সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি অংশ হইয়ে উঠেছে। সকালে খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠা থেকে শুরু করে রাতের শেষ প্রহর অব্দি এর ব্যবহার আমরা করে থাকি।

আচ্ছা ভাবুন তো আপনি খুব সকালে জেগে উঠেছে। খুব ভাল একটা মুড নিয়ে ফোনটা হাতে নিলেন আর ফেইসবুকে ডুকেই দেখলেন আপনার কোন ফ্রেন্ড বিভৎস একটি ছবি শেয়ার করেছে। উদাহরন দেয়া যেতে পারে পিলখানা হত্যার কান্ডের মেজর শাকিল সাহেবের ছবি খানা। কিংবা কোন পথ দুর্ঘটনায় মানুষের ছিন্ন বিছিন্ন একটি ছবি। মানুষকে পোকা কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে কিংবা তার থেকেও অনেক বিভৎস।
কেমন লাগবে আপনার?
ভেতর থেকে উগড়ে উঠবে না কি?
আসলে সেটাই তো হওয়ার কথা। কিন্তু আমাদের কোন কোন বন্ধুর দ্বারাই প্রচার করা ছিল এই ছবি খানা।
প্রশ্ন করলাম, আপনি এই ছবি প্রচার ছাড়া কিংবা ছবিটাকে এথিকাল্যালি আবছা করে প্রচার করা যেত না।
জবাব দিলেন, এটা দেখালে মানুষের অনেক আবেগ বাড়ে। আর পুরো বাস্তবতা তুলে ধরা যায়।
আচ্ছা আপনি কি কখনও দেখেছে কোন সিলেক্টেড মিডিয়া এই জাতীয় বিভৎস ছবি বা ভিডিও প্রচার করেছে?
দেখেন নাই। কারন এটা মিডিয়া এথিক্যের সাথে সংঘাত মূলক।
টেকনোলজী এর উন্নতির সাথে সাথে আপনার নিজের হাতে হয়তো একটি ইউটিউব চ্যানেল এসে পৌছেছে। কিংবা একটি ফেইসবুকে আপনার অনেক ফ্রেন্ড আছে আর আপনি তাদের সম্পাদক।
নিজেকে যখন এভাবে গুরুত্বপূর্ন ভাবা হচ্ছে তখন কি এই মিডিয়ার এথিক্যাল স্টান্ডার্ডস গুলো মানা উচিত নয়।
একটি বিকৃত ছবি আপনাকে বিরক্ত করতে না পারে, তবে সেটা আমাকে করে। বা ৩য় আর একজন ব্যক্তিকে করে। আর তাই এই জাতীয় ছবি বা ভিডিও শেয়ার করার ক্ষেত্রে আমাদের সতর্ক হওয়া উচিত। কারন এই জাতীয় ছবি সামাজিক ভাবে কোন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে না। আপনি আই জাতীয় ছবি শেয়ার দেয়ার আগে অবশ্যই মূখ ডেকে দিবেন। যাতে এই ছবি বা ভিডিও কারো বিরক্তির কারন না হয়।।
ধন্যবাদ।।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



