোথাও না কোথাও,
আমি আজ জেনে গেছি!
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



