somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মুনাওয়ার সিফাত
লিখালিখি নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন। আমার ভাব টুকু সহজে বুঝুক সকলে, এটাই চাই। প্রশংসা, সমালোচনা দুই বিষয়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। ফেসবুকে আমাকে পেতেঃ https://www.facebook.com/thinker.sifat

মৃত্যুর স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য

০৮ ই জুলাই, ২০২৩ রাত ৮:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



অথচ আপনি পরিপূর্ণ সমাপ্তি নিয়ে মৃত্যুকে বরণ করে নিতে পারবেন না৷ মৃত্যু জিনিসটাই জীবন ঘড়ির হঠাৎ পরিসমাপ্তি বুঝায়। কারো ঘড়ি রাত ১.২০ মিনিটে, কারো দুপুর ১২.৩৭ মিনিটে স্টপ হয়ে যাবে। অফিসে যাওয়ার সময়, স্কুলে যাওয়ার সময় মৃত্যু এসে যাবে। আপনার মাথায় তখনও পরবর্তী কাজের চিন্তা মাথায় ঘুরছিল। নামাজে মৃত্যু হলেই সমাপ্তি টা বুঝি সুন্দর? আপনি নামাজের নিয়ত বাঁধার আগেও ভেবেছিলেন নামাজ শেষে অমুক কাজে অমুক জায়গায় অমুক জনের সাথে দেখা করা লাগবে। বলুন ভাবেন নি?
কোরআন পড়ার সময় মৃত্যু? পরের পৃষ্ঠা পর্যন্ত যাওয়ার আপনার খুব ইচ্ছা ছিল। বলুন ছিল না? কিন্তু যেতে পারবেন না। পড়া অসম্পূর্ণ রয়ে যাবে।

হাসপাতালে অথবা বাসায় বৃদ্ধ অবস্থায় অবসরপ্রাপ্ত হয়ে মৃত্যুর ক্ষণ গোণা বৃদ্ধার মৃত্যুও পরিপূর্ণ সমাপ্তি নয়। ঐ লোকেরও বাথরুম থেকে বেড়িয়ে পত্রিকা পড়ার নিয়ত ছিল। রুম পর্যন্ত আসার আগেই স্ট্রোক করে বসলো বেচারা! তারপর হাসপাতাল, এরপর আজরাইল (আঃ)। শেষ। যতদিন আয়ু থাকবে আপনার পরবর্তী কাজের উদ্দেশ্য থেকে যাবে৷ কাজ অন্যকেউ করে দিলেও আপনার করা হবে না, আপনার জন্য অসম্পূর্ণ। আমরা কেউ-ই ভাবিনা এখন মৃত্যু হবে। কেউ না। আমিও কিছুক্ষণ পর ভাববো না। কিন্তু হুট করেই যে মৃত্যু হয়ে যাবে। জমানো টাকা ব্যাংক পর্যন্ত জমা দিতে যেতে পারবেন না হয়তো। অপরিপূর্ণ রয়ে যাবে। কালকে অফিসে বসের কাছে ফাইল জমা দিতে পারবেন না হয়তো। অথবা কালকে সিরিয়াস এক প্যাসেন্টের অপারেশন করবার কথা। কিন্তু আপনিই নাই হয়ে গেলেন।

এটাই তো মৃত্যুর স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। কাজের অপরিপূর্ণতা থেকে যাবে কাজের নিয়তটা সর্বোচ্চ মনে ধারণ করা যাবে এইতো। হুট করে হয়ে যাবে। অনেকে বলে "অমুক ব্যক্তি সব গুছিয়ে যেতে পেরেছেন"। কিন্তু পারে নি। নিজের একটা কাজ রয়ে গিয়েছে ঠিকই।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জুলাই, ২০২৩ রাত ৮:২১
৬টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিশ্ব পাঠ

লিখেছেন আবু সিদ, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

I. পড়ার সাধারণ অর্থ
সাধারণভাবে, পড়া বা Reading হলো লিখিত বর্ণ বা চিহ্ন দেখে তার অর্থ উদ্ধার করার উপায়। পড়া কেবল শব্দ উচ্চারণ নয়, বরং লেখার বিষয়বস্তুর সাথে নিজের চিন্তার যোগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাতাস ভাড়ি হবে লাশের গন্ধে

লিখেছেন ফেনা, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:২১


ছবিঃ গুগল

আলোচনাটা আপাদত একটা ফাইলে করে টেবিলে তুলা থাক। এসো আগে আমরা একটু ধ্বংস ধ্বংস খেলি।
শত বছর হতে চলল পাইনা বাতাসে তেমন লাশের গন্ধ। জাহানের বাতাসটা ভরে উঠুকনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

এঁনারা কিসের আশায় দালালি করে যাচ্ছেন?

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:০৫



১. ১৫ আগস্ট টাইপ কিছু বা ৭ নভেম্বর টাইপ কিছু না ঘটলে আওয়ামী লীগ সহসা আর ক্ষমতায় আসতে পারবে না। জুলাই-এর মত কিছুও বার বার হয় না। তাই ধরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বমিনং করোনং ইচ্ছং

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:১১


গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান
ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
১৫০।(১) এই সংবিধানের অন্য কোন বিধান সত্ত্বেও ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর তারিখে এই সংবিধান প্রবর্তনকালে সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে বর্ণিত বিধানাবলী ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ স্বাধীনতা

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:১২


বাবা পাখিটি গাইছে গান
আমড়া গাছের ডালে।
ছানাগুলো নিশ্চিন্তে
মায়ের বুকের তলে।

রীনা বসে বীনা বাজায়
মীনা গায় গান।
দীনা বলে পুষবো পাখি
একটা ধরে আন।

মা শুনে কয় বনের পাখি
বনেতেই মানায়।
বন্দী পাখি হয় যে দুঃখী
উচিত কাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×