somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মুজিব রহমান
সমাজ বদলাতে হবে। অনবরত কথা বলা ছাড়া এ বদ্ধ সমাজ বদলাবে না। প্রগতিশীল সকল মানুষ যদি একসাথ কথা বলতো তবে দ্রুতই সমাজ বদলে যেতো। আমি ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে, জাতীয়তাবাদের বিরুদ্ধে, বর্ণবাদের বিরুদ্ধে, নারী নিপীড়নের বিরুদ্ধে অনবরত বলতে চ

বাংলাদেশের মানুষ কেন ভারত বিরোধী?

২২ শে জুন, ২০২০ রাত ১০:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


বাংলাদেশ একসময় ভারতেরই অংশ ছিল। দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে আলাদা হলেও এজন্য কোন যুদ্ধও করতে হয়নি। বৃটিশরাই ভাগ করে দিয়েছে ভারত ও পাকিস্তানকে। দীর্ঘ যুদ্ধ করতে হয়েছে বাংলাদেশকে পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধেই। সেই যুদ্ধে ভারত আমাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছে। অন্তত ১ কোটি লোককে আশ্রয় দিয়েছে, যুদ্ধে প্রশিক্ষণ দিয়েছে, অস্ত্র দিয়েছে। প্রতিবেশি দুটি দেশের মধ্যে কোন যুদ্ধও হয়নি। অথচ বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষই এখন ভারত বিরোধী বলেই মনে করে খুদ ভারতই! আবার ভারতের সিনেমা, সিরিয়াল, গান, পোশাক, চিকিৎসা, ভ্রমণ, আইপিএল বাংলাদেশের মানুষ এতো পছন্দ করে। তারপরও কেন এমনটা হল? সাম্প্রতিক ভারত-চীন যুদ্ধে সামাজিক মিডিয়া, বিভিন্ন পত্রিকায় মন্তব্য দেখে ধারণা করা যায় ভারতের মার খাওয়াতে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষই খুশি। আনন্দবাজার পত্রিকাসহ ভারতের অনেক মিডিয়াই আশঙ্কা করছেন খয়রাত (ভিক্ষা) দিয়ে বাংলাদেশকেও চীন ভাগিয়ে নিয়ে যাবে। বাংলাদেশের মানুষ এই খয়রাতি মন্তব্য দেখেও ক্ষুন্ন হয়েছে। ভারত বিদ্বেষটা নতুন কিছু নয়। সেই ১৯৪৭-১৯৭০ ও ১৯৭২-২০২০ সুদীর্ঘ সময়। ভারত বিদ্বেষের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকম কারণ ছিল। এতো ভারত বিরোধীতার কারণ কি হতে পারে?


এনআরসি
ফারাক্কা বাঁধ
তিস্তার পানি
সীমান্তে হত্যা
ধর্মীয় বিদ্বেষ
রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ
বাবড়ি মসজিদ ভাঙ্গা
ভারতে মুসলিম নিপীড়ন
সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকী
ভারতের দাদাগিরি আচর
বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত দাঙ্গার রেশ
আওয়ামীবিরোধী রাজনীতির প্ররোচনা
ভারতের প্রতিবেশি দেশের সাথে খারাপ সম্পর্ক
ভারতের মিডিয়া ও নেতৃত্বর অবজ্ঞার চোখে দেখা
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অবস্থান
বাংলাদেশের কিছু রাজনীতিবীদের অহেতুক ভারত তোষণ



এভাবেই ঘৃণার সিঁড়ি তৈরি হয়েছে। ভারতে আবার মিশ্র অবস্থা মনে হয়েছে- অনেকে বাংলাদেশকে ছোট ভাই মনে করে, অনেকে মুসলিম দেশ বলে ঘৃণার চোখে দেখে, অনেকে আশা করে একদিন বাংলাদেশ ভারতেই বিলীন হবে। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষের এই ভারত বিরোধীতাটার কারণ অনুসন্ধান করা দরকার। গবেষণার ফল বিশ্লেষণ করে ভারতেরই উচিৎ বিদ্বেষের কারণগুলো দূর করা।

সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জুন, ২০২০ রাত ৯:৩৫
৯টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

২০১৮ সালের পর ঢাকাতেই ৪টা এক্সপ্রেসওয়ে

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৫৩



একটা দেশের উন্নয়ন কতটা এগিয়েছে, সেটা বোঝার অনেকগুলো উপায় আছে। তবে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সেই দেশের রাস্তা, সেতু আর যোগাযোগব্যবস্থা। কারণ এগুলোর পরিবর্তন সরাসরি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে চোখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অভ্যাস বিষয়ে

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:১২

অভ্যাস আসলে কীভাবে তৈরি হয়?

আমরা অনেক সময় ভাবি, কোনো একটা অভ্যাস তৈরি করতে হলে অনেক বেশি Willpower দরকার।

আসলে ব্যাপারটা একটু অন্যরকম।

আপনি যদি প্রতিদিন এক ঘণ্টা বই পড়ার সিদ্ধান্ত নেন, কিন্তু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ১৯৭

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৪



শরতের সকাল! সকাল ৮ টা।
ভাদ্র মাস। ইংরেজি সেপ্টেম্বর মাস। ২০২৬ সাল। ঘটনাটা কি হয়েছে, আমি বলি। মোটামোটি ভয়াবহ ঘটনা বলা যেতে পারে! যে কোনো সময় রোদ উঠবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে বর্তমান গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট: দায় কার?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৭


সংক্ষিপ্ত রায় সবচেয়ে বড় দায় বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নীতির। এর মধ্যে ২০০৯–২০২৪ সময়কালের সরকারের সিদ্ধান্তগুলোর দায় তুলনামূলকভাবে বেশি, কারণ ওই সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো হলেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

যাপিত জীবন.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৭


১।মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশে জুম্মার নামাজ পড়ার সুযোগ হয়েছে। ১২.৫০ এ আজান তারপর ১.১৫ দিকে জুম্মার নামাজের সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ। আজানের কিছুক্ষণ পর খুতবা শুরু তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×