somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মরুর ধুলি
পরিচয় দেবার মতো কিছু নাই। মাটির মানুষ মাটিতেই চলে যাবো। বিশ্বাস করি সব ভালমন্দের হিসাব একদিন দিতে হবে। তাই প্রস্তুতি নিচ্ছি, মূল ঠিকানায় প্রস্থানের।

ইসলাম বিজ্ঞানময় ধর্ম, বিজ্ঞান ও ইসলামের মধ্যে সংঘর্ষ নেই

০৫ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১২:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



পৃথিবীর কোন কিতাব বা জ্ঞানের কোন শাখা ইসলাম ও বিজ্ঞানকে পরস্পরের বিপরীতমুখী করে দাঁড় করিয়েছে কিনা তা আমার জানা নাই। আজকালকার বেশীরভাগ মানুষ যেখানে বিবেক ও যুক্তিনির্ভর সেখানে যুক্তিকেই যদি শুদ্ধতার মাপকাঠি হিসাবে নির্ণয় করা হয় তবে দেখা যাবে বিজ্ঞান মানবজাতির কল্যানের জন্য আর ধর্ম মানবজাতির অধিকতর কল্যানের জন্য। তাহলে কেন মানুষে মানুষে বিবাদ-বিভেদ?



অনেকে বিশ্বাস করেন ধর্ম মানুষকে মানুষের মধ্য হতে পৃথক করে রেখেছে। মানুষের মাঝে অনৈক্য সৃষ্টি করেছে ধর্ম- এমন বিশ্বাসীর সংখ্যাও কম নয়। ব্যাপরটা আসলে তেমন নয় মোটেও। মানুষ নিজেদের স্বার্থে ধর্মকে মোডিফাই করেছে, পরিবর্তন-পরিবর্ধন করেছে নিজ নিজ ধর্মের। ধর্মকে নিজেদের মতো করে ব্যবহার করেছে শুধুমাত্র নিজেদের পৈশাচিক মনের খোরাক মিটাতে গিয়ে।

এটা সম্ভব হয়নি শুধুমাত্র ইসলামের বেলায়। ইসলামে বেসিক আনুষ্ঠানিকতা বা মূল ইবাদাত মুসলমানদের মধ্যে হাজারো বিভক্তি স্বত্বেও পুরো পৃথিবীজুড়ে একই রকম রয়ে গেছে। পৃথিবীর সবত্র 5 ওয়াক্তই সালাত আদায় করা হয়, সাওম বা রোযা পালন করা হয় নির্দিষ্ট মাসে (রমযান মাসে), হ্জ্ব ও কুরবানি করা হয় জিলহজ্জ মাসে। সর্বত্রই যাকাত দেয়া-নেয়ার বিধান রয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা পৃথিবীর সর্বত্র যেখানেই যাই না কেন প্রত্যেক মুসলমান বিশ্বাস করে আল্লাহ এক এবং রাসুল স. আল্লাহর রাসুল। এই একটিমাত্র কালিমা পৃথিবীর মুসলমানদের দেশে দেশে ইবাদত বন্দেগী করার ক্ষেত্রে স্বচ্ছ ও সুকোমল ধারণা প্রদানে সমর্থ হয়েছে। ইসলামের এই সীমাহীন বোধগম্যতার কারণে ইসলাম বিদ্বেষীরা হাজারো অপচেষ্টার পরেও আজো কালিমার পতাকা পৃথিবীর বুক হতে নিশ্চিন্হ করে দিতে পারেনি আর পারবেও না। কেননা পৃথিবীর সকল মুসলমানের প্রভু একজন, নবীও একজন। সুতরাং হাজারো প্রভু, হাজারো অবতারের ক্ষমতা নিয়ে মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ হওয়ার সম্ভবনা একেবারেই নেই।

ইসলামের পরিচালনা ক্ষমতা যখন একক স্বত্বার হাতে তখন অন্যান্য ধর্মাবলিম্বরা তাদের মুল আনুষ্ঠানিকতায় ব্যপক পরিবর্তন এনেছে যুগে যুগে। সংস্কারের নামে ধর্মীয় রীতি নীতিতে নিজেদের ইচ্ছাশক্তির প্রয়োগ ঘটিয়ে ধর্মকেই পরিবর্তন করছে কেউ কেউ। সেই অজুহাতকে দৃষ্টান্ত করতে গিয়ে মুসলমান নামধারীদের মধ্যেও অনেককে দেখা যায় ধর্মীয় সংস্কারের কথা বলতে। না বুঝে হোক বা অতি বুঝার কারণে হোক এমন আচরণকারীকে ইসলাম মুসলমান হিসাবে গণ্য করে না। সংস্কার, মধ্যম পন্থা, সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে গিয়ে ধর্মের বিকৃতি সাধনের ফলশ্রতিতে পৃথিবীর বুকে আজ সুখের বড় অভাব। এই সুযোগে একশ্রেণীর দলবদ্ধ জীব ধর্মের অসাড়তা তুলে ধরতে গিয়ে বিজ্ঞান ও ধর্মকে পরস্পরের মুখোমুখি করে দাঁড় করিয়েছেন। (চলবে)

সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১২:২০
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দায়বদ্ধতা ও সময়োচিত সিদ্ধান্ত: ২০০৬ থেকে বর্তমানের শিক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:২৫

Photo - আপলোড না হওয়ায় ইমেজ লিংক:

“দায়বদ্ধতা ও সময়োচিত সিদ্ধান্ত: ২০০৬ থেকে বর্তমানের শিক্ষা”

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০০৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংকট একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। সে সময় রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে গঠিত উপদেষ্টা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইস্টার ফ্রাইডে এবং যিসাসের শেষ যাত্রা: জেরুজালেমের স্মৃতিবিজড়িত পথে

লিখেছেন সৈয়দ নাসের, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৪




দিলু নাসের
আমার এই তিনটি ছবির সঙ্গে পৃথিবীর খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের বেদনাবিধুর ইস্টার ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। প্রতিটি ছবিই যেন এক একটি অধ্যায়, একটি যাত্রার, যা শুরু হয়েছিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুর্ঘটনা নয়, এগুলো আগে থেকেই তৈরি করা মৃত্যু

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:০৫

চারপাশ থেকে কালো ধোঁয়া ঘিরে ধরছে। দুই চোখ প্রচণ্ড জ্বলছে । সুন্দর করে সাজানো হলরুমের প্লাস্টিক, ফোম, সিনথেটিক সবকিছু পুড়ে বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে বিষাক্ত গ্যাসে। ঘরের অক্সিজেন প্রতি সেকেন্ডে... ...বাকিটুকু পড়ুন

সব কিছু চলে গেছে নষ্টদের দখলে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:৫৭


সংসদ ভবনের লাল ইটের দেয়ালগুলো যদি কথা বলতে পারত, তবে হয়তো তারা লজ্জায় শিউরে উঠত অথবা স্রেফ অট্টহাসি হাসত। আমাদের রাজনীতির মঞ্চটা ইদানীং এক অদ্ভুত সার্কাসে পরিণত হয়েছে, যেখানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইরান যুদ্ধ: স্বাধীনতা নাম দিয়ে শুরু, এখন লক্ষ্য ইরানকে প্রস্তরযুগে নিয়ে যাওয়া

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:২৩


আমার আট বছরের ছেলে ফোনে ফেসবুক পাতার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল, "বাবা, এটা কিসের ছবি"? আমি তার মনোযোগ অন্যদিকে সরানোর বৃথা চেষ্টা করে অবশেষে বললাম, এটা আমেরিকা- ইসরায়েলের ইরানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×