কেমন হবে যদি নতুনভাবে প্রদত্ত ক্রেস্টেও জালিয়াতি হয়। তবে কি আবারও নতুনভাবে ক্রেস্ট দেয়া হবে---
প্রথম আলোর অনেক সমস্যা কিন্তু এর পরও সেটা দেশের সেরা দৈনিক। তাদের ধন্যবাদ দিতেই হয় ক্রেস্ট জালিয়াতিকে আলোয় আনায়।
গত মঙ্গলবার রাতে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব এনায়েতউল্লাহ খান বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় এ মামলা করেছেন। মামলায় ক্রেস্ট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বনানীর এমিকনের মালিক মীর দাউদ আহমেদ ওরফে নাজিম এবং শান্তিনগরের মেসার্স মহসিনুল হাসানের মালিক মো. মোহসিনুল হাসানের বিরুদ্ধে প্রতারণা করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়।
দুর্নীতি দমন কমিশন মামলাটি তদন্ত করবে বলে ওসি জানিয়েছ্নে। অবশ্য এর আগে দুদকের বিরুদ্ধে একটা কঠিন তদন্ত হওয়া উচিৎ। ওরা পবিত্র না হলে অন্যকে কিভাবে ধরবে?
মামলায় বলা হয়, সম্মাননা ক্রেস্টে নির্ধারিত পরিমাণ সোনা না দিয়ে সরবরাহকারীরা প্রতারণা করে অর্থ আত্নসাৎ করেছেন। মামলায় বলা উচিৎ ছিল, সরবরাহকারীদের কারা সহযোগিতা করেছে। কিন্তু তা বলা হবে না, ওরা ফেরেস্তা তো!
বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে অবদান রাখায় আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন বিগত সরকার বিদেশি বন্ধুদের সম্মাননা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। গত বছরের অক্টোবর পর্যন্ত সাত ধাপে প্রায় আড়াইশ বিদেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা দেয়া হয়।
একটি জাতীয় দৈনিকে গত ৬ এপ্রিল প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই সম্মাননা ক্রেস্টে নির্দিষ্ট পরিমাণের চেয়ে কম স্বর্ণ দেয়া হয়। তাছাড়া রুপার পরিবর্তে দেয়া হয় পিতল, তামা ও দস্তামিশ্রিত সংকর ধাতু।
এরপর এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা ওঠে। এর সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির দাবি তোলে সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম। এক পর্যায়ে ঢাকার বিভাগীয় কমিশনারকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি কমিটি করা হয়।
সংসদেও আলোচনা ওঠার পর গত ২৪ এপ্রিল মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি অভিযোগ তদন্তে তিন সদস্যের একটি উপ-কমিটি গঠন করে।
সূত্র বিডিনিউজডটকম

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



