অবষেশে লাক্স চ্যানেল আই চামড়া প্রতিযোগিতার পতিতাবৃত্তির চুড়ান্ত নিলাম! ও গান্জা বৃত্তান্ত!
সংধারী মেয়েটি হয়ে যায় অলীক স্বপ্নে বিভোর- টাকা কামাইয়ের লোভে, পরিচিতি পাওয়ার লোভে, সমাজের কথিত উপরের লেবেলে উঠার লোভে। যার ফলশ্রুতিতে সংধারী মেয়েটি যে কোনো অনৈতিক প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে জড়িয়ে পড়ে পতিতাবৃত্তিতে। দু’একটা উদাহরণ দিলে আরো পরিষ্কার বোঝা যাবে। যেমন প্রতিযোগিতা শেষে অনেক মডেলিং হাউস সংধারী মেয়ের ফোন নম্বরে কল করে জানায় অমুক দিন ফটোশুটিংয়ের কাজ আছে কিংবা বিজ্ঞাপনের কাজ আছে সে করবে কিনা?
স্বাভাবিকভাবে সংধারী মেয়েটি সেখানে যায় এবং অংশগ্রহণ করে। সম্পূর্ণ বিনে পয়সায়। কিন্তু যে করায় সে ঠিকই টাকা কামায়। দু’এক দিন পর ওই ফটোগ্রাফার কিংবা বিজ্ঞাপন পরিচালক জানায়, তোমাকে তো অনেক সুন্দর লেগেছে। আমি চাইলেই তোমাকে অনেক উপরে উঠিয়ে দিতে পারবো। কিন্তু ব্যাপার হলো কিছু পেতে হলে কিছু দিতে হয়। অর্থাৎ অনৈতিক সম্পর্ক করার আহবান। ওই বেকুব, মূর্খ, নির্লজ্জা, বেহায়া সংধারী মেয়ে স্বপ্নে বিভোর থাকায় সাড়া দেয়। যারা সাড়া দেয় না, কাজ পায় না। কিন্তু যে পথে পা বাড়িয়েছে সেখান থেকে সে আর ফিরে আসতে পারে না। ফলে এক পর্যায়ে সেও পরিশেষে সাড়া দেয় অর্থাৎ কাজ পাওয়ার জন্য তার দেহকে বিক্রি করতে হয়।
প্রত্যেকটি মেয়েকে মিডিয়ায় কাজ পেতে হলে দেহকে বিলিয়ে দিতেই হয়। আবার যেসব ভ- কামুক পুরুষ প্রতিযোগিতায় থাকাকালীন পরিচালক হিসেবে কিংবা প্রযোজক হিসেবে কিংবা অন্য কোনো বড় পদে নিয়োগ থাকে তারাও ওই সংধারী মেয়েকে প্রতিষ্ঠিত করার লোভ দেখিয়ে দেহ ভোগ করে। এভাবে এক এক করে সংধারীরা সাড়া দেয় বহু পুরুষের অনৈতিক আহবানে। বর্তমানে যে এতো ইয়াবা সুন্দরী, কলগার্ল, চিয়ার্স গার্ল, পার্টি গার্ল, সেলস গার্ল- এদের নাম শুনা যায়, এরা কারা? এরাই সংধারী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী। যে মিডিয়ায় নারী স্বাধীনতা, নারী অধিকার নিয়ে বড় বড় কথা বলে এরাই যে নারীর ইজ্জতহরণকারী, এরা যে পতিতাবৃত্তির মূল আখড়া- তা নগ্নভাবে প্রকাশিত।
Channel_i_এর_গাড়ীতে_গাজা!!!
অস্বাভাবিক কিছুই নয়।
"হৃদয়ে বাংলাদেশ" স্লোগানের আড়ালে একটি মিডিয়া তাদের মাদক ব্যাবসা চালিয়ে এসেছে এতদিন। ব্যাপারটি ভাবতেই ঘৃণায় শরীর রি রি করে উঠছে।
পরক্ষনেই মনে হল, সাংবাদিক ও টিভি চ্যানেল মালিকদের এই অধঃপতিত অবস্থাতো নতুন কিছু নয়। এরাইতো প্রগতিশীলতার ধারক বাহক হয়ে অশালীন সংস্কৃতির পুরোধা হিসেবে সুন্দরী প্রতিযোগিতার নামে আমাদের মেয়েদেরকে পন্য বানানোর কাজে অগ্রদূতের ভুমিকা পালন করে এসেছে। লক্ষ নারী তার প্রতিবাদ জানিয়ে অনলাইনে লিখেছে। কিন্তু তারা শোনেন নি। সমাজের নৈতিক ও ধর্মীয় মুল্যবোধকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে বহাল রেখেছেন তাদের অশালীন বানিজ্য। নারী ব্যবসা থেকে আজ মাদক ব্যাবসায়ী হয়েছেন।
কাল হয়ত উনারা প্রচার করবেন, উনাদের চ্যানেলের স্টিকার ব্যাবহার করে কেউ এই অসৎ কাজ করেছে। আমাদেরকি বিশ্বাস করা উচিৎ? যখন আমাদের মেয়েদেরকে জংগী সাজিয়ে প্রচার করা হয় সাধারণ কিছু ধর্মীয় বই পাবার ছুতোয় তখন উনাদের দেখেছি। সেটিকে বিশ্বাস যোগ্য করে তুলবার জন্য কি প্রাণ পন মরিয়া চেষ্টা করে থাকেন উনাদের সব রিপর্টারেরা। বাংলাদেশ মৌলবাদীতে ভরে যাচ্ছে, এর বিহিত এখনই করতে হবে, এ ধরণের একটি অ্যাটিচুড থাকে তাদের সব সময়। আর আওয়ামী তোষণ তো আছেই হরদম। গতবারের প্রহসন মার্কা নির্বাচনের সময় দেখেছি, এই চ্যানেলটি ইনিয়ে বিনিয়ে আমতা আমতা করে বলবার চেষ্টা করেছে, ভোট সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে। খালি ভোট কেন্দ্র গুলো আর সিল মারা, জাল ভোটের ব্যাপারটি এড়িয়ে গিয়েছেন উনারা অবলীলায়। এদের ভুমিকা অনেক ক্ষেত্রেই বিতর্কিত।
যখন দিগন্ত টিভি আর আমার দেশ পত্রিকা বন্ধ করে দেয়া হল, তখন এই চ্যানেলটিকে কোনও প্রতিবাদ করতে দেখিনি। এরা চরম খুশি হয়েছিলো কারণ, দিগন্ত আর আমার দেশের জনপ্রিয়তা বাড়ছিলো দিনকে দিন। অন্যান্য দেশে এরকম মিডিয়া আর পত্র পত্রিকা বন্ধ করলে সবার আগে অন্য মিডিয়া গুলো সোচ্চার হয়। অথচ এরা সরকারের প্রশংসা করেছে বিভিন্নভাবে। ধিক্কার জানাই আপনাদের ওরকম প্রতিহিংসায়।
শাহবাগ মুভমেন্টের সময় এদের ভুমিকা ছিলো দেখার মত। রিপোর্টারেরা কাঁপা কাঁপা গলায় চেতনার তুমুল তোড়ে থুথু ছিটিয়ে ছিটিয়ে সেকি চরম সব আবেগিয় প্রতিবেদন! প্রতিবেদন শেষে, আমি অমুক বলছি শাহবাগ চত্বর থেকে বলতে গিয়ে কেঁদে কেঁদে বুক ভাসিয়ে ফেলতেন একেকজন। মনে মনে ভাবতাম, জী আপনি কাশেম বলছেন গঞ্জিকা চত্বর থেকে। একটু দূর থেকে বলুন, আমার টিভি স্ক্রীনে থুথু ছিটে আসছে আপনার।
যাইহোক, উনারা উনাদের স্লোগানের পরিবর্তন করে নিলেই আপত্তি থাকবেনা আমাদের। গঞ্জিকাপুর থেকে আমি অমুক তমুক, চ্যানেল সিদ্ধি,
গাড়িতে ৫০ কেজি গাঁজা। হৃদয় কথাটি লাগিয়ে এদেশের মানুষদের সহজ সরল হৃদয় নিয়ে খেলবেন না দয়া করে। দেশের মানুষ যথেষ্ট সহ্য করেছে আপনাদের বেনিয়া বৃত্তি।
বাংলাদেশের জন্মগ্রহণ কি আজন্ম পাপ?
রাষ্ট্রের নিরাপত্তা আছে, জনগণের নিরাপত্তা কোথায়?
বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে কি নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকারটুকুও আমাদের নেই? সরকার ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তায় গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর থাকে। কিন্তু সাধারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন
অনেকটা পথ হেঁটে এসেছি

১৯৯৭ সাল।
আমি তখন ক্লাস নাইনে পড়ি।
স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে মামুন ভাইয়ের একটা অডিও ক্যাসেটের দোকান ছিল। পাশেই মির্জা ভাইয়ের কনফেকশনারি। টিফিনের সময় ওখানে প্যাটিস খেতাম।
সেই সময় অডিও ক্যাসেটের... ...বাকিটুকু পড়ুন
দেশটাতো এখন রাজাকারদের....

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে বাদী ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারী (৮৭)। মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার দেওয়ার প্রস্তুতি চলার সময় জামাতের... ...বাকিটুকু পড়ুন
মাদ্রাসা শিক্ষা একটা কর্মবিমুখ শিক্ষা
এদেশের মাদ্রাসা শিক্ষারে আপনি একটা স্ক্যাম হিসেবে ধরতে পারেন। মাদ্রাসার বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে যে মাদ্রাসাগুলো আছে সেগুলো বাদ দিয়ে অন্য সব মাদ্রাসাই এই স্ক্যামের ভেতরে। এটা একটা ভিক্ষার সাইকেল, দারিদ্র্য'র দুষ্টু... ...বাকিটুকু পড়ুন
জিম করা কি হারাম?

জিম করা কি হারাম?
হ্যাঁ, জিম করা হারাম!
যদি জিমে গিয়ে নিজের পেশিবহুল বাহুডোরে কোনো ললনাকে জড়িয়ে ধরেন!
কিন্তু তারপরেও কথা থাকে।
এখানে জড়িয়ে ধরাটা হারাম। জিম করাটা নয়!
অর্থাৎ, জিমে গিয়ে শরীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।