somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মুক্তমনা ব্লগার
আমি বিশ্বাসী, কিন্তু মনের দরজা খুলে রাখাতে বিশ্বাস করি। জীবনে সবথেকে বড় অনুচিত কাজ হল মনের দরজা বন্ধ রাখা। আমি যা জানি সেটাই সত্য, বাকি সব মিথ্যা…এটাই অজ্ঞানতার জন্ম দেয়।

বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িকতা কড়চা

০৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ ভোর ৫:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

চলমান টি২০ ক্রিকেট বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওয়েস্ট-ইন্ডিজের কাছে ভারত হেরে যাবার পর শুনি প্রচন্ড চিৎকার, উল্লাসধ্বনি; বারান্দা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে দেখি, ভারত হেরে যাওয়ায় রাস্তায় নেমে মানুষজন উল্লাস করছে।

নিশ্চিতভাবে এটি ‘ভারত-বিদ্বেষ’; এই বিদ্বেষের পিছনে ‘বাঙালি জাতীয়তাবাদ’ নেই, আছে ‘বাঙালির মুসলিম জাতীয়তাবাদ তথা সাম্প্রদায়িকতা’। ভারতীয়দের প্রতি এই ঘৃণার উৎস হলো ধর্মীয় পার্থক্য।

‘ভারত-বিরোধিতা’ ও ‘ভারত-বিদ্বেষ’ ভিন্ন বিষয়; ঠিক তেমনি ‘বাঙালি জাতীয়তাবাদ’ ও ‘বাঙালির মুসলিম জাতীয়তাবাদ’ ভিন্ন বিষয়; ‘বাঙালির মুসলিম জাতীয়তাবাদ’ হলো সাম্প্রদায়িকতা।

বেশ কয়েক বছর আগে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অবৈধভাবে সীমান্ত পার হওয়া বাংলাদেশিদের বিএসএফের হাতে হত্যা-নির্যাতনের ঘটনায় প্রতিবাদ করেছিলাম।
সেই প্রতিবাদের ভাষাও মাঝে মাঝে কড়া ছিল।
সচলায়তন হতে ভারতীয় পণ্য বয়কটের আহবানেও অংশগ্রহণ করেছিলাম।

এসবই ছিল নির্দিষ্ট ঘটনাবলীর প্রেক্ষিতে ‘ভারত-বিরোধিতা’; আমাদের প্রতিবাদের ভাষা কিছু কিছু ক্ষেত্রে কড়া ছিল কিন্তু কোন অবস্থাতেই তাতে ‘ভারত-বিদ্বেষ’ ছিল না।

সীমান্তে হত্যার প্রতিবাদে আমাদের মনোবল যুগিয়েছিল ‘মানবিকতা ও বাঙালি জাতীয়তাবাদ’।

‘বাঙালির মুসলিম জাতীয়তাবাদের’ উন্মেষের চুড়ান্ত ফলাফল হিসেবে ১৯৪৭-এ পূর্ব-বঙ্গ পাকিস্তানের অংশ হয়।

পরবর্তীতে ধর্মীয় এই জাতীয়তাবাদ অসাড়, ব্যর্থ ও ভুল বলে প্রমাণিত হয়। ফলাফল হিসেবে ‘বাঙালি জাতীয়তাবাদের’ উত্থান, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা। ভারত মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের প্রতি অকৃত্রিম বন্ধুত্বের প্রমাণ রেখেছে, সত্যি বলতে- ভারতের সহায়তা না পেলে আমাদের স্বাধীনতার জন্য আরো বেশি মূল্য দিতে হতো এবং মুক্তিযুদ্ধ দীর্ঘায়িত হতো।

স্বাধীন-সার্বভৌম দেশগুলোর মাঝে সাধারণতঃ যেধরণের সম্পর্ক বিদ্যমান থাকতে দেখা যায়, যাকে স্বাভাবিক সম্পর্ক বলে, ভারতের সাথে সেধরণের রাজনৈতিক সম্পর্ক স্বাধীন হবার পর বাংলাদেশের সব সময়ই ছিল।
সীমান্ত ও বাঁধজনিত সমস্যাগুলো প্রতিবেশী অনেক দেশেই দেখা যায় কিন্তু তারপরও বৃহত্তর অর্থে রাজনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক থাকে।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আমদানি বাণিজ্যের অংশীদার হলো ভারত। বাংলাদেশের মোট আমদানির প্রায় ১৫% ভারতের সাথে। এই চিত্রটি বাংলাদেশের সাড়ে চার দশকের ইতিহাসে প্রায় সব সময়ই ছিল।

বিষয়ভিত্তিক ইস্যুতে (যেমন, সীমান্তে হত্যা ও বাঁধ ইস্যু) ‘ভারত-বিরোধিতা’ রাজনৈতিক দিক হতে স্বাভাবিক ঘটনা কিন্তু ‘ভারত-বিদ্বেষীতা’ স্বাভাবিক ঘটনা নয়। বিদ্বেষ বা ঘৃণা কখনই স্বাভাবিক ঘটনা নয়। সত্যি বলতে ভারত রাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের এমন কোন ঘটনা নেই যে ভারতের প্রতি এমন ঘৃণার জন্ম হতে পারে।

তাহলে, এই ভারত-বিদ্বেষের কারন কি?
এই প্রশ্নের উত্তর হিসেবে নিশ্চিতভাবে বলা যায়- ‘বাঙালির মুসলিম জাতীয়তাবাদ’।

‘বাঙালির মুসলিম জাতীয়তাবাদের’ কারনে মুসলমান ধর্মে বিশ্বাসী বাঙালিরা ভারতকে হিন্দুর রাষ্ট্র ভাবতে পছন্দ করে।
যদিও ভারত সাংবিধানিকভাবে সেক্যুলার ও বহুধর্মের মানুষের রাষ্ট্র এবং হিন্দুত্ববাদীদের একক প্রাধান্য নেই; তারপরও মুসলমান ধর্মে বিশ্বাসী বাঙালিরা ভারতকে হিন্দুর দেশ ভাবে।
‘বাঙালির মুসলিম জাতীয়তাবাদের’ শিক্ষা এতটাই বোধশূণ্য যে, মুসলমান ধর্মে বিশ্বাসী বাঙালিদের একটি বড় অংশ একাত্তরে বর্বরতার চুড়ান্ত নজির রেখে যাবার পরও নিপীড়ক পাকিস্তানকে আপন ভাবতে পারে।
মূলতঃ ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবাদ তথা সাম্প্রদায়িকতার মূল দৈন্যতা এখানেই। ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবাদ কখনোই মনুষ্যত্বের নীতি মেনে চলতে পারে না; এই এধরণের জাতীয়তাবাদ একটি নৃতাত্ত্বিক জাতির মধ্যেই শ্রেণীবিভেদ সৃষ্টি করে। উগ্রজাতীয়তাবাদ ও ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবাদ দুটোই বিষবৃক্ষের বিষফল।
ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবাদ কখনোই কোন সুফল বয়ে আনতে পারে না। বর্তমান পৃথিবীর বাস্তবতায় ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবাদ অসাড় বিষয়। একত্রিত পাকিস্তানের অযোগ্যতা ও অবসান এর একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ।

সাধারণতঃ নিপীড়ন, বঞ্চনা হতে মুক্তি ও অন্যায়ের প্রতিবাদ হতে সুস্থ জাতীয়তাবাদের ধারা সৃষ্টি হয়। কিন্তু একটি সম্প্রদায় বা জাতি যখন অন্যদের উপর নিজেদের সুপিরিয়রিটি প্রতিষ্ঠা করতে চায়, তা কোনভাবেই জাতীয়তাবাদের সুস্থধারা নয়; এগুলো হলো সাম্প্রদায়িকতা বা ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবাদ ও উগ্রজাতীয়তাবাদ।
এই সাম্প্রদায়িকতা বা ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবাদে আক্রান্ত বাংলাদেশের জনগণ; স্রেফ ধর্মীয় কারনে ভারতের বিরুদ্ধে আমাদের তীব্র ঘৃণা ও বিদ্বেষ প্রকাশ পায় এবং প্রাত্যাহিক জীবনাচরণ ও খেলাধুলোর মধ্য দিয়ে এর নগ্ন বহিঃপ্রকাশ ঘটে। ভারতের প্রতি চরমদ্বেষ ও পাকিস্তানের প্রতি চরমপ্রীতি আমাদের এই জনপদের ধর্মভিত্তিক তথা সাম্প্রদায়িকতা আক্রান্ত রুগ্ন চিন্তাভাবনার বহিঃপ্রকাশ।

পাকিস্তান বাংলাদেশকে নিজেদের করায়াত্তে রাখার জন্য ধর্মীয় কারনে ও জাতিগত ঘৃণা হতে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের কম পক্ষে ত্রিশ লক্ষ মানুষ হত্যা করেছিল, পাঁচ লক্ষ নারীকে নির্যাতন করেছিল, উদ্বাস্তু হয়েছিল এক কোটি মানুষ, ধ্বংস করেছিল পুরো জনপদ। স্বাভাবিক কারনে পাকিস্তানীদের প্রতি দূরত্ব অনুভব করার কথা বাঙালিদের কিন্তু বাস্তবে ব্যাপারটি হয়ে গেলো উল্টো; শুধুমাত্র ধর্মে মিল থাকার কারনে বাংলাদেশের মানুষরা পাকিস্তানের প্রতি আন্তরিকতা অনুভব করে, নিপীড়কের প্রতি ভালোবাসা অনুভব করে।
অন্যদিকে ভারতের সাথে আজ পর্যন্ত আমাদের ধর্তব্যে আনার মত বা শত্রুতা সৃষ্টির মত সংঘাত বা এই ধরণের কোন ঘটনা ঘটেনি বরং মুক্তিযুদ্ধে তাদের অবদান অপরিসীম ও স্বাধীন বাংলাদেশে তারা আমাদের বাণিজ্য অংশীদার। তারপরও শুধুমাত্র বাঙালি সাম্প্রদায়িক মনোভাবের কারনে ভারতের প্রতি বাংলাদেশের একটি বড় অংশের মানুষ ঘৃণা পোষণ করে।
এগুলো হলো সাম্প্রদায়িকতা তথা ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবাদের প্রত্যক্ষ কুফল ও অবশ্যম্ভাবী পরিণতি।

সাম্প্রদায়িকতার তথা ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবাদের বীজ এই জনপদে বিদ্যমান ছিল; ভারত-বিদ্বেষ পুরোনো ও চর্চিত বিষয়।

মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জনের পর অসাম্প্রদায়িক চেতনা নিয়ে বাংলাদেশের পথ চলা শুরু হয়। কিন্তু জাতি ও রাষ্ট্রের অসাম্প্রদায়িক এই চর্চা বেশিদিন টিকে ছিল না। মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত পক্ষ স্বাধীন বাংলাদেশে নিজেদের পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার জন্য মুক্তিযুদ্ধের ফলে নিভু নিভু সাম্প্রদায়িকতার আগুনকে উসকে দেয়। হিন্দু-মুসলিমের পুরোনো শত্রুতাকে পুঁজি করে ভারতকে হিন্দু ও শত্রু রাষ্ট্র আখ্যা দিয়ে সফলভাবে সাম্প্রদায়িকতার বীজ পুনরায় বপন করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ শক্তিকে দেয়া হয় ‘ভারতের দালাল’ তকমা। এভাবে করে ধর্মীয় আবহে ভারত-বিদ্বেষ সৃষ্টি করে ও বাংলাদেশে ইসলামের ধারক-বাহকরূপে আবির্ভূত হয়ে মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত পক্ষ তথা মুসলিম জাতীয়তাবাদী সাম্পদায়িক অপশক্তি এবং পরিণতিতে বাংলাদেশের জনগণের একটি বড় অংশের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পেয়ে যায়।

আর এই কাজে সাম্প্রদায়িক শক্তিগুলোকে সরাসরি পৃষ্টপোষকতা করে ‘৭৫ পরবর্তী প্রো-পাকিস্তানি ও ধান্ধাবাজ সরকারগুলো; এছাড়া বামাতি প্রগতিশীল ও অর্থ-ক্ষমতালোভী ধান্ধাবাজদের বড় ভূমিকা আছে; এরা নিজেদের ক্ষমতা ও আর্থিক লাভের জন্য ভারতকে বাংলাদেশের শত্রু হিসেবে উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত-বিদ্বেষের চর্চা শুরু করে।

ভারত-বিদ্বেষের সাথে সাথে এই জনপদের মানুষরা বাইপ্রোডাক্ট হিসেবে নিজ দেশের হিন্দুদের প্রতিও তীব্র বিদ্বেষ পোষণ করে। পরবর্তীতে অন্য ধর্মীয় সম্প্রদায়ের প্রতিও এই বিদ্বেষ ছড়িয়ে পড়ে।

তাই, ফলশ্রুতিতে দেখা যায়, বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ট মুসলমান জনগণের সাম্প্রদায়িক তথা বাঙালির মুসলিম জাতীয়তাবাদী মানসিকতা ফলে সৃষ্ট সহিংসতার বলি হয়েছে বাংলাদেশের হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীস্টান-পাহাড়ি-উপজাতি-আদিবাসী-নাস্তিক সহ সকল ভিন্ন মত ও ধর্মের অনুসারীরা, এমনকি মুসলমান সংখ্যালঘু শিয়া, আহমাদি, লাহোরি আহমাদি’র মত সম্প্রদায়গুলো সংখ্যাগরিষ্ট মুসলমানদের সাম্প্রদায়িক আক্রোশের শিকার হয়েছে।

সাম্প্রদায়িক হামলা ও সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষজনিত ঘটনাগুলো বাংলাদেশে নিত্যকার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তাই, স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে, তবে এথেকে উদ্ধার পাবার উপায় কি?

বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে এই সমস্যার সমাধান হিসেবে নিম্নোক্ত কাজগুলো করা যেতে পারেঃ

১. রাষ্ট্রীয়ভাবে বাধ্যতামূলকভাবে সর্বস্তরে ধর্মনিরপেক্ষতার প্রবর্তন ও চর্চা করা।
২. ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা।
৩. রাজনীতির ধর্মনিরপেক্ষকরণ।
৪. বিজ্ঞান ও মানবিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণ।
৫. জঙ্গিগোষ্টীগুলোর প্রতি কঠোর মনোভাব গ্রহণ ও দমনে অভিযান পরিচালনা করা।
৬. একাত্তরের পরাজিত পক্ষ ও সাম্প্রদায়িক গোষ্টীকে রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে বয়কট করা এবং তাদের প্রচার ও প্রসারমূলক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রন করা।

বাঙালিয়ানা, ধর্মনিরপেক্ষতা, সম্পদের সুষম বন্টন ও গণতান্ত্রিক চর্চার প্রত্যয় নিয়ে সাড়ে চার দশক আগে বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়।

সাম্প্রদায়িক পক্ষের আগ্রাসন ও ধান্ধাবাজদের নোংরামির কারনে সেই প্রত্যয়গুলো আজ ছিন্নভিন্ন, লন্ডভন্ড; ফলশ্রুতিতে মৃত্যুর দ্বার প্রান্তে বাংলাদেশ।

তারপরও আমরা আশাহত নয়; সমস্যা হলে, সমাধানও থাকে; তাই, বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িকতার এই সমস্যার সমাধান আছে, সেই লক্ষ্যে কাজও চলছে।

বর্তমানে চলমান একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করা ও রায় বাস্তবায়ন অসাম্প্রদায়িক ও একাত্তরের চেতনায় বাংলাদেশ গড়ার পথে অনেক বড় ভূমিকা রাখবে। এবং এর সাথে সাথে উপরে উল্লেখিত ছয় ধারার কর্মপন্থাটিরও বাস্তবায়ন করা জরুরি।

সারকথা হলো, ধর্মনিরপেক্ষ ও বিজ্ঞানমনস্ক সমাজ বিনির্মান করা না গেলে একাত্তরে লাখো ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই বাংলাদেশের মৃত্যু আসন্ন।
আর বাংলাদেশের মৃত্যু মানে আমাদের অস্তিত্ব ও স্বাভাবিকত্বের অবসান।

তাই, নিজেদের অস্তিত্ব ও স্বাভাবিকত্ব টিকিয়ে রাখতে আমাদেরই এগিয়ে আসতে হবে, রুখে দিতে হবে সাম্প্রদায়িকতা।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ ভোর ৫:০৮
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

খেলা ফাইনাল হয়ে যেতে পারে আগামীকাল ...

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:৪৮


আগামীকাল অপপ্রচারকারীদের খেলা ফাইনাল হয়ে যেতে পারে। গ্যাস আর বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে সরকারকে কাবু করার দিন ফুরিয়ে এসেছে। 'কাছিমের মতো গর্ত থেকে বের হয়ে' যারা এতদিন সরকারের... ...বাকিটুকু পড়ুন

নতুন ভোরের গান

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৬:৪৭


নতুন ভোরের গান



কষ্টের দিন পেরিয়ে এবার
আসবে আলোর গান,
নতুন দিনের নতুন সুরে
জাগবে সবুজ প্রাণ।

নষ্ট স্মৃতির আড়ষ্টতা
ঝরিয়ে দেবো অনেক দূরে,
নিজের মনেই ভালোবাসার
নূপুর বাজবে সুরে সুরে।



ভ্রষ্ট পথের আঁধার কেটে
ভোর... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগে চার বছর একদিন হয়ে গেল । কি আশ্চর্য!

লিখেছেন সামরিন হক, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৬:৪৭

অবজ্ঞা

তোমার বিশেষ ঘৃণা দ্বারা আক্রান্ত আমি
চারপাশ ঘিরে ফেলেছে ঘৃণারা আমাকে
আস্তে আস্তে গ্রাস করে নিচ্ছে আমাকে তোমার ঘৃণা
আমার কথা শোন
আমি কখনই মনুষ্যত্বের সীমা পার করিনি
কিন্তু তোমার ঘৃণায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

গুপ্ত-গায়েব-গুম এবং পিওর ও শিওর লাভ

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:১৬


৭ মাসে বাংলাদেশে ১৫ হাজার শিশু নিখোঁজ !!!
এমন রোমহর্ষক, চমকে যাওয়া এবং অন্তরে কাপুনি ধরানোর মতো তথ্য বা কথা বার্তার কোনও মানে হয় ??!!
গরীব পরিবারের শিশুদের কথা বাদ দেই-এ... ...বাকিটুকু পড়ুন

সরকারী অফিসারদের বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:০০

দেশের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সরকারী অফিসারদের হাত ধরেই হয়। সেজন্যে, এই পদগুলো যোগ্য মানুষদের হাতে যাওয়া প্রয়োজন। কিন্তু, সমস্যা হচ্ছে, গত কয়েক দশকে দেশের টপ ট্যালেন্টদের বেশির ভাগই কোনক্রমেই সরেকারী অফিসার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×