আজ যদি বলি বৃদ্ধাশ্রমে কিছু হেল্প করবো কে কে আমার পাশে দাঁড়াবেন..এমন কেহ নাই যে না বলবে!
আমরা বিভিন্ন বৃদ্ধাশ্রমে যাই,ওইখানে যে সকল বৃদ্ধের ছেলে মেয়েরা তাদের পাশে থাকে না,দেখা শুনা করে না,তাদের পাশে থেকে একটু কথা বার্তাবলে খনিকের জন্য সুখী ও দুঃখ ভুলাতে চেষ্টা করি।তাদের দেখলে আমাদের চোখে জল আসে।
কিন্তু নিজের জন্মদাতা মা বাবার কথা কি একটু চিন্তা করেছি??
কেমন আছেন তারা??
কি হালেতে দিন কাটাচ্ছেন উনারা??
তাদের জন্য কি চোখে জল আসে আমাদের??
আমার ব্যবহারে কি উনারা খুশী..নাকি নারাজ??
উনারা যে ঘরে বসে একাকিত্ব ফিল করতেছেন..কখনো কি উনাদের পাশে বসার সময় আমার হয়েছে???
১৫-২০ মাইল দূরে বৃদ্ধাশ্রমে যাওয়ার সময় হয়,কিন্তু পাসের রুমে থাকা আমার জন্ম দাতা মা/বাবার সাথে দেখা করার সময় আমার হয় না। (দিক্কার আমাদের উপর।)
উনারা ডাকা ডাকি করলেও বিরক্ত লাগে আমাদের!
আর বৃদ্ধাশ্রমের মানুষের জন্য দরদের আমার শেষ নাই।
কিছু বললেই আর সহ্য হয় না।
আমাদের বুঝতে হবে যে "বৃদ্ধাশ্রমে থাকা মা/বাবা গুলার চেয়েও আমার ঘরে থাকা মা/বাবারা বেশী নিরিহ।"
বৃদ্ধাশ্রমে যে সব মা/বাবারা আছেন... তারা কিছু ভণ্ড হাসি খুশি ও সময় হইলেও পাইতেছেন।
কিন্তু আমার ঘরে থাকা মা/বাবা তো তাও পাচ্ছেননা।
আমি বলতেছিনা যে বৃদ্ধাশ্রম গুলোতে আমরা হেল্প করবো না!
আমি বলতেচাচ্ছি.... নিজের মা/বাবার খেয়াল রাখার কথা।তাদের সময় দেয়ার কথা। তাদের ভোরণ পোষনের কথা।বৃদ্ধ বয়সে যেন তারা হ্যাপি থাকে সেই ব্যবস্থা করার কথা।
সবাই যদি নিজ নিজ মা/বাবার প্রতি খেয়ালি হতাম তাহলে বৃদ্ধাশ্রম আর গড়তো না।
এ ধরনের চেতনা বোধ সবার সাথে শেয়ার করা আমাদের উচিৎ।
Mohammad Ullah Munna

সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জুন, ২০১৭ দুপুর ২:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




