স্থপতি সৈয়দ মইনুল হোসেন’র পারিবারিক ইতিহাসের একটি অংশ কেন বলা হচ্ছে না ?
হ্যাঁ, চলেই গেলেন স্থপতি সৈয়দ মইনুল হোসেন, তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের রূপকার ও স্থপতি। তাঁর সম্পর্কে পারিবারিক ইতিহাসের একটি অংশ বলা হচ্ছে না, হয়তো হবেও না কিন্তু আমরা খন্ডিত ইতিহাস চাই না।
অত্যন্ত গর্বের সাথে বলছি, সৈয়দ মইনুল হোসেন ছিলেন ‘ঘুমিয়ে আছেন শিশুর পিতা সব শিশুরই অন্তরে’ প্রবাদবাক্যে রূপ পাওয়া এ কবিতার লেখক, বিশ্বনবী’র রচয়িতা কবি গোলাম মোস্তফার নাতি ছেলে। এ কবির বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকুপার মনোহরপুর গ্রামে। বিটিভি’র নন্দিত শিশুতোষ অনুষ্ঠান নতুন কুঁড়ি’র থিম সং এর সুরকার ও গীতিকার ছিলেন গোলাম মোস্তফা।
কবি গোলাম মোস্তফার ছোট মেয়ে রাশিদা হকের ছেলে স্থপতি সৈয়দ মইনুল হোসেন। আর তাঁর মামা প্রখ্যাত শিল্পী, ভাষা সৈনিক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক একের ভেতর বহু গুণের অধিকারী মুস্তাফা মনোয়ার। আরেক মামা প্রখ্যাত স্কেচ শিল্পী মুস্তাফা আজিজ। যার শিল্পকর্ম জাতীয় যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে, গ্রামেও আছে চিত্রশালা, দুর্ভিক্ষকবলিত আর অনাহারী মানুষের মুখ দু এক টানেই তুলে আনতেন নিজের ক্যানভাসে। আনোয়ার হোসেন নামে তাঁর এক মামা ছিলেন পাইলট। খালা হাসনা, হেনা সহ অন্যরাও ছিলেন স্ব স্ব গুণের অধিকারী, ঢাকার মৌচাকে মনিমুকুর নামে গানের স্কুল রয়েছে। সৈয়দ মইনুলের খালাত বোন ফাহ্মিদা মজিদ মঞ্জুও কবি, আরেক বোন নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির লেকচারার, তিনিও কাজ করেন প্রতিবন্ধীদের নিয়ে। অর্থাৎ প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম বিভিন্ন প্রতিভার অধিকারী এই পরিবার। এসবের কিছুই কি আসবে না গণমাধ্যমে?
এর পরের বর্তমান অংশ হচ্ছে...এখন বা আজ( ১০ নভেম্বর,২০১৪ইং) সৈয়দ মইনুল হোসেন এঁর মৃত্যু নিয়ে গণমাধ্যমে যা বলা হচ্ছে......জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি সৈয়দ মইনুল হোসেন আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাহে রাজিউন)। সোমবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জাতীয় হৃদরোগ ইনিষ্টিটিউট হাসপাতালে তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়ে ছিলো ৬২ বছর।জাতীয় স্মৃতিসৌধ ছাড়াও অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নকশা করেন এই প্রকৌশলী। ১৯৭৬ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত সৈয়দ মইনুল হোসেন ৩৮টি বড় বড় স্থাপনার নকশা করেন।স্থপতি সৈয়দ মইনুল হোসেনের জন্ম ১৯৫২ সালের ৫ মে। তিনি মুন্সীগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ীর দামপাড়া গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। তার বাবার নাম মুজিবুল হক। ১৯৭০ সালে তিনি ভর্তি হন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্যবিদ্যা বিভাগে। ১৯৭৬ সালে তিনি প্রথম শ্রেণীতে স্থাপত্যবিদ্যায় স্নাতক ডিগ্রি আর্জন করেন।১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত বিভাগ মুক্তিযুদ্ধের ত্রিশ লাখ শহীদের স্মৃতি ধরে রাখার জন্য সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করে এর নকশা আহ্বান করেন। অন্যদের মতো স্থপতি মইনুল স্মৃতিসৌধের নকশা জমা দেন। ১৭-১৮ জন প্রতিযোগীর মধ্যে তিনি প্রথম হয়ে ২০ হাজার টাকা পুরস্কার পান। তার করা নকশা অনুসারে সাভারে নির্মিত হয় জাতীয় স্মৃতিসৌ
বাংলাদেশের জন্মগ্রহণ কি আজন্ম পাপ?
রাষ্ট্রের নিরাপত্তা আছে, জনগণের নিরাপত্তা কোথায়?
বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে কি নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকারটুকুও আমাদের নেই? সরকার ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তায় গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর থাকে। কিন্তু সাধারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন
অনেকটা পথ হেঁটে এসেছি

১৯৯৭ সাল।
আমি তখন ক্লাস নাইনে পড়ি।
স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে মামুন ভাইয়ের একটা অডিও ক্যাসেটের দোকান ছিল। পাশেই মির্জা ভাইয়ের কনফেকশনারি। টিফিনের সময় ওখানে প্যাটিস খেতাম।
সেই সময় অডিও ক্যাসেটের... ...বাকিটুকু পড়ুন
দেশটাতো এখন রাজাকারদের....

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে বাদী ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারী (৮৭)। মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার দেওয়ার প্রস্তুতি চলার সময় জামাতের... ...বাকিটুকু পড়ুন
মাদ্রাসা শিক্ষা একটা কর্মবিমুখ শিক্ষা
এদেশের মাদ্রাসা শিক্ষারে আপনি একটা স্ক্যাম হিসেবে ধরতে পারেন। মাদ্রাসার বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে যে মাদ্রাসাগুলো আছে সেগুলো বাদ দিয়ে অন্য সব মাদ্রাসাই এই স্ক্যামের ভেতরে। এটা একটা ভিক্ষার সাইকেল, দারিদ্র্য'র দুষ্টু... ...বাকিটুকু পড়ুন
জিম করা কি হারাম?

জিম করা কি হারাম?
হ্যাঁ, জিম করা হারাম!
যদি জিমে গিয়ে নিজের পেশিবহুল বাহুডোরে কোনো ললনাকে জড়িয়ে ধরেন!
কিন্তু তারপরেও কথা থাকে।
এখানে জড়িয়ে ধরাটা হারাম। জিম করাটা নয়!
অর্থাৎ, জিমে গিয়ে শরীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।