আমরা আজ নিজেদেরকেই নিজেরা ঠিকমতো বুঝে উঠতে পারিনা, সেখানে নিজ প্রজাতির বহুরূপী মানুষ গুলোকে কিভাবে বুঝবো! নিজেদের নিয়েই ব্যস্ত আজ আমরা, 'মানবতা' শব্দটি শিঁকেয় তুলে রেখেছি হয়তো অনেক আগেই। তবুও রোজ মানবতার বুলি আউড়ে যায়। আর মানবতা লঙ্ঘন? সে তো আমরাই করি! কি হচ্ছে এসব! মা তার নিজ সন্তানকে হত্যা করে, পিতা তার নবজাতক শিশুর মুখে এসিড ঢেলে দেয়... ইত্যাদি ইত্যাদি! তবে কি আমরা দুর্বোধ্য হয়ে যাচ্ছি?? এখন আর হাসতে পারিনা আমরা কেউ। শুকনো হাসির অভিনয় করে যায় কেউ কেউ। কারও হাসির কারনও হতে পারিনা; সবার বুকের ভিতর কি এক চাঁপা অদৃশ্য কষ্ট ভর করে আছে। তবুও মুখে মৃদু হাসি রেখে সুখে থাকার অভিনয় করে যায় প্রায় সবাই। খিলখিলে হাসিগুলো হচ্ছে বিলীন, হয়তো হয়ে গেছে। কারও দুঃখে কাতর হওয়া, এখন আর আসেনা। কারও ব্যথা ছুঁয়ে দেখবো? পাছে আমার যদি লাগে! ব্যথা ছোঁয়ার রূপকাঠি টা হারিয়ে ফেলেছি সে অনেক আগেই। খোঁজার সামর্থ্য নেই আর এখন। এখন কেউ আর কারও উপর নিশ্চিন্ত ভরসা রাখে না, বিশ্বাস... সে তো যাদুঘরে মনে হয়! দিনেদিনে পরিণত হচ্ছি ভরসাহীন পিশাচে। শান্তনা বাক্য হয়ে ধরে রাখা হাত গুলো আজ মুষ্টিবদ্ধ। ঐ হাতে আর মলিনতা নেই, আছে খসখসে কিছু অনুভূতি মাত্র। প্রিয় মানুষের চোখের ভাষা আজ কি আর কেউ পড়তে পারে? আস্তে আস্তে চোখের ভাষা ভুলে যাচ্ছি আমরা, প্রতিটি ক্ষন প্রতিটি মুহূর্তের নির্মল মধুরতা হারিয়ে ফেলছি, এখন আর উচ্ছ্বাসে হাসি আসে না, আসে না অভিমানের অস্ফুট কান্না। মন নামের অদৃশ্য বস্তুটি আজ সত্যিই রহস্য হয়ে যাচ্ছে!!
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই মার্চ, ২০১৬ বিকাল ৩:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




