somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মুজিব রহমান
সমাজ বদলাতে হবে। অনবরত কথা বলা ছাড়া এ বদ্ধ সমাজ বদলাবে না। প্রগতিশীল সকল মানুষ যদি একসাথ কথা বলতো তবে দ্রুতই সমাজ বদলে যেতো। আমি ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে, জাতীয়তাবাদের বিরুদ্ধে, বর্ণবাদের বিরুদ্ধে, নারী নিপীড়নের বিরুদ্ধে অনবরত বলতে চ

কার আত্মজীবনী সেরা?

১৮ ই মে, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বঙ্গবন্ধুর লেখা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ অবশ্যই বাংলাদেশের রাজনীতিবীদদের লেখা আত্মজীবনীর মধ্যে সেরা। কিন্তু সামগ্রিকভাবে কি সেরা? কদিন আগে কবি অসীম সাহার সাথে আমি সম্পূর্ণই একমত হলাম যে, নির্মলেন্দু গুণের ‘আমার কণ্ঠস্বর’ অসাধারণ, অনন্য। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘ছবির দেশে কবিতার দেশে’ কিংবা জ্যোতি বসুর ‘যতদূর মনে পড়ে’ কিংবা তসলিমা নাসরিনের আত্মজৈবনিক গ্রন্থগুলো, গাফফার চৌধুরীর ‘ধীরে বহে বুড়িগঙ্গা’ আবুল মনসুর আহমেদের ‘আমার দেখা রাজনীতির ৫০ বছর’ হুমায়ূন আহমেদের ‘আমি’ কিংবা কাঠ পেন্সিল-বলপয়েন্ট-ফাউন্টেইন পেন ইত্যাদি (এগুলোর ও আরোকিছুর সংকলনই আমি)। লেখার সততা ও উপস্থাপনার প্রাঞ্জলতা মিলিয়েই বলতে হবে সেরা কোনটি? সুনীলের গদ্য বাংলাভাষার মধ্যে শীর্ষস্থানীয়। নির্মলেন্দু গুণও ভাল গদ্য লিখেন। তার বোহেমিয়ান ও বৈচিত্রময় জীবন বাংলাসাহিত্যে আর কারো নেই- শরৎচন্দ্রেরও নয়, বিভূতিভূষণেরও নয়। এতোটা অকপটে আর কেউ লিখেনও নি। অন্যকে দোষারূপ নয়, নিজের জীবনের ত্রুটি -বিচ্যুতি এতোটা খোলামেলাভাবে বাংলা সাহিত্যে আর কেউ লিখেন নি। তাই তাঁর ‘আমার কণ্ঠস্বর’ কেই এগিয়ে রাখি। বঙ্গবন্ধু আর সুনীলও খোলামেলাভাবেই লিখেছেন। বঙ্গবন্ধুর সমৃদ্ধ রাজনৈতিক জীবনের কারণেই তাঁর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ এতোটা মহৎ। জ্যোতি বসু শুধু প্রায় ৫০ বছরের রাজনৈতিক জীবনের কথাই মূলত লিখেছেন। ফলে এর ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক গুরুত্ব অনেক। তাঁর মতো এতো দীর্ঘকাল এতো সাবলিলভাবে সরকার খুব কমলোকই চালিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর মতো জ্যোতি বসুর গ্রন্থটিও রাজনীতিবীদদেরসহ সবার জন্য পড়া বাঞ্ছনীয়। সুনীল আকর্ষণীয়, তার এই বইটিও আকর্ষণীয়। এরপরেই রাখতে হয় আব্দুল গাফফার চৌধুরীর ‘ধীরে বহে বুড়িগঙ্গা' এবং আবুল মনসুর আহমেদের ‘আমর দেখা রাজনীতির ৫০ বছর’। হুমায়ূন তসলিমার বইগুলো সাহিত্যপ্রেমিদের মুগ্ধ করেছে বটে। হুমায়ূন পড়ে মজা পেয়েছে পাঠক, তসলিমা এগুলো লিখে হয়েছেন বিতর্কিত কিন্তু তার সাহসকে শ্রদ্ধা করার পাঠকও দেশে কম নয়।

সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই মে, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:১৩
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাঁধনের কেন ফেমিকন লাগে !!!

লিখেছেন অপলক , ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৩৪



বাঁধন এখন বন্ধন মুক্ত। মিডিয়া পাড়ায় সরব উপস্থিতি। উপর মহলের ডাকে সারা দিতে হয়। কাজেই ফেমিকন লাগতেই পারে। মানে ফেমিকনের এ্যাড করা লাগতেই পারে। মিডিয়া আইকন হিসেবে জনসচেতনাতা বাড়াতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে ফিরে আসো

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৬


সময়ের সাথে সাথে নিজেকে বদলে নিতে হয়,
তোমার শরীর জুড়ে যখন
অভিজ্ঞতার গল্প পাঠের আসর,
তখনও ছেলে ভোলানো ছড়ায়
নিজেকে ভোলালে চলে?

আঁজলা ভরে সময়ের যন্ত্রণাকে পান কর,
পান কর সত‍্যকে।
পান কর... ...বাকিটুকু পড়ুন

“উন্নয়নের দুর্ভিক্ষে বাংলাদেশ”

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৮



বাং/লাদেশের মূর্খ জনগণ উন্নয়নের চেয়ে কথিত ফ্যাসিবাদকে বড় করে দেখেছে কিন্তু “উন্নয়নের দুর্ভিক্ষ” কি জিনিস তা দেখেনি।

দেখতে থাকুক….। আর ভাতের দুর্ভিক্ষ শুরু হলে বলে…..।

ফ্যাসিবাদ দূর করতে গিয়ে উন্নয়নই "নাই"... ...বাকিটুকু পড়ুন

মঞ্জুর চৌধুরীর ছোট গল্প "নভেম্বরের শেষ বৃষ্টি"

লিখেছেন মঞ্জুর চৌধুরী, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:১৩

নভেম্বরের শেষ বৃষ্টি
মঞ্জুর চৌধুরী

নীরা কথাটা বিশ্বাস করতে পারছে না। তাঁর স্বামী আরমানের আরেক মেয়ের সাথে সম্পর্ক ছিল? এই আরমান কিনা সবসময়ে আবৃত্তি করতো "এই হাত ছুঁয়েছে নীরার মুখ, আমি কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরীয়সী

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৭ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:০৭



আমাদের সেই পুরনো ভিটেটার অস্তিত্ব  এখন আর নেই। তবে বুকের গহীনে ভিটেমাটির মায়াটুকু  ঠিক আগের মতোই রয়ে গেছে। কত স্মৃতি, কত গান, কত গল্প-কোলাহল,  মান- অভিমান ! চাইলেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×